Jumjournal Logo

ভূমি কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলও চলে না, রিভিশনও নয়: ১৬ ধারা যা বলে

Last updated Oct 19th, 2026

1

খাগড়াছড়িতে ঘন সবুজ গাছে ঢাকা পাহাড়ের সারি, সামনে ঘাস ও লতাগুল্ম, ওপরে মেঘলা আকাশ

ভূমি কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার কোনো পথ আইনে রাখা হয়নি পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি-বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন, 2001-এর 16 ধারা বলছে, কমিশনের সিদ্ধান্ত দেওয়ানি আদালতের ডিক্রি বলে গণ্য হবে, কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল বা রিভিশন করা যাবে না, এমনকি সিদ্ধান্তের বৈধতা বা যথার্থতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা যাবে না

এক বাক্যের এই ধারাটি বাংলাদেশের ভূমি-বিরোধের সাধারণ পথ থেকে পাহাড়ের জমিকে আলাদা করে দেয় সমতলে জমির মামলা হারলে জেলা জজের কাছে আপিল, তারপর হাইকোর্টে রিভিশন — এই সিঁড়ি সবার চেনা ভূমি কমিশনের ক্ষেত্রে সিঁড়িটা একধাপেই শেষ আবেদনের নিয়ম, কমিশনের গঠন ও কোন জমি এখতিয়ারে পড়ে, সেসব আমাদের আগের লেখা =”https://www.jumjournal.com/bhumi-commission-abedon-poddhoti”>ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনে আবেদন করবেন কীভাবে-তে ধাপে ধাপে আছে এই লেখা কেবল শেষ ধাপটি নিয়ে: সিদ্ধান্ত হয়ে গেলে কী হয়, “চূড়ান্ত” শব্দটি আইনে ঠিক কতদূর যায়, সংবিধান তার ওপর কী সীমা টানে, আর আদালত এ পর্যন্ত কী বলেছে

লেখার প্রতিটি উদ্ধৃতি আইন মন্ত্রণালয়ের সরকারি আইন-ভান্ডার =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877.html”>bdlaws.minlaw.gov.bd থেকে নেওয়া, যেখানে 2016 সালের সংশোধনীসহ হালনাগাদ পাঠ রাখা আছে পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি-বিষয়ক অন্যান্য লেখা পাবেন আমাদের =”https://www.jumjournal.com/chittagong-hill-tracts”>পার্বত্য চট্টগ্রাম পাতায়

১৬ ধারায় হুবহু কী লেখা আছে

16 ধারার শিরোনাম “কমিশনের সিদ্ধান্তের আইনগত প্রকৃতি এবং চূড়ান্ততা” পুরো ধারাটি একটি বাক্য, আর তার ভেতরে চারটি আলাদা বিধান আছে: সিদ্ধান্তের মর্যাদা, আপিলের নিষেধ, রিভিশনের নিষেধ, আর বৈধতা বা যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার নিষেধ

“১৬৷ ধারা ৬(১)-এ বর্ণিত কোন বিষয়ে দাখিলকৃত আবেদনের উপর কমিশন প্রদত্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ানী আদালতের ডিক্রী বলিয়া গণ্য হইবে, তবে উক্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোন আদালত বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষের নিকট আপীল বা রিভিশন দায়ের বা উহার বৈধতা বা যথার্থতা সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না৷”

— পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি-বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন, 2001 (2001 সনের 53 নং আইন), =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26620.html”>ধারা 16, bdlaws

জনসংহতি সমিতির ওয়েবসাইটে আইনটির যে =”https://www.pcjss.org/wp-content/uploads/sites/16/2020/10/CHT-Land-Dispute-Settlement-Commission-Act-2001.pdf”>সরল ইংরেজি অনুবাদ আছে, সেখানে একই ধারা এভাবে: “neither appeal or revision petition can be submitted to any court or any authority nor question can be raised regarding its legality or appropriateness.” এটি সরকারি অনুবাদ নয়; আইনের বাংলা পাঠই প্রামাণ্য

বাক্যটিকে ভেঙে পড়লে চারটি অংশ এভাবে দাঁড়ায়:

style=”width:100%;border-collapse:collapse;margin:1em 0;font-size:0.95em”>

অংশ ধারার শব্দ এর অর্থ যা দাঁড়ায় ১. কোন সিদ্ধান্ত ধারা ৬(১)-এ বর্ণিত কোন বিষয়ে দাখিলকৃত আবেদনের উপর কেবল 6(1)-এর তিন ধরনের বিরোধে আবেদনের ওপর দেওয়া সিদ্ধান্ত ২. মর্যাদা দেওয়ানী আদালতের ডিক্রী বলিয়া গণ্য হইবে সিদ্ধান্তটি আদালতের রায়ের মতোই বাধ্যতামূলক ও বাস্তবায়নযোগ্য ৩. যা করা যাবে না কোন আদালত বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষের নিকট আপীল বা রিভিশন দায়ের জেলা জজ, হাইকোর্ট বা কোনো প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল বা রিভিশন নয় ৪. যা তোলা যাবে না উহার বৈধতা বা যথার্থতা সম্পর্কে কোন প্রশ্ন সিদ্ধান্ত আইনসম্মত কি না, বা সঠিক কি না — সেই প্রশ্নও নয়

চতুর্থ অংশটিই ধারাটিকে সাধারণ “আপিল নেই” বিধানের চেয়ে বড় করে আপিল ও রিভিশন দুটো নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া; কিন্তু “বৈধতা বা যথার্থতা সম্পর্কে কোন প্রশ্ন” কথাটি যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জকে ঢাকতে চায় আইনের ভাষায় এ ধরনের বিধানকে বলে চূড়ান্ততা-ধারা বা ouster clause — যে ধারা আদালতের এখতিয়ার বাইরে রাখতে চায় এর সীমা কোথায়, সে আলোচনা নিচে সংবিধানের অংশে

১৬ ধারা কোন সিদ্ধান্তে খাটে, কোনটিতে খাটে না

16 ধারার সুরক্ষা সব আদেশে নয়, কেবল সেই সিদ্ধান্তে যা “ধারা ৬(১)-এ বর্ণিত কোন বিষয়ে দাখিলকৃত আবেদনের উপর” দেওয়া হয় অর্থাৎ 6(1)-এর তিনটি কাজের কোনো একটির ওপর আবেদন এসেছে, আর কমিশন সেই আবেদনে সিদ্ধান্ত দিয়েছে — তবেই ধারাটি প্রযোজ্য

2016 সালের সংশোধনীর পর =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26610.html”>6(1) ধারা তিনটি কাজ নির্ধারণ করে:

  1. (ক) পুনর্বাসিত শরণার্থীদের ভূমি-বিরোধ, এবং অবৈধ বন্দোবস্ত ও বেদখল হওয়া ভূমির বিরোধ “পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রচলিত আইন, রীতি ও পদ্ধতি অনুযায়ী” নিষ্পত্তি করা
  2. (খ) আবেদনে উল্লিখিত জমিতে আবেদনকারী বা প্রতিপক্ষের স্বত্ব বা অন্যান্য অধিকার নির্ধারণ, আর প্রয়োজনে দখল পুনর্বহাল
  3. (গ) প্রচলিত আইন, রীতি ও পদ্ধতির বাইরে জলেভাসা জমিসহ কোনো জমি বন্দোবস্ত বা বেদখল হয়ে থাকলে তা বাতিল করা ও বৈধ মালিকের দখল ফিরিয়ে দেওয়া — তবে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ও বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ এলাকার অধিগ্রহণকৃত জমিতে এটি প্রযোজ্য নয় (শর্তাংশ)

এর বাইরে কমিশনের আরও কিছু ক্ষমতা আইনে আছে, যেগুলো 6(1)-এর “কার্যাবলী” নয় 6(3) ধারায় কমিশন যেকোনো সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থাকে তথ্য, কাগজপত্র বা স্থানীয় তদন্ত-জরিপের প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিতে পারে; 6(4) ধারায় বিরোধীয় জমি সরেজমিনে দেখতে পারে; =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26614.html”>10(3) ধারায় কাউকে প্রতিপক্ষ হিসেবে যুক্ত করতে পারে; =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26613.html”>9(2) ধারায় আবেদন একবার সংশোধনের অনুমতি দিতে পারে এসব আদেশ বা নির্দেশ 16 ধারার শব্দে পড়ে কি না, আইনে আলাদা করে বলা নেই, আর এ নিয়ে কোনো আদালতের ব্যাখ্যাও পাওয়া যায়নি ধারার আক্ষরিক পাঠে সুরক্ষাটি কেবল “আবেদনের উপর … সিদ্ধান্ত”-এ

আরেকটি সীমা আছে =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26616.html”>12 ধারায়: কমিশন তার চেয়ারম্যান, কোনো সদস্য বা কর্মকর্তাকে লিখিত আদেশে ক্ষমতা অর্পণ করতে পারে, কিন্তু “এই ধারা এবং ধারা ৬(১) এ বর্ণিত কার্যাবলী সম্পাদন ব্যতীত” অর্থাৎ যে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে, সেটি একজন কর্মকর্তা একা দিতে পারেন না — তা দিতে হবে কমিশনকেই, =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26611.html”>7(6) ধারা অনুযায়ী লিখিতভাবে

আপিল আর রিভিশন বলতে কী বোঝায়, আর কী হারাতে হয়

আপিল মানে উচ্চতর আদালতে পুরো মামলা — ঘটনা ও আইন দুটোই — আবার যাচাই করানো; রিভিশন মানে উচ্চতর আদালত দেখবে নিম্ন আদালত আইনের ভুল করে অবিচার ঘটিয়েছে কি না দেওয়ানি কার্যবিধি, 1908-এ দুটোরই সাধারণ নিয়ম আছে, আর 16 ধারা দুটোকেই বন্ধ করে

দেওয়ানি কার্যবিধির =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-86/section-15275.html”>96 ধারা বলে, আইনে অন্যভাবে স্পষ্ট বলা না থাকলে মূল এখতিয়ারের যেকোনো আদালতের প্রতিটি ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল চলবে (“an appeal shall lie from every decree”) লক্ষ করার বিষয়, এই সাধারণ নিয়মেরই ব্যতিক্রম রাখা আছে: “Save where otherwise expressly provided … by any other law” ভূমি কমিশন আইনের 16 ধারা ঠিক সেই “অন্য আইন”, যা স্পষ্টভাবে আপিল বন্ধ করেছে

=”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-86/section-15356.html”>115 ধারা রিভিশনের 2003 সালের সংশোধনের পর এর 115(1) বলছে, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশ, কিংবা যুগ্ম জেলা জজ ও নিচের আদালতের যে ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল নেই, সেগুলোতে আইনের ভুলের কারণে অবিচার ঘটলে হাইকোর্ট বিভাগ রেকর্ড তলব করে সংশোধন করতে পারে সাধারণ নিয়মে আপিল না থাকলেও রিভিশনের পথ খোলা থাকে — ভূমি কমিশন আইন সেটিও বন্ধ করেছে

কোনো দেওয়ানি মামলায় পক্ষগুলো সাধারণত যে পথগুলো পান, আর ভূমি কমিশনের ক্ষেত্রে কোনটি থাকে, তার তুলনা:

style=”width:100%;border-collapse:collapse;margin:1em 0;font-size:0.95em”>

প্রতিকারের পথ সাধারণ দেওয়ানি মামলায় ভূমি কমিশনের 6(1)-এর সিদ্ধান্তে প্রথম আপিল আছে — দেওয়ানি কার্যবিধি 96 ধারা নেই — 16 ধারা রিভিশন আছে — 115 ধারা, জেলা জজ বা হাইকোর্ট বিভাগে নেই — 16 ধারা সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে অন্য কোনো কর্তৃপক্ষে প্রশ্ন প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আছে নেই — 16 ধারা রায় বাস্তবায়ন ডিক্রি জারির মাধ্যমে, আদালতের হাতে কমিশন নিজে বা সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে — 17 ধারা সংবিধানের 102 অনুচ্ছেদে রিট আছে আইনে উল্লেখ নেই; নিচের অংশ দেখুন

ছকের শেষ সারিটিই এই লেখার কেন্দ্রীয় প্রশ্ন একটি সাধারণ আইন আপিল ও রিভিশন বন্ধ করতে পারে, কারণ ওই দুটো সাধারণ আইনেরই সৃষ্টি কিন্তু রিট এখতিয়ার আসে সংবিধান থেকে, আর সংবিধান কোনো সাধারণ আইনের অধীন নয়

‘দেওয়ানি আদালতের ডিক্রি’ মর্যাদা বাস্তবে কী বোঝায়

ডিক্রি বলে গণ্য হওয়ার অর্থ, কমিশনের সিদ্ধান্ত কেবল একটি সুপারিশ নয়; এটি আদালতের রায়ের মতো বাধ্যতামূলক এবং জোর করে কার্যকর করা যায় 17 ধারা বাস্তবায়নের দায়িত্ব কমিশনকেই দিয়েছে, আর সব কর্তৃপক্ষকে তা মানতে বাধ্য করেছে

দেওয়ানি কার্যবিধির =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-86/section-13591.html”>2(2) ধারা অনুযায়ী “decree” হলো এমন বিচারিক সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক রূপ, যা বিরোধের বিষয়ে পক্ষগুলোর অধিকার “conclusively” নির্ধারণ করে ভূমি কমিশন আদালত নয়, কিন্তু 16 ধারা তার সিদ্ধান্তকে এই মর্যাদা দিয়েছে

=”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26621.html”>17 ধারা দুটি উপ-ধারায় বাস্তবায়নের পথ বলে দেয়:

“(১) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন কমিশনের সিদ্ধান্ত দেওয়ানী আদালতের ডিক্রী, বা ক্ষেত্রমত, আদেশের ন্যায় কমিশন উহার কর্মকর্তা ও কর্মচারীর মাধ্যমে বা প্রয়োজনবোধে সরকারী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করিতে বা করাইতে পারিবে৷ (২) উপ-ধারা (১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সকল কর্তৃপক্ষ কমিশনের নির্দেশ পালনে বাধ্য থাকিবে৷”

“অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন” — এই শুরুটি গুরুত্বপূর্ণ এর অর্থ, অন্য কোনো আইনে ভিন্ন বিধান থাকলেও বাস্তবায়নের প্রশ্নে 17 ধারাই প্রাধান্য পাবে; আর 17(2)-এ “সকল কর্তৃপক্ষ” কথাটির কোনো ব্যতিক্রম লেখা নেই

আইনের আরও দুটি ধারা চূড়ান্ততাকে ঘিরে রাখে =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26623.html”>19 ধারা কমিশনকে দণ্ডবিধির 220 ধারা ও ফৌজদারি কার্যবিধির 480 ধারার উদ্দেশ্যে দেওয়ানি আদালত হিসেবে গণ্য করে, ফলে কমিশন তার অবমাননাকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে আর =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26624.html”>20 ধারা সরল বিশ্বাসে করা কাজের জন্য চেয়ারম্যান, সদস্য, কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা বন্ধ করে আমাদের =”https://www.jumjournal.com/bhumi-commission-abedon-poddhoti”>আবেদন-পদ্ধতির লেখায় এই দুই ধারা পাশাপাশি পড়ার কথা বলা হয়েছে: সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেও পথ নেই, সরল বিশ্বাসে সিদ্ধান্তদাতার বিরুদ্ধেও নেই

শান্তিচুক্তিতে কী ছিল, আর আইনে নিষেধটা কতদূর বাড়ল

আপিলের নিষেধ আইনপ্রণেতাদের নতুন সংযোজন নয়; এটি 1997 সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির (ঘ) খণ্ডের 4 নম্বর দফা থেকে এসেছে তবে চুক্তির ভাষা ছিল “আপিল চলিবে না” ও “চূড়ান্ত”; আইনে তার সঙ্গে রিভিশন, “অন্য কোন কর্তৃপক্ষ” আর “বৈধতা বা যথার্থতা” যোগ হয়েছে

চুক্তির বাংলা পাঠে, আমাদের =”https://www.jumjournal.com/bhumi-commission-abedon-poddhoti”>আগের লেখায় উদ্ধৃত রূপে, (ঘ)4 দফার শেষ বাক্য: “এই কমিশনের রায়ের বিরুদ্ধে কোন আপিল চলিবে না এবং এই কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া বিবেচিত হইবে” নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রক ইনস্টিটিউটের =”https://peaceaccords.nd.edu/provision/economic-and-social-development-chittagong-hill-tracts-peace-accord-cht”>Peace Accords Matrix-এ রাখা ইংরেজি পাঠে একই কথা: “No appeal can be made against the judgment of this commission and decision of this commission shall be final.”

দুই দলিলের শব্দ পাশাপাশি রাখলে পার্থক্যটা চোখে পড়ে:

style=”width:100%;border-collapse:collapse;margin:1em 0;font-size:0.95em”>

বিষয় চুক্তি, (ঘ)4 আইন, ধারা 16 আপিল “কোন আপিল চলিবে না” “কোন আদালত বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষের নিকট আপীল … দায়ের … করা যাইবে না” রিভিশন উল্লেখ নেই নিষিদ্ধ কার কাছে উল্লেখ নেই “কোন আদালত বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ” বৈধতা বা যথার্থতার প্রশ্ন উল্লেখ নেই নিষিদ্ধ সিদ্ধান্তের মর্যাদা “চূড়ান্ত বলিয়া বিবেচিত হইবে” “দেওয়ানী আদালতের ডিক্রী বলিয়া গণ্য হইবে” কোন সিদ্ধান্তে “এই কমিশনের রায়” — সাধারণভাবে কেবল 6(1)-এর বিষয়ে আবেদনের ওপর সিদ্ধান্ত

শেষ সারিতে উল্টো দিকের পরিবর্তনও আছে: চুক্তি কমিশনের যেকোনো “রায়”-কে চূড়ান্ত বলেছিল, আইন সুরক্ষাটি 6(1)-এর আবেদনে সীমিত করেছে বাকি সব সারিতে আইনের নিষেধ চুক্তির চেয়ে প্রশস্ত

চুক্তির পটভূমি, পক্ষ ও অন্য দফাগুলো আমাদের =”https://www.jumjournal.com/cht-peace-accord-1997″>পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি ১৯৯৭: ধারা ধরে ধরে লেখায় আছে; আর কোন দফা কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে, তার হিসাব =”https://www.jumjournal.com/parbatya-chukti-1997-bastobayon”>চুক্তি বাস্তবায়নের লেখায়

২০১৬ সালের সংশোধনী কি ১৬ ধারায় হাত দিয়েছিল

না পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি-বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন (সংশোধন) আইন, 2016 (2016 সনের 45 নং আইন) প্রস্তাবনা এবং 3, 4, 6, 7, 9, 13 ও 18 ধারায় পরিবর্তন এনেছে; bdlaws-এর হালনাগাদ পাঠে 16 ধারার নিচে কোনো সংশোধনী-পাদটীকা নেই ধারাটি 2001 সালের রূপেই আছে

bdlaws প্রতিটি সংশোধিত শব্দের নিচে পাদটীকায় লিখে রাখে কোন আইনের কোন ধারাবলে পরিবর্তনটি হয়েছে 2016 সালের আইনের পাদটীকাগুলো দেখায়: 2 ধারাবলে প্রস্তাবনায় চুক্তির পক্ষের নাম, 3 ধারাবলে 3(2)(ঘ)-তে সার্কেল চীফের প্রতিনিধি, 4 ধারাবলে শাখা কার্যালয়, 5 ধারাবলে 6(1)-এর তিন দফা, 6 ধারাবলে 7(3), 7(4) ও 7(5), 7 ধারাবলে 9 ধারা, 8 ধারাবলে 13(3), আর 9 ধারাবলে 18 ধারা 16, 17, 19 ও 20 ধারায় এমন কোনো পাদটীকা নেই

সংশোধনীর আগে আঞ্চলিক পরিষদের সঙ্গে আলোচনা করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় যে 13 দফা প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছিল, জনসংহতি সমিতির =”https://www.pcjss.org/wp-content/uploads/sites/16/2020/10/CHT-Land-Dispute-Settlement-Commission-Act-2001.pdf”>প্রকাশিত ছকে সেগুলোর তালিকা আছে: প্রস্তাবনা, 3(2)(ঘ), 6(1)(ক), 6(1)(খ), 6(1)(গ), 7(3), 7(4), 7(5), 9, 10, 13 ও 18 ধারা, আর নতুন একটি 21 ধারা ওই ছকে 16 ধারা সংশোধনের কোনো প্রস্তাব নেই অর্থাৎ ওই সংশোধনী-প্রস্তাবে আপিলের নিষেধ বদলানোর কথা ছিল না

তবে 2016 সালের একটি পরিবর্তন পরোক্ষে 16 ধারার ওজন বদলেছে আগে 7(5) ধারায় সর্বসম্মতি না হলে “চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তই কমিশনের সিদ্ধান্ত বলিয়া গণ্য” হতো; এখন হয় “চেয়ারম্যানসহ উপস্থিত সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের গৃহীত সিদ্ধান্ত” যে সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল নেই, সেটি এখন একজনের নয়, সংখ্যাগরিষ্ঠের সংশোধনীর বাকি পরিবর্তনগুলোর বিস্তারিত আলাদা লেখার বিষয় — ভূমি কমিশন সংশোধন আইন ২০১৬: ২০০১ সালের আইনের কোন ধারা কীভাবে বদলেছিল; আর 6 ধারার “প্রচলিত আইন, রীতি ও পদ্ধতি”-র ব্যাখ্যা আরেকটি লেখায় — “ভূমি কমিশনকে ‘প্রচলিত আইন, রীতি ও পদ্ধতি’ মেনে চলতে হয়: ৬ ধারার তাৎপর্য”

অন্য ভূমি-বিরোধের আইনে আপিলের পথ কেমন: পাশাপাশি ছক

ছকে রাখা অন্য তিনটি বিশেষ ফোরামের প্রতিটিতেই সিদ্ধান্তের পরে অন্তত এক ধাপ চ্যালেঞ্জের পথ আছে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়ে আপিল ট্রাইব্যুনাল, অর্পিত সম্পত্তি ট্রাইব্যুনালের রায়ে আপিল ট্রাইব্যুনাল, সালিসী রোয়েদাদের বিরুদ্ধে বাতিলের আবেদন পার্বত্য ভূমি কমিশনে কোনো ধাপ নেই

style=”width:100%;border-collapse:collapse;margin:1em 0;font-size:0.95em”>

ফোরাম ও আইন প্রথম সিদ্ধান্ত কে দেন আপিল বা চ্যালেঞ্জের পথ চূড়ান্ততা ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল — রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, 1950, =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-241/section-7267.html”>145A ও =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-241/section-7268.html”>145B যুগ্ম জেলা জজ পর্যায়ের বিচারক ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে, রায়ের 3 মাসের মধ্যে (দেরির যুক্তিসংগত কারণে আরও 3 মাস) আপিল ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনাল — অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন, 2001, =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-856/section-29641.html”>ধারা 18 ও =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-856/section-29645.html”>22(3) ট্রাইব্যুনাল নির্দিষ্ট কয়েক ধরনের সিদ্ধান্তে আপিল ট্রাইব্যুনালে, 45 দিনের মধ্যে; জেলা জজ সমন্বয়ে আপিল ট্রাইব্যুনাল “উহার রায় চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে” — আপিল ট্রাইব্যুনালের রায় সালিসী ট্রাইব্যুনাল — সালিস আইন, 2001, =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-850/section-32740.html”>ধারা 39 ও =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-850/section-32749.html”>42 সালিসকারী রোয়েদাদ পাওয়ার 60 দিনের মধ্যে আদালতে বাতিলের আবেদন রোয়েদাদ “চূড়ান্ত ও বাধ্যকর”, তবে 39(2) অনুযায়ী আপত্তির অধিকার ক্ষুণ্ন হয় না সাধারণ দেওয়ানি আদালত — দেওয়ানি কার্যবিধি, 1908, =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-86/section-15275.html”>96 ও =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-86/section-15356.html”>115 সহকারী জজ থেকে যুগ্ম জেলা জজ আপিল, তারপর রিভিশন শেষ ধাপের পর পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি-বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন — 2001 সনের 53 নং আইন, =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26620.html”>ধারা 16 পাঁচ সদস্যের কমিশন, চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নেই — আপিল, রিভিশন, বৈধতার প্রশ্ন সবই নিষিদ্ধ প্রথম সিদ্ধান্তেই

ছকে একটি মিল আছে, একটি অমিল মিল: অর্পিত সম্পত্তি আইনেও 18(1) ধারায় আপিলযোগ্য তালিকার বাইরের সিদ্ধান্তের “বৈধতা, যথার্থতা বা সঠিকতা সম্পর্কে কোন প্রশ্ন” তোলা নিষিদ্ধ — ভাষাটা ভূমি কমিশন আইনের কাছাকাছি, আর দুটো আইনই 2001 সালের অমিল: অর্পিত সম্পত্তি আইন মূল রায়গুলোর জন্য আপিলের একটি ধাপ রেখেছে, ভূমি কমিশন আইন রাখেনি

আরেকটি পার্থক্য গঠনে ছকের অন্য ফোরামগুলোতে প্রথম সিদ্ধান্ত দেন একজন বিচারক বা সালিসকারী; ভূমি কমিশনে =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26607.html”>3(2) ধারা অনুযায়ী পাঁচজন — অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান বা তাঁর মনোনীত সদস্য, সংশ্লিষ্ট পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সংশ্লিষ্ট সার্কেল চীফ বা তাঁর প্রতিনিধি, এবং চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার বা অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আপিল না রাখার কারণ হিসেবে এই গঠনের কথা আইনের প্রস্তাবনায় বা কোনো প্রকাশিত সংসদীয় নথিতে পাওয়া যায়নি

আপিল নেই মানে কি হাইকোর্টে রিটও করা যাবে না

16 ধারা আপিল, রিভিশন ও “বৈধতা বা যথার্থতা” নিয়ে প্রশ্ন বন্ধ করেছে, কিন্তু সংবিধানের 102 অনুচ্ছেদের রিট এখতিয়ারের কথা ধারাটিতে নেই ভূমি কমিশনের কোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিট হয়েছে, বা আদালত 16 ধারার সীমা ব্যাখ্যা করেছে — এমন কোনো রায় পাওয়া যায়নি তাই প্রশ্নটির উত্তর এখনো আদালতে পরীক্ষিত নয়; নিচে কেবল সংবিধানের পাঠ আর অন্য প্রসঙ্গে আদালতের অবস্থান

সংবিধান যা বলে

=”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-957/section-29346.html”>7(2) অনুচ্ছেদ সংবিধানকে “প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন” বলে, আর কোনো আইন সংবিধানের সঙ্গে অসমঞ্জস হলে “সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে” =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-957/section-30463.html”>102(2)(ক)(আ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আইনে অন্য কোনো “সমফলপ্রদ বিধান” না থাকলে হাইকোর্ট বিভাগ কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে ঘোষণা দিতে পারে যে প্রজাতন্ত্রের বিষয়াবলির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব পালনকারী কোনো ব্যক্তির কাজ “আইনসংগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে করা হইয়াছে” এবং তার “কোন আইনগত কার্যকরতা নাই”

এই অনুচ্ছেদে “ব্যক্তি” শব্দের সংজ্ঞাও দেওয়া আছে 102(5) বলছে, প্রসঙ্গের প্রয়োজনে অন্যরূপ না হলে “ব্যক্তি” বলতে “সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষ” এবং — প্রতিরক্ষা বাহিনী বা শৃঙ্খলা-বাহিনীর আইনে গঠিত আদালত বা ট্রাইব্যুনাল আর 117 অনুচ্ছেদের প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল বাদে — “যে কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল” অন্তর্ভুক্ত ভূমি কমিশন একটি আইন দ্বারা গঠিত সংস্থা, এবং এটি 102(5)-এর বাদ দেওয়া কোনো তালিকায় পড়ে না তবে কমিশন এই সংজ্ঞার কোন অংশে পড়বে, সে বিষয়ে আদালতের কোনো সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি

মৌলিক অধিকারের প্রশ্ন থাকলে আরেকটি পথ আছে =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-957/section-30010.html”>44(1) অনুচ্ছেদ তৃতীয় ভাগের অধিকার বলবৎ করতে 102(1) অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে মামলা করার অধিকারের “নিশ্চয়তা” দেয়, আর =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-957/section-29997.html”>31 অনুচ্ছেদ বলে, আইনানুযায়ী ছাড়া এমন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না যাতে কারও “জীবন, স্বাধীনতা, দেহ, সুনাম বা সম্পত্তির হানি ঘটে” কোনো সাধারণ আইন সংবিধানের এই নিশ্চয়তা বাতিল করতে পারে না — 7(2) অনুচ্ছেদ সে কথাই বলে

অন্য প্রসঙ্গে আদালতের অবস্থান

“চূড়ান্ত, কোনো আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না” ধরনের বিধান বাংলাদেশের আদালত আগেও দেখেছে আইন-সংকলন সাইট =”https://www.lawyersnjurists.com/article/constitution-of-bangladesh-1972-article-102/”>The Lawyers & Jurists-এ প্রকাশিত 102 অনুচ্ছেদের রায়-সারাংশে Mohammad Nazmul Hossain vs The State (16 BLD (HCD) 287) মামলার সারকথা এভাবে লেখা: কোনো ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত আইনে চূড়ান্ত ও কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষের কাছে চ্যালেঞ্জ-অযোগ্য হলেও, হাইকোর্ট বিভাগ 102 অনুচ্ছেদে পরীক্ষা করতে “legal obligation”-এর অধীন যে কার্যধারাটি এখতিয়ারবিহীন ছিল কি না; এখতিয়ারবিহীন হলে “in spite of the embargo” কার্যধারা বাতিল করা যায় একই সংকলনে Muhammad Ullah vs Secretary, Ministry of Home Affairs (16 BLD (HCD) 18)-এর সারাংশে বলা হয়েছে, আপিল বিভাগ ধারাবাহিকভাবে বলেছে, সামরিক আইনের ঘোষণাপত্রে ouster clause থাকলেও “malafide or coram-non-judice proceedings” সুপ্রিম কোর্টের পরীক্ষার বাইরে নয় এগুলো রায়ের সারাংশ; পূর্ণ রায় এই লেখায় যাচাই করা যায়নি, আর কোনোটিই ভূমি কমিশন নিয়ে নয়

সুপ্রিম কোর্টের নিজস্ব প্রকাশনা =”https://www.supremecourt.gov.bd/resources/bulletin/6_SCOB_HCD_10.pdf”>Supreme Court Online Bulletin-এ Mahbub Ali vs Judge, Artha Rin Adalat (6 SCOB [2016] HCD 102) মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ বলেছিল, অর্থঋণ আদালতের সিদ্ধান্ত যদি “vitiated by malafide” হয় বা আদালত “acted in excess of jurisdiction”, তাহলে “despite the alternative remedy, writ jurisdiction can be invoked under Article 102” সেখানে আপিলের পথ খোলা থাকা সত্ত্বেও রিট চলেছে প্রসঙ্গটি ভিন্ন — সেখানে চূড়ান্ততা-ধারা ছিল না, ছিল বিকল্প প্রতিকার

তুলনার জন্য ব্রিটেনের একটি মামলা প্রাসঙ্গিক, কারণ সেখানেও প্রতিষ্ঠানটি ছিল একটি “কমিশন” =”https://en.wikipedia.org/wiki/Ouster_clause”>Ouster clause-বিষয়ক উইকিপিডিয়া নিবন্ধ অনুযায়ী, Anisminic Ltd v Foreign Compensation Commission (1968) মামলায় হাউস অব লর্ডস রায় দেয় যে ouster clause আদালতকে এমন সিদ্ধান্ত পরীক্ষা থেকে বিরত রাখতে পারে না, যা আইনের ভুলের কারণে “nullity” বাংলাদেশের আদালতের জন্য এটি বাধ্যতামূলক নজির নয়

এসব থেকে যা বলা যায়, তা সীমিত: সাধারণ আইনের চূড়ান্ততা-ধারা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের আদালত অন্য প্রসঙ্গে এখতিয়ারবিহীন, অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা আইনত অস্তিত্বহীন (coram non judice) কার্যধারা পরীক্ষা করেছে ভূমি কমিশনের কোনো সিদ্ধান্তে আদালত একই পথে যাবে কি না, তা কোনো রায় না আসা পর্যন্ত জানা যাবে না

ভূমি কমিশন নিয়ে আদালতে এ পর্যন্ত কী কী মামলা হয়েছে

যে মামলাগুলোর খবর পাওয়া যায়, সেগুলো কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নয় — কারণ কমিশন এখনো কোনো আবেদনে সিদ্ধান্ত দেয়নি মামলাগুলো জরিপ, চুক্তি, আঞ্চলিক পরিষদ আইন ও প্রথাগত উত্তরাধিকার নিয়ে, আর 16 ধারার বৈধতা নিয়ে কোনো মামলার খবর পাওয়া যায়নি

style=”width:100%;border-collapse:collapse;margin:1em 0;font-size:0.95em”>

সময় মামলা বিষয় সর্বশেষ জানা অবস্থা 2000 ও 2007 বদিউজ্জামান (রাঙামাটির কাউখালী) ও আইনজীবী তাজুল ইসলামের রিট আঞ্চলিক পরিষদ আইন ও জেলা পরিষদ আইনের কিছু ধারা; 2007-এর রিটে চুক্তি বাতিলের প্রশ্ন এপ্রিল 2010-এ হাইকোর্ট চুক্তি বাতিলের আবেদন নাকচ করে, কিন্তু আঞ্চলিক পরিষদ আইন বাতিল ঘোষণা করে; সরকারের আবেদনে চেম্বার জজ স্থগিতাদেশ দেন, 2018 পর্যন্ত আপিল বিভাগে নিষ্পত্তি হয়নি (=”https://www.prothomalo.com/bangladesh/আজও-আদালতে-পার্বত্য-চট্টগ্রাম-চুক্তি”>প্রথম আলো, 2018) 2006 ও 2009 (রায় 7 অক্টোবর 2012) আবেরচাই মগ ও অন্যান্য বনাম যুগ্ম জেলা জজ, খাগড়াছড়ি (রিট 3285/2009 ও 2829/2006) খাগড়াছড়ির 24.30 একর জমির বণ্টন: জেলা প্রশাসকের দেওয়ানি রায়, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারের আপিল ও ভূমি আপিল বোর্ড পর্যন্ত বহাল হাইকোর্ট বিভাগ সব আদেশ “without any lawful authority” ঘোষণা করে নতুন করে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয় (=”https://www.blast.org.bd/content/judgement/Wt-3285-2009.pdf”>BLAST-এ রক্ষিত রায়) ফেব্রুয়ারি 2011 মো. জাহাঙ্গীর কামাল ও অন্যদের রিট কমিশনের 03.08.2009 ও 07.09.2009 তারিখের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জরিপ করার নির্দেশ পরিণতি জানা যায়নি (=”https://did.isuma.tv/indigenous-peoples-issues-and-resources/bangladesh-writ-petition-on-land-survey-in-cht-filed-with”>Indigenous Peoples Issues & Resources)

প্রথম মামলাটির সঙ্গে ভূমি কমিশনের যোগ আছে গঠনের মাধ্যমে কমিশনের 3(2)(খ) ধারায় একজন সদস্য “আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান বা তাঁহার প্রতিনিধি” হাইকোর্ট যে আইন বাতিল করেছিল, সেই আইনেই আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত, আর প্রথম আলোর 2018 সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী রায়টি তখনো স্থগিত আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায় কমিশনের গঠনে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে কোনো আইনি বিশ্লেষণ পাওয়া যায়নি আঞ্চলিক পরিষদের গঠন ও ক্ষমতা নিয়ে বিস্তারিত আছে =”https://www.jumjournal.com/ancholik-parishad-gothon-khomota”>আঞ্চলিক পরিষদের লেখায়

ছকের দ্বিতীয় মামলাটি ভূমি কমিশন নিয়ে নয়, কিন্তু চূড়ান্ততার প্রশ্নে কাছাকাছি একটি দৃষ্টান্ত একজন মারমা জমির মালিকের উত্তরাধিকার নিয়ে খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক (পদাধিকারবলে দেওয়ানি বিচারক) হিন্দু দায়ভাগ আইন প্রয়োগ করে বণ্টনের রায় দিয়েছিলেন; অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারের আপিলে ও ভূমি আপিল বোর্ডে তা বহাল থাকে এরপর 102 অনুচ্ছেদের রিটে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আবদুর রবের বেঞ্চ রায় দেন, মারমা উত্তরাধিকারে দায়ভাগ আইন প্রয়োগ “without any lawful authority having no mandate of law”, এবং সার্কেল চীফ ও হেডম্যানের সঙ্গে পরামর্শ করে বিষয়টি নতুন করে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন =”https://bangladesh.justiceaudit.org/wp-content/uploads/2018/07/BLAST-Judgements.htm”>জাস্টিস অডিট বাংলাদেশের তালিকা অনুযায়ী রায়টি 19 BLC (HCD) (2014) 358-এ প্রকাশিত মামলায় একটি পক্ষের আইনজীবী ভূমি কমিশন আইনের 6(1)(খ) ধারার প্রথাগত আইনের কথাও যুক্তিতে উল্লেখ করেছিলেন, তবে আদালতের সিদ্ধান্ত ওই আইন নিয়ে নয় মামলাটি দেখায়, আপিলের সব ধাপ শেষ হওয়ার পরেও পাহাড়ের জমির সিদ্ধান্ত হাইকোর্ট বিভাগ রিটে পরীক্ষা করেছে — তবে সেখানে কোনো চূড়ান্ততা-ধারা ছিল না

পার্বত্য চট্টগ্রামের আইনি কাঠামো নিয়ে আরেকটি বড় মামলা — রাঙ্গামাটি ফুড প্রোডাক্টস — 1900 সালের শাসনবিধির বৈধতা নিয়ে; সেটি নিয়ে আমাদের আলাদা লেখা =”https://www.jumjournal.com/cht-regulation-1900-dead-law-judgment”>রাঙ্গামাটি ফুড প্রোডাক্টস মামলা: শাসনবিধি ১৯০০ মৃত আইন রায়, আর আপিল বিভাগে যেভাবে ফিরে এল ভূমি কমিশন আইনের 2(ছ) ধারায় “প্রচলিত আইন” বলতে বোঝায় “পার্বত্য চট্টগ্রামে এই আইন বলবত্ হইবার পূর্বে যে সমস্ত আইন, ঐতিহ্য, বিধি, প্রজ্ঞাপন প্রচলিত ছিল”; 1900 সালের শাসনবিধি সেই আইনগুলোর একটি শাসনবিধি থেকে কমিশন পর্যন্ত পুরো ইতিহাস আছে =”https://www.jumjournal.com/cht-land-regulation-1900-commission”>পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমি: ১৯০০ সালের রেগুলেশন থেকে ভূমি কমিশন লেখায়

ভূমি কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল না থাকা নিয়ে কে কী বলেছেন

প্রকাশিত প্রতিবেদনে আপিলের নিষেধ নিয়ে সরাসরি আপত্তি পাওয়া যায় পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের কাছ থেকে, যারা একে গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী বলেছে অন্যদিকে চুক্তির দুই পক্ষ নিষেধটি চুক্তিতেই লিখেছিল, আর 2011 সালের 13 দফা সংশোধনী-প্রস্তাবে ধারাটি ছিল না

আপত্তি

রাঙামাটি থেকে প্রকাশিত =”https://www.somoyerkonthosor.com/index.php/post/2025/10/15/68ef71e9e9a7c”>সময়ের কণ্ঠস্বর-এর 15 অক্টোবর 2025-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) কমিশনের বৈঠক ঠেকানোর ঘোষণা দিয়ে আট দফা দাবি তোলে তাদের যুক্তির একটি অংশ সরাসরি 16 ধারা নিয়ে: “কমিশনের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলের সুযোগ না থাকা গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থি বলেও উল্লেখ করা হয়” একই প্রতিবেদনে সংগঠনটির আরেক আপত্তি — কমিশনে বাঙালি জনগোষ্ঠীর কোনো প্রতিনিধি নেই, যা তাদের মতে “একপেশে ও সংবিধান পরিপন্থি”

এর আগে, 23 ডিসেম্বর 2019-এ পার্বত্য নাগরিক পরিষদ রাঙামাটিতে কমিশনের সভাস্থল ঘেরাও করে =”https://www.banglatribune.com/country/600211/”>বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী তাদের দাবি ছিল, “আইন সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত যাতে আর কোনও সভা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া না হয়”; বান্দরবানে তারা 2016 সালের সংশোধনী আইন আবার সংশোধনের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেয় ওই প্রতিবেদনে আপিলের প্রসঙ্গ আলাদা করে উল্লেখ নেই

কমিশন ও চুক্তির পক্ষ

একই দিনে কমিশনের তৎকালীন চেয়ারম্যান বিচারপতি আনোয়ারুল হক বলেছিলেন, “সংবিধান ও আইনের বাইরে ভূমি কমিশনে কোনও কাজ হবে না”, আর আইনটি সংশোধন করতে হলেও “সংসদে পাস করা লাগবে” (=”https://www.banglatribune.com/country/600211/”>বাংলা ট্রিবিউন) চুক্তির পক্ষগুলোর অবস্থান লিখিত আছে চুক্তির (ঘ)4 দফাতেই — “আপিল চলিবে না”; আর 13 দফা সংশোধনী-প্রস্তাবে 16 ধারা অন্তর্ভুক্ত ছিল না, যা জনসংহতি সমিতির =”https://www.pcjss.org/wp-content/uploads/sites/16/2020/10/CHT-Land-Dispute-Settlement-Commission-Act-2001.pdf”>প্রকাশিত ছকে দেখা যায়

দুই অবস্থান পাশাপাশি: পিসিসিপি বলছে উচ্চ আদালতে আপিলের সুযোগ না থাকা গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী; চুক্তি ও আইন বলছে কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত আপিলের নিষেধ সংবিধানসম্মত কি না, সে প্রশ্নে কোনো আদালতের রায় নেই

এ পর্যন্ত কয়টি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে

একটিও না কমিশনে বাইশ হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়েছে, কিন্তু কোনো আবেদন নিষ্পত্তি হয়নি — ফলে 16 ধারা এখনো একটি সিদ্ধান্তেও প্রয়োগ হয়নি প্রধান যে কারণটি বারবার উল্লেখ হয়েছে, তা হলো 18 ধারার বিধিমালা এখনো প্রণীত হয়নি

আবেদনের সংখ্যা নিয়ে উৎসগুলোর হিসাব সামান্য আলাদা: =”https://www.tbsnews.net/node/11415″>দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (সেপ্টেম্বর 2019) বলছে 22,090টি; =”https://www.prothomalo.com/bangladesh/2knmbsym19″>প্রথম আলো (সেপ্টেম্বর 2022) বলছে 22,468টি; =”https://www.thedailystar.net/opinion/views/news/cht-land-commission-work-and-the-power-struggles-contradictions-and-tensions-around-it-3091791″>ডেইলি স্টারে হানা শামস আহমেদের লেখা (আগস্ট 2022) বলছে “more than 22,000” প্রথম আলোর প্রতিবেদনের ভাষায়, “কারও আবেদনের নিষ্পত্তি হয়নি”

বিধিমালার প্রশ্নে =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26622.html”>18 ধারা এখন বলছে, সরকার “যথাশীঘ্র” গেজেট প্রজ্ঞাপন দিয়ে বিধি প্রণয়ন করবে মূল আইনে ছিল “এই আইন বলবৎ হইবার ছয় মাসের মধ্যে”; 2016 সালের সংশোধনী সময়সীমাটি তুলে দিয়েছে =”https://www.thedailystar.net/frontpage/news/land-disputes-cht-22000-complaints-gather-dust-1781815″>ডেইলি স্টারের আগস্ট 2019-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী জানুয়ারি 2017-এ ভূমি মন্ত্রণালয়ে একটি খসড়া পাঠানো হয়; প্রথম আলোর 2022 সালের প্রতিবেদনে একজন কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়, বিধিমালা তখনো মন্ত্রণালয়ে

এর পাশে =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26611.html”>7(1) ধারার ভাষাও রাখা দরকার: “এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে, কমিশন উহার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিবে” বিধি না থাকলে কমিশন নিজে কতটা কার্যপদ্ধতি ঠিক করতে পারে, সে বিষয়ে কমিশন বা সরকারের কোনো লিখিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি; প্রতিবেদনগুলো কেবল বলছে, বিধিমালা ছাড়া নিষ্পত্তি শুরু হয়নি

সাম্প্রতিক অবস্থা: 19 অক্টোবর 2025-এ রাঙামাটিতে কমিশনের যে সভা হওয়ার কথা ছিল, পিসিসিপির হরতাল ডাকার পর আগের রাতে কমিশনের সচিব, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন তা “অনিবার্য কারণে” স্থগিত করেন (=”https://www.prothomalo.com/bangladesh/dznl2dk9ls”>প্রথম আলো, =”https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/3f442f188b70″>বিডিনিউজ২৪) পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলন এই স্থগিতের সমালোচনা করে দ্রুত সভার দাবি জানায়

সিদ্ধান্তে ভুল হলে আইনের ভেতরে কী সুরক্ষা আছে

যেহেতু সিদ্ধান্তের পরে আপিল নেই, আইনের সুরক্ষাগুলো সব সিদ্ধান্তের আগে: আবেদন সংশোধন, তৃতীয় পক্ষের যুক্ত হওয়া, সরকারি নথি তলব, সরেজমিন পরিদর্শন, সব সদস্যকে নোটিশ, আর লিখিত সিদ্ধান্ত নিজের সিদ্ধান্ত কমিশন পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) করতে পারে কি না, সে কথা আইনের 20টি ধারার কোথাও নেই

style=”width:100%;border-collapse:collapse;margin:1em 0;font-size:0.95em”>

ধাপ আইনে যা আছে ধারা আবেদন সংশোধন নিষ্পত্তির আগে যেকোনো সময়, ন্যায়বিচারের স্বার্থে, কমিশনের অনুমতিতে একবার =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26613.html”>9(2) প্রতিপক্ষ জেলা প্রশাসক, অবৈধ বন্দোবস্ত গ্রহীতা ও বর্তমান দখলকারকে প্রতিপক্ষ করতে হয়; প্রত্যেককে আবেদনের কপিসহ নোটিশ =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26614.html”>10(1), 10(2) বাদ পড়া পক্ষ যার নাম নেই, তিনিও কারণ দেখিয়ে প্রতিপক্ষ হওয়ার আবেদন করতে পারেন =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26614.html”>10(3) নথি ও জরিপ যেকোনো সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থাকে তথ্য, কাগজপত্র বা স্থানীয় তদন্ত-জরিপের প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ; তারা মানতে বাধ্য =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26610.html”>6(3) সরেজমিন পরিদর্শন কমিশন, চেয়ারম্যান বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত সদস্য জমি নিজে দেখতে পারেন =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26610.html”>6(4) সাক্ষ্য সাক্ষ্য আইন মানতে বাধ্য নয়; বাংলা ছাড়া অন্য ভাষায় সাক্ষ্য দিলে অনুবাদক; শপথ আইন প্রযোজ্য =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26615.html”>11(1), 11(2), 11(5) মুলতবি বিষয় পরের বৈঠকে নিষ্পত্তি করা যায়, তবে বৈঠকের আগে সব সদস্যকে নোটিশ দিতে হবে (2016-এর সংযোজন) =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26611.html”>7(4) সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিতে; না হলে চেয়ারম্যানসহ উপস্থিত সংখ্যাগরিষ্ঠের মতে; কোরামে চেয়ারম্যান ও আরও তিনজন =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26611.html”>7(3), 7(5) লিখিত রূপ 6(1)-এর সব সিদ্ধান্ত লিখিতভাবে =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26611.html”>7(6)

ছকের সাক্ষ্য-সারির অনুবাদক-বিধানটি (11(2)) বাংলা ছাড়া অন্য যেকোনো ভাষায় দেওয়া সাক্ষ্যের জন্য; সেই সাক্ষ্য অনুবাদকের অনুবাদ অনুসারে বাংলায় লিপিবদ্ধ হয় কমিশনের সদস্যদের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সার্কেল চীফ বা তাঁর প্রতিনিধিও আছেন; সার্কেল চীফের ভূমিকা নিয়ে আমাদের লেখা =”https://www.jumjournal.com/circle-chief-khomota-teenti-circle”>সার্কেল চিফ: তিনটি সার্কেল, আর রাজার ক্ষমতা আসলে কতটুকু

19 ধারায় কমিশনের অবমাননা আদালত অবমাননার শামিল, ফলে কমিশন তার অবমাননাকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে; বিপরীতে, সিদ্ধান্তে আপত্তি জানানোর পথ 16 ধারা বন্ধ রেখেছে

প্রশ্নোত্তর

ভূমি কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়?

না পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি-বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন, 2001-এর 16 ধারা অনুযায়ী 6(1)-এর কোনো বিষয়ে আবেদনের ওপর কমিশনের সিদ্ধান্ত দেওয়ানি আদালতের ডিক্রি বলে গণ্য হয়, এবং তার বিরুদ্ধে কোনো আদালত বা অন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল বা রিভিশন করা যায় না সিদ্ধান্তের বৈধতা বা যথার্থতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা যায় না

ভূমি কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিশন চলে?

না 16 ধারা আপিলের সঙ্গে রিভিশনও স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করেছে সাধারণ দেওয়ানি মামলায় দেওয়ানি কার্যবিধির 115 ধারায় আপিল-অযোগ্য ডিক্রিতেও আইনের ভুলের কারণে অবিচার হলে হাইকোর্ট বা জেলা জজের কাছে রিভিশন করা যায়; ভূমি কমিশনের 6(1)-এর সিদ্ধান্তে সেই পথ আইনে রাখা হয়নি

১৬ ধারায় ঠিক কী লেখা আছে?

16 ধারার পাঠ: “ধারা ৬(১)-এ বর্ণিত কোন বিষয়ে দাখিলকৃত আবেদনের উপর কমিশন প্রদত্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ানী আদালতের ডিক্রী বলিয়া গণ্য হইবে, তবে উক্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোন আদালত বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষের নিকট আপীল বা রিভিশন দায়ের বা উহার বৈধতা বা যথার্থতা সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না” ধারাটির শিরোনাম “কমিশনের সিদ্ধান্তের আইনগত প্রকৃতি এবং চূড়ান্ততা”

কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করা যাবে?

16 ধারায় সংবিধানের 102 অনুচ্ছেদের রিটের কথা নেই, আর সংবিধানের 7(2) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো আইন সংবিধানের সঙ্গে অসমঞ্জস হলে ততখানি বাতিল একটি আইন-সংকলনের রায়-সারাংশ অনুযায়ী, অন্য প্রসঙ্গে হাইকোর্ট বিভাগ বলেছে, চূড়ান্ততা-ধারা থাকলেও এখতিয়ারবিহীন কার্যধারা পরীক্ষা করা যায় তবে ভূমি কমিশনের কোনো সিদ্ধান্তে রিট হয়েছে বা আদালত 16 ধারার সীমা ব্যাখ্যা করেছে, এমন কোনো রায় পাওয়া যায়নি

আপিল না থাকার বিধান কি শান্তিচুক্তিতে ছিল?

হ্যাঁ 1997 সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির (ঘ) খণ্ডের 4 নম্বর দফায় লেখা: “এই কমিশনের রায়ের বিরুদ্ধে কোন আপিল চলিবে না এবং এই কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া বিবেচিত হইবে” আইনের 16 ধারা এর সঙ্গে রিভিশন, “অন্য কোন কর্তৃপক্ষ” এবং বৈধতা বা যথার্থতা নিয়ে প্রশ্নের নিষেধ যোগ করেছে

২০১৬ সালের সংশোধনীতে কি আপিলের সুযোগ যোগ হয়েছে?

না পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি-বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন (সংশোধন) আইন, 2016 (2016 সনের 45 নং আইন) প্রস্তাবনা এবং 3, 4, 6, 7, 9, 13 ও 18 ধারা বদলেছে; 16 ধারা অপরিবর্তিত তবে 7(5) ধারায় সর্বসম্মতি না হলে এখন চেয়ারম্যানের একার নয়, চেয়ারম্যানসহ উপস্থিত সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্তই কমিশনের সিদ্ধান্ত

কমিশনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে কে?

17 ধারা অনুযায়ী, অন্য কোনো আইনে যা-ই থাকুক, কমিশন তার সিদ্ধান্ত দেওয়ানি আদালতের ডিক্রি বা আদেশের মতো নিজের কর্মকর্তা-কর্মচারীর মাধ্যমে, বা প্রয়োজনে সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে পারে 17(2) অনুযায়ী সব কর্তৃপক্ষ কমিশনের নির্দেশ মানতে বাধ্য, আর 19 ধারায় কমিশনের অবমাননা আদালত অবমাননার শামিল

১৬ ধারা কি কমিশনের সব আদেশে প্রযোজ্য?

ধারার শব্দ অনুযায়ী কেবল “ধারা ৬(১)-এ বর্ণিত কোন বিষয়ে দাখিলকৃত আবেদনের উপর” দেওয়া সিদ্ধান্তে 6(1)-এর বিষয় তিনটি: শরণার্থী ও অবৈধ বন্দোবস্ত-বেদখলের বিরোধ, স্বত্ব নির্ধারণ ও দখল পুনর্বহাল, এবং প্রথাবহির্ভূত বন্দোবস্ত বাতিল নথি তলব বা পক্ষভুক্তির মতো আদেশ এর আওতায় পড়ে কি না, আইনে বা কোনো রায়ে বলা নেই

ভূমি কমিশন এ পর্যন্ত কয়টি বিরোধ নিষ্পত্তি করেছে?

একটিও না দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের 2019 সালের হিসাবে আবেদন 22,090টি, প্রথম আলোর 2022 সালের হিসাবে 22,468টি; প্রথম আলোর ভাষায় “কারও আবেদনের নিষ্পত্তি হয়নি” প্রধান কারণ হিসেবে 18 ধারার বিধিমালা প্রণীত না হওয়ার কথা বলা হয়েছে, তাই 16 ধারা এখনো কোনো সিদ্ধান্তে প্রয়োগ হয়নি

অন্য ভূমি ট্রাইব্যুনালে আপিল আছে, ভূমি কমিশনে নেই কেন?

আইনের প্রস্তাবনা বা সংসদীয় নথিতে এর ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি; উৎস হলো শান্তিচুক্তির (ঘ)4 দফা তুলনায়, রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের 145B ধারায় ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়ে 3 মাসের মধ্যে আপিল চলে, আর অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইনের 18 ধারায় 45 দিনের মধ্যে আপিল ট্রাইব্যুনালে যাওয়া যায়

আপিল না থাকা নিয়ে কারা আপত্তি করেছে?

সময়ের কণ্ঠস্বরের 15 অক্টোবর 2025-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) বলেছে, কমিশনের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলের সুযোগ না থাকা গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী 2019 সালে পার্বত্য নাগরিক পরিষদ আইন সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত কমিশনের সভা বন্ধের দাবিতে রাঙামাটিতে সভাস্থল ঘেরাও করেছিল

কমিশন কি নিজের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে পারে?

আইনের 20টি ধারার কোথাও পুনর্বিবেচনা বা রিভিউয়ের কথা নেই, আর 18 ধারার বিধিমালা এখনো প্রণীত হয়নি আইনের সুরক্ষাগুলো সিদ্ধান্তের আগে: 9(2) ধারায় আবেদন একবার সংশোধন, 10(3) ধারায় বাদ পড়া ব্যক্তির পক্ষভুক্তি, 6(3) ধারায় সরকারি নথি তলব, 6(4) ধারায় সরেজমিন পরিদর্শন, আর 7(6) ধারায় লিখিত সিদ্ধান্ত

{“@context”: “https://schema.org”, “@type”: “FAQPage”, “mainEntity”: [{“@type”: “Question”, “name”: “ভূমি কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়?”, “acceptedAnswer”: {“@type”: “Answer”, “text”: “না পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি-বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন, 2001-এর 16 ধারা অনুযায়ী 6(1)-এর কোনো বিষয়ে আবেদনের ওপর কমিশনের সিদ্ধান্ত দেওয়ানি আদালতের ডিক্রি বলে গণ্য হয়, এবং তার বিরুদ্ধে কোনো আদালত বা অন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল বা রিভিশন করা যায় না সিদ্ধান্তের বৈধতা বা যথার্থতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা যায় না”}}, {“@type”: “Question”, “name”: “ভূমি কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিশন চলে?”, “acceptedAnswer”: {“@type”: “Answer”, “text”: “না 16 ধারা আপিলের সঙ্গে রিভিশনও স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করেছে সাধারণ দেওয়ানি মামলায় দেওয়ানি কার্যবিধির 115 ধারায় আপিল-অযোগ্য ডিক্রিতেও আইনের ভুলের কারণে অবিচার হলে হাইকোর্ট বা জেলা জজের কাছে রিভিশন করা যায়; ভূমি কমিশনের 6(1)-এর সিদ্ধান্তে সেই পথ আইনে রাখা হয়নি”}}, {“@type”: “Question”, “name”: “১৬ ধারায় ঠিক কী লেখা আছে?”, “acceptedAnswer”: {“@type”: “Answer”, “text”: “16 ধারার পাঠ: \”ধারা ৬(১)-এ বর্ণিত কোন বিষয়ে দাখিলকৃত আবেদনের উপর কমিশন প্রদত্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ানী আদালতের ডিক্রী বলিয়া গণ্য হইবে, তবে উক্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোন আদালত বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষের নিকট আপীল বা রিভিশন দায়ের বা উহার বৈধতা বা যথার্থতা সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না\” ধারাটির শিরোনাম \”কমিশনের সিদ্ধান্তের আইনগত প্রকৃতি এবং চূড়ান্ততা\””}}, {“@type”: “Question”, “name”: “কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করা যাবে?”, “acceptedAnswer”: {“@type”: “Answer”, “text”: “16 ধারায় সংবিধানের 102 অনুচ্ছেদের রিটের কথা নেই, আর সংবিধানের 7(2) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো আইন সংবিধানের সঙ্গে অসমঞ্জস হলে ততখানি বাতিল একটি আইন-সংকলনের রায়-সারাংশ অনুযায়ী, অন্য প্রসঙ্গে হাইকোর্ট বিভাগ বলেছে, চূড়ান্ততা-ধারা থাকলেও এখতিয়ারবিহীন কার্যধারা পরীক্ষা করা যায় তবে ভূমি কমিশনের কোনো সিদ্ধান্তে রিট হয়েছে বা আদালত 16 ধারার সীমা ব্যাখ্যা করেছে, এমন কোনো রায় পাওয়া যায়নি”}}, {“@type”: “Question”, “name”: “আপিল না থাকার বিধান কি শান্তিচুক্তিতে ছিল?”, “acceptedAnswer”: {“@type”: “Answer”, “text”: “হ্যাঁ 1997 সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির (ঘ) খণ্ডের 4 নম্বর দফায় লেখা: \”এই কমিশনের রায়ের বিরুদ্ধে কোন আপিল চলিবে না এবং এই কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া বিবেচিত হইবে\” আইনের 16 ধারা এর সঙ্গে রিভিশন, \”অন্য কোন কর্তৃপক্ষ\” এবং বৈধতা বা যথার্থতা নিয়ে প্রশ্নের নিষেধ যোগ করেছে”}}, {“@type”: “Question”, “name”: “২০১৬ সালের সংশোধনীতে কি আপিলের সুযোগ যোগ হয়েছে?”, “acceptedAnswer”: {“@type”: “Answer”, “text”: “না পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি-বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন (সংশোধন) আইন, 2016 (2016 সনের 45 নং আইন) প্রস্তাবনা এবং 3, 4, 6, 7, 9, 13 ও 18 ধারা বদলেছে; 16 ধারা অপরিবর্তিত তবে 7(5) ধারায় সর্বসম্মতি না হলে এখন চেয়ারম্যানের একার নয়, চেয়ারম্যানসহ উপস্থিত সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্তই কমিশনের সিদ্ধান্ত”}}, {“@type”: “Question”, “name”: “কমিশনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে কে?”, “acceptedAnswer”: {“@type”: “Answer”, “text”: “17 ধারা অনুযায়ী, অন্য কোনো আইনে যা-ই থাকুক, কমিশন তার সিদ্ধান্ত দেওয়ানি আদালতের ডিক্রি বা আদেশের মতো নিজের কর্মকর্তা-কর্মচারীর মাধ্যমে, বা প্রয়োজনে সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে পারে 17(2) অনুযায়ী সব কর্তৃপক্ষ কমিশনের নির্দেশ মানতে বাধ্য, আর 19 ধারায় কমিশনের অবমাননা আদালত অবমাননার শামিল”}}, {“@type”: “Question”, “name”: “১৬ ধারা কি কমিশনের সব আদেশে প্রযোজ্য?”, “acceptedAnswer”: {“@type”: “Answer”, “text”: “ধারার শব্দ অনুযায়ী কেবল \”ধারা ৬(১)-এ বর্ণিত কোন বিষয়ে দাখিলকৃত আবেদনের উপর\” দেওয়া সিদ্ধান্তে 6(1)-এর বিষয় তিনটি: শরণার্থী ও অবৈধ বন্দোবস্ত-বেদখলের বিরোধ, স্বত্ব নির্ধারণ ও দখল পুনর্বহাল, এবং প্রথাবহির্ভূত বন্দোবস্ত বাতিল নথি তলব বা পক্ষভুক্তির মতো আদেশ এর আওতায় পড়ে কি না, আইনে বা কোনো রায়ে বলা নেই”}}, {“@type”: “Question”, “name”: “ভূমি কমিশন এ পর্যন্ত কয়টি বিরোধ নিষ্পত্তি করেছে?”, “acceptedAnswer”: {“@type”: “Answer”, “text”: “একটিও না দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের 2019 সালের হিসাবে আবেদন 22,090টি, প্রথম আলোর 2022 সালের হিসাবে 22,468টি; প্রথম আলোর ভাষায় \”কারও আবেদনের নিষ্পত্তি হয়নি\” প্রধান কারণ হিসেবে 18 ধারার বিধিমালা প্রণীত না হওয়ার কথা বলা হয়েছে, তাই 16 ধারা এখনো কোনো সিদ্ধান্তে প্রয়োগ হয়নি”}}, {“@type”: “Question”, “name”: “অন্য ভূমি ট্রাইব্যুনালে আপিল আছে, ভূমি কমিশনে নেই কেন?”, “acceptedAnswer”: {“@type”: “Answer”, “text”: “আইনের প্রস্তাবনা বা সংসদীয় নথিতে এর ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি; উৎস হলো শান্তিচুক্তির (ঘ)4 দফা তুলনায়, রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের 145B ধারায় ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়ে 3 মাসের মধ্যে আপিল চলে, আর অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইনের 18 ধারায় 45 দিনের মধ্যে আপিল ট্রাইব্যুনালে যাওয়া যায়”}}, {“@type”: “Question”, “name”: “আপিল না থাকা নিয়ে কারা আপত্তি করেছে?”, “acceptedAnswer”: {“@type”: “Answer”, “text”: “সময়ের কণ্ঠস্বরের 15 অক্টোবর 2025-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) বলেছে, কমিশনের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলের সুযোগ না থাকা গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী 2019 সালে পার্বত্য নাগরিক পরিষদ আইন সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত কমিশনের সভা বন্ধের দাবিতে রাঙামাটিতে সভাস্থল ঘেরাও করেছিল”}}, {“@type”: “Question”, “name”: “কমিশন কি নিজের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে পারে?”, “acceptedAnswer”: {“@type”: “Answer”, “text”: “আইনের 20টি ধারার কোথাও পুনর্বিবেচনা বা রিভিউয়ের কথা নেই, আর 18 ধারার বিধিমালা এখনো প্রণীত হয়নি আইনের সুরক্ষাগুলো সিদ্ধান্তের আগে: 9(2) ধারায় আবেদন একবার সংশোধন, 10(3) ধারায় বাদ পড়া ব্যক্তির পক্ষভুক্তি, 6(3) ধারায় সরকারি নথি তলব, 6(4) ধারায় সরেজমিন পরিদর্শন, আর 7(6) ধারায় লিখিত সিদ্ধান্ত”}}]}
যা এখনো জানা যায়নি

  • 16 ধারার সাংবিধানিক সীমা ভূমি কমিশনের কোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিট, বা 16 ধারার বৈধতা নিয়ে কোনো মামলা বা রায় পাওয়া যায়নি কমিশন সংবিধানের 102(5) অনুচ্ছেদের “ব্যক্তি” সংজ্ঞায় কোন অংশে পড়ে, সে প্রশ্নও আদালতে ওঠেনি
  • উদ্ধৃত রায়গুলোর পূর্ণ পাঠ Mohammad Nazmul Hossain (16 BLD (HCD) 287) ও Muhammad Ullah (16 BLD (HCD) 18) মামলার বক্তব্য এখানে একটি আইন-সংকলনের সারাংশ থেকে নেওয়া; পূর্ণ রায় যাচাই করা যায়নি
  • কেন রিভিশন ও “বৈধতা” যোগ হলো চুক্তির (ঘ)4 দফা কেবল আপিল নিষেধ করেছিল; আইনে রিভিশন, “অন্য কোন কর্তৃপক্ষ” ও বৈধতা-যথার্থতার প্রশ্ন কেন যোগ হলো, তার কোনো সংসদীয় ব্যাখ্যা বা বিলের উদ্দেশ্য-বিবৃতি পাওয়া যায়নি
  • 2011 সালের জরিপ-বিষয়ক রিটের পরিণতি ফেব্রুয়ারি 2011-এর রিটের নম্বর বা নিষ্পত্তির খবর পাওয়া যায়নি
  • আঞ্চলিক পরিষদ মামলার বর্তমান অবস্থা 2010 সালের হাইকোর্ট রায়ের বিরুদ্ধে আপিল 2018 সালে আপিল বিভাগে বিচারাধীন ছিল; তার পরের অগ্রগতির কোনো প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি
  • বিধিমালার খসড়া 18 ধারার বিধিমালার কোনো খসড়া প্রকাশিত হয়নি; তাতে পুনর্বিবেচনা বা ভুল সংশোধনের কোনো ব্যবস্থা প্রস্তাব করা হয়েছে কি না, জানা যায়নি
  • আবেদনের হালনাগাদ সংখ্যা 2022 সালের পর কমিশনে জমা আবেদনের কোনো সরকারি হিসাব পাওয়া যায়নি

তথ্যসূত্র

  1. আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, “পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি-বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন, 2001 (2001 সনের 53 নং আইন), 2016 সালের সংশোধনীসহ হালনাগাদ পাঠ”, bdlaws.minlaw.gov.bd =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877.html”>http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877.html
  2. ঐ, “ধারা 16 — কমিশনের সিদ্ধান্তের আইনগত প্রকৃতি এবং চূড়ান্ততা”, bdlaws.minlaw.gov.bd =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26620.html”>http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26620.html
  3. ঐ, “ধারা 17 — কমিশনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন”, bdlaws.minlaw.gov.bd =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26621.html”>http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26621.html
  4. ঐ, “ধারা 6 ও 7 — কার্যাবলী ও কার্যপদ্ধতি”, bdlaws.minlaw.gov.bd =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26610.html”>http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-877/section-26610.html
  5. ঐ, “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান, অনুচ্ছেদ 102”, bdlaws.minlaw.gov.bd =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-957/section-30463.html”>http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-957/section-30463.html
  6. ঐ, “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান, অনুচ্ছেদ 7”, bdlaws.minlaw.gov.bd =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-957/section-29346.html”>http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-957/section-29346.html
  7. ঐ, “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান, অনুচ্ছেদ 31 ও 44”, bdlaws.minlaw.gov.bd =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-957/section-30010.html”>http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-957/section-30010.html
  8. ঐ, “The Code of Civil Procedure, 1908 — sections 2, 96, 115”, bdlaws.minlaw.gov.bd =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-86/section-15356.html”>http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-86/section-15356.html
  9. ঐ, “The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 — sections 145A, 145B”, bdlaws.minlaw.gov.bd =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-241/section-7268.html”>http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-241/section-7268.html
  10. ঐ, “অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন, 2001 — ধারা 18, 22”, bdlaws.minlaw.gov.bd =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-856/section-29641.html”>http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-856/section-29641.html
  11. ঐ, “সালিস আইন, 2001 — ধারা 39, 42”, bdlaws.minlaw.gov.bd =”http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-850/section-32740.html”>http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-850/section-32740.html
  12. Parbatya Chattagram Jana Samhati Samiti, “Simple English Version of CHT Land Dispute Settlement Commission Act 2001, with the 13-point amendment table”, pcjss.org, 2020 =”https://www.pcjss.org/wp-content/uploads/sites/16/2020/10/CHT-Land-Dispute-Settlement-Commission-Act-2001.pdf”>https://www.pcjss.org/wp-content/uploads/sites/16/2020/10/CHT-Land-Dispute-Settlement-Commission-Act-2001.pdf
  13. Kroc Institute, University of Notre Dame, “Economic and Social Development: Chittagong Hill Tracts Peace Accord (CHT)”, Peace Accords Matrix =”https://peaceaccords.nd.edu/provision/economic-and-social-development-chittagong-hill-tracts-peace-accord-cht”>https://peaceaccords.nd.edu/provision/economic-and-social-development-chittagong-hill-tracts-peace-accord-cht
  14. The Lawyers & Jurists, “Constitution of Bangladesh, 1972 [Article 102] — case digest”, lawyersnjurists.com =”https://www.lawyersnjurists.com/article/constitution-of-bangladesh-1972-article-102/”>https://www.lawyersnjurists.com/article/constitution-of-bangladesh-1972-article-102/
  15. Supreme Court of Bangladesh, “Mahbub Ali vs Judge, Artha Rin Adalat & ors, 6 SCOB [2016] HCD 102”, Supreme Court Online Bulletin =”https://www.supremecourt.gov.bd/resources/bulletin/6_SCOB_HCD_10.pdf”>https://www.supremecourt.gov.bd/resources/bulletin/6_SCOB_HCD_10.pdf
  16. Wikipedia, “Ouster clause”, en.wikipedia.org =”https://en.wikipedia.org/wiki/Ouster_clause”>https://en.wikipedia.org/wiki/Ouster_clause
  17. প্রণব বল, “২৩ বছরে কিছুই করতে পারেনি পার্বত্য ভূমি কমিশন”, প্রথম আলো, 8 সেপ্টেম্বর 2022 =”https://www.prothomalo.com/bangladesh/2knmbsym19″>https://www.prothomalo.com/bangladesh/2knmbsym19
  18. TBS Report, “CHT land commission yet to get rules of business”, The Business Standard, 12 September 2019 =”https://www.tbsnews.net/node/11415″>https://www.tbsnews.net/node/11415
  19. Jamil Mahmud, “Land Disputes in CHT: 22,000 complaints gather dust”, The Daily Star, 5 August 2019 =”https://www.thedailystar.net/frontpage/news/land-disputes-cht-22000-complaints-gather-dust-1781815″>https://www.thedailystar.net/frontpage/news/land-disputes-cht-22000-complaints-gather-dust-1781815
  20. Hana Shams Ahmed, “CHT Land Commission work, and the power struggles, contradictions, and tensions around it”, The Daily Star, 10 August 2022 =”https://www.thedailystar.net/opinion/views/news/cht-land-commission-work-and-the-power-struggles-contradictions-and-tensions-around-it-3091791″>https://www.thedailystar.net/opinion/views/news/cht-land-commission-work-and-the-power-struggles-contradictions-and-tensions-around-it-3091791
  21. রাঙামাটি ও বান্দরবান প্রতিনিধি, “সংবিধান ও আইনের বাইরে ভূমি কমিশনের কোনও কাজ হবে না: চেয়ারম্যান”, বাংলা ট্রিবিউন, 23 ডিসেম্বর 2019 =”https://www.banglatribune.com/country/600211/”>https://www.banglatribune.com/country/600211/
  22. মো. কাওসার, “রাঙামাটিতে ভূমি কমিশনের বৈঠক নিয়ে পার্বত্য এলাকায় নতুন উত্তেজনা”, সময়ের কণ্ঠস্বর, 15 অক্টোবর 2025 =”https://www.somoyerkonthosor.com/index.php/post/2025/10/15/68ef71e9e9a7c”>https://www.somoyerkonthosor.com/index.php/post/2025/10/15/68ef71e9e9a7c
  23. নিজস্ব প্রতিবেদক, “ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের সভা স্থগিত: পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনের উদ্বেগ”, প্রথম আলো, 17 অক্টোবর 2025 =”https://www.prothomalo.com/bangladesh/dznl2dk9ls”>https://www.prothomalo.com/bangladesh/dznl2dk9ls
  24. নিজস্ব প্রতিবেদক, “‘হুমকিতে’ পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের সভা স্থগিতে উদ্বেগ”, বিডিনিউজ২৪, 17 অক্টোবর 2025 =”https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/3f442f188b70″>https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/3f442f188b70
  25. পার্থ শঙ্কর সাহা, “আজও আদালতে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি”, প্রথম আলো, 2 ডিসেম্বর 2018 =”https://www.prothomalo.com/bangladesh/আজও-আদালতে-পার্বত্য-চট্টগ্রাম-চুক্তি”>https://www.prothomalo.com/bangladesh/আজও-আদালতে-পার্বত্য-চট্টগ্রাম-চুক্তি
  26. Supreme Court of Bangladesh, High Court Division, “Aberchai Mog and others vs Joint District Judge, Khagrachari and others, Writ Petition No. 3285 of 2009 with 2829 of 2006, judgment 07.10.2012”, BLAST =”https://www.blast.org.bd/content/judgement/Wt-3285-2009.pdf”>https://www.blast.org.bd/content/judgement/Wt-3285-2009.pdf
  27. Justice Audit Bangladesh, “BLAST Judgments (reporting citation 19 BLC (HCD) (2014) 358)”, justiceaudit.org =”https://bangladesh.justiceaudit.org/wp-content/uploads/2018/07/BLAST-Judgements.htm”>https://bangladesh.justiceaudit.org/wp-content/uploads/2018/07/BLAST-Judgements.htm
  28. Indigenous Peoples Issues & Resources, “Bangladesh: Writ Petition On Land Survey In CHT Filed With The High Court”, did.isuma.tv =”https://did.isuma.tv/indigenous-peoples-issues-and-resources/bangladesh-writ-petition-on-land-survey-in-cht-filed-with”>https://did.isuma.tv/indigenous-peoples-issues-and-resources/bangladesh-writ-petition-on-land-survey-in-cht-filed-with
  29. জুমজার্নাল, “ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনে আবেদন করবেন কীভাবে (চুক্তির (ঘ)4 দফার বাংলা পাঠ এখান থেকে)”, jumjournal.com =”https://www.jumjournal.com/bhumi-commission-abedon-poddhoti”>https://www.jumjournal.com/bhumi-commission-abedon-poddhoti

সর্বশেষ হালনাগাদ: 19 অক্টোবর 2026

প্রসঙ্গ:পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি সমস্যা, পার্বত্য চুক্তি, ভূমি অধিকার, ভূমি কমিশন আইন, ভূমি বিরোধ

জুমজার্নালে প্রকাশিত লেখাসমূহে তথ্যমূলক ভুল-ভ্রান্তি থেকে যেতে পারে অথবা যেকোন লেখার সাথে আপনার ভিন্নমত থাকতে পারে। আপনার মতামত এবং সঠিক তথ্য দিয়ে আপনিও লিখুন অথবা লেখা পাঠান। লেখা পাঠাতে কিংবা যেকোন ধরনের প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন - jumjournal@gmail.com এই ঠিকানায়।

আরও কিছু লেখা