Last updated Oct 24th, 2026
2

চাকমা ঘরে এমন একটি কাপড় থাকে যা কেউ পরে না। লম্বা, সাদা জমিন, তার উপর সারির পর সারি নকশা — বেগুনের বিচি, সাপের বাঁক, কাঁকড়া, হাতি, মাঝখানে একটি গাছ। এই কাপড়ের নাম আলাম। চাকমা আলাম নকশা হলো পিনন, খাদি ও অন্য কাপড়ে নকশা তোলার জন্য বোনা নমুনা-কাপড়: তাঁতি এটি দেখে দেখে বেইনে নকশা তোলেন, আর এটি মা থেকে মেয়ের হাতে যায়।
পিনন-হাদি ও কোমর তাঁত নিয়ে আমাদের মূল লেখা পিনন হাদি ও বেইন: পাহাড়ি কোমর-তাঁতের পূর্ণ পাঠ-এ আলামের পরিচয় কয়েক অনুচ্ছেদে আছে, আর বেইনের প্রতিটি অংশ কীভাবে কাজ করে তা আছে কোমর তাঁত পিনন বুনন নিয়ে আলাদা লেখায়। এই লেখার কাজ অন্য: আলাম কাপড়টিকেই কেন্দ্রে রাখা — এর গঠন, এতে কতগুলো নকশা থাকে, নকশাগুলোর কী কী নাম বিভিন্ন উৎসে লিপিবদ্ধ আছে, কারা কোন আলাম বুনেছিলেন, আর আজ আলামের নকশা কোথায় যাচ্ছে।
সূচিপত্র
আলাম চাকমা নারীদের বোনা একটি নমুনা-কাপড়, যাতে ঐতিহ্যবাহী নকশাগুলো সারি ধরে তুলে রাখা হয়। এটি পরা হয় না। পিনন, খাদি বা অন্য কাপড় বোনার সময় তাঁতি আলাম দেখে নকশা তোলেন। উৎসভেদে একে বলা হয়েছে “ডিজাইন ক্লথ”, “টেমপ্লেট”, “বোনা ক্যাটালগ” আর নকশার “চার্ট”।
জুমজার্নালের আর্কাইভে থাকা “চাকমা জাতি” লেখায় চাকমা নারীদের পোশাকের তালিকায় পিনোন, খাদি, কাগই ও খবংয়ের পাশে পঞ্চম নামটি আলাম, আর সেখানেই স্পষ্ট করা হয়েছে যে এটি “প্রকৃতপক্ষে পরার কোনো পোশাক নয়”, বরং নানা রঙের নানা নকশার ফুলে বোনা একটি কাপড়, যাকে “ডিজাইন ক্লথ” বলা যায়। তনয় দেওয়ানের “চাংমাটারা” লেখায় সুতা বাদে বুননের যেসব উপকরণ লাগে — যাদের একসঙ্গে বলা হয় সজপদর — তার 23টি নামের তালিকায় শেষ নামটি আলাম। অর্থাৎ সেখানে এটি গোনা হয়েছে তাঁতের সরঞ্জাম হিসেবে, পোশাক হিসেবে নয়।
বাংলাপিডিয়ার “Art and Crafts” ভুক্তিতে (লেখক পারভীন আহমেদ) বলা হয়েছে, প্রায় আট বছর বয়সে একটি চাকমা মেয়েকে নকশা শিখতে উৎসাহ দেওয়া হয়, আর মা তাকে নকশাগুলো দেখান উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া একটি বোনা ক্যাটালগ থেকে, যার নাম “aalum” (Banglapedia)। বাংলা উইকিপিডিয়ার “আলাম” পাতা একে বলেছে কাপড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন ফুলের নকশাসম্পন্ন “একখণ্ড বা টেমপ্লেট”, যাতে নকশার সঙ্গে রঙের বিন্যাসও থাকে।
রাঙামাটির ফ্যাশন উদ্যোক্তা সৌম্য চাকমা আজকের পত্রিকাকে বলেছেন, চাকমা পোশাকের নকশার একটি চার্ট আছে, যার নাম আলাম, আর বিয়ের পিনন-হাদির নকশা তিনি সেখান থেকেই তুলে আনেন (আজকের পত্রিকা, 29 নভেম্বর 2022)। শিল্পী ও গবেষক আর্শি দেওয়ান 2002 সালের স্নাতকোত্তর অভিসন্দর্ভে কারণটা বলেছেন সোজাভাবে: নকশাগুলো সাধারণত তাঁতির মাথায় থাকে, কিন্তু সংখ্যায় কখনো কখনো একশোর বেশি, তাই সেগুলো আলাম নামের বিশেষ কাপড়ে লিখে রাখা হয় (Dewan 2002)।
নামের বানান উৎসভেদে বদলায়: বাংলায় “আলাম”, ইংরেজি লেখায় Alam, Aalam ও বাংলাপিডিয়ায় aalum। আর্কাইভের একটি লেখায় (নিচে লোকসাহিত্যের অংশে) চাকমা বাক্যের ভেতরে রূপটি “আলামত্তুন”, অর্থাৎ “আলাম থেকে”।
বেশির ভাগ উৎস বলছে আলাম কোমর তাঁতে বোনা কাপড়: সাদা জমিনে রঙিন সুতায় নকশার সারি। একটি বাংলা ওয়েবসাইটের বিবরণে আলাম মোটা কাপড়ে মোটা সুতায় বোনা, আর এর দৈর্ঘ্য প্রস্থের চেয়ে বেশি। তবে বাংলা ও ইংরেজি উইকিপিডিয়া এবং একটি গবেষণাপত্র নকশাগুলোকে “সেলাই” বা “embroidered” বলেছে।
রঙের সবচেয়ে নির্দিষ্ট বিবরণটি আছে আর্কাইভে প্রকাশিত কবিতা চাকমার “পাদি সাহবাং: চাকমা ঐতিহ্যের জীবন বৃক্ষ” প্রবন্ধে: আলাম হলো “সাদার উপর লাল, সবুজ, নীল, কাল রঙের সুতোয় বোনা বেন”, যাতে চাকমা ঐতিহ্যের বহু নকশা তুলে রাখা হয়। প্রবন্ধটি একে বলেছে চাকমা বেন-শিল্পের “এনসাইক্লোপেডিয়া”। এখানে “বেন” মানে কোমর তাঁত ও তাতে বোনা কাপড় — অর্থাৎ লেখক আলামকে বোনা কাপড় হিসেবেই বর্ণনা করেছেন।
অনুশীলন ওয়েবসাইটের “আলাম” পাতা (ছবি জ্যোতি চাকমার সৌজন্যে) জানায়, আলাম অপেক্ষাকৃত মোটা কাপড়ে মোটা সুতায় বোনা হয়, আকার বিভিন্ন রকম হলেও দৈর্ঘ্য প্রস্থের চেয়ে বড়, আর এতে যথাসম্ভব বেশি নকশা রাখা হয় (অনুশীলন)। কবিতা চাকমা লিখেছেন, প্রতিটি নকশা কাপড়ের প্রস্থজুড়ে বুনে পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে আলামে তোলা হয়। নিচের ছবির আলামেও সেই গড়ন: লম্বা কাপড়, এক প্রান্তে সুতার ঝালর, আর প্রস্থজুড়ে একটির পর একটি নকশার সারি।
এবার অমিলটি। বাংলা উইকিপিডিয়ার চাকমা পাতায় লেখা, নকশা প্রথমে আলাম নামের এক টুকরা কাপড়ের উপর “সেলাই” করা হয়; ইংরেজি উইকিপিডিয়ার Chakma people পাতায় একই কথা “embroidered” শব্দে। Arpan ও সহগবেষকদের 2020 সালের গবেষণাপত্রও আলামকে বলেছে নানা নকশায় “embroidered” কাপড় (Arpan ও অন্যান্য 2020)। অন্যদিকে আর্কাইভের দুটি লেখা, বাংলাপিডিয়া, Mahbub ও সহগবেষকদের 2021 সালের প্রবন্ধ এবং The Daily Star-এর 2025 সালের প্রতিবেদন — সবগুলোতে আলাম “বোনা” (woven)। দুই রকম বর্ণনাই উৎসে আছে; চাকমা তাঁতিদের নিজেদের কোনো বিবরণে আলামকে সেলাইয়ের কাজ বলা হয়েছে, এমন কিছু পাওয়া যায়নি।
একটি আলামে সাধারণত একশোর কাছাকাছি নকশা থাকে। রাঙামাটির রাঙাপানিতে 2022 সালের জরিপ বলছে প্রতিটি আলামে 96 থেকে 115টি নকশা সংরক্ষিত। নামসহ পরিচিত কয়েকটি আলামের নকশা-সংখ্যা 80-এর বেশি থেকে 115 পর্যন্ত। আর চাকমা বস্ত্রে মোট নকশার সংখ্যা এক উৎসে 210।
নিচের ছকে সংখ্যাগুলো উৎস ধরে রাখা হলো। দুটি আলাদা প্রশ্ন এখানে প্রায়ই মিশে যায়: একটি আলামে কতগুলো নকশা থাকে, আর চাকমা বয়নে মোট কতগুলো নকশা আছে। 96–115 প্রথম প্রশ্নের উত্তর, 210 দ্বিতীয়টির।
| উৎস | কী বলছে | কোন আলাম / প্রেক্ষাপট |
|---|---|---|
| Chakma, Muzib ও Akter, IJHSSI 2022 | প্রতিটি আলামে বর্তমানে 96 থেকে 115টি নকশা সংরক্ষিত | রাঙামাটির রাঙাপানি গ্রামে 75টি তাঁতি পরিবারের মাঠজরিপ |
| কবিতা চাকমা, “পাদি সাহবাং” | “প্রায় শতের কাছাকাছি বা শতাধিক” নকশা | এক একটি আলাম, সাধারণভাবে |
| Arshi Dewan 2002 | নকশা কখনো কখনো একশোর বেশি, তাই আলামে লিখে রাখা হয় | তাঁতির মনে রাখা নকশার সংখ্যা |
| কবিতা চাকমা, “পাদি সাহবাং” | 115টি নকশা | ষোড়শী বালা দেওয়ানের আলাম |
| কবিতা চাকমা, “পাদি সাহবাং” | 101টি নকশা | পঞ্চলতা খীসার আলাম, 1960-এর দশক |
| কবিতা চাকমা, “পাদি সাহবাং” | 80টির বেশি নকশা | বীনাপানি চাকমার আলাম |
| কবিতা চাকমা, “পাদি সাহবাং” | 45, 36 ও 4টি নকশা (লেখায় যেভাবে ছাপা) | 2009 সালের এক মাসের প্রতিযোগিতায় প্রথম, তৃতীয় ও দ্বিতীয় স্থান পাওয়া তিনটি আলাম |
| Mahbub, Minhus ও Tao 2021 | চাকমা বস্ত্রে মোট 210টি নকশা “দীর্ঘকাল ধরে” আছে | সব নকশা মিলিয়ে, কোনো এক আলামে নয় |
| কবিতা চাকমা, “পাদি সাহবাং” | “কারো মতে মোট 210টি নকশা”; লেখক নিজেই লিখেছেন সংখ্যাটি “আরও খতিয়ে দেখা দরকার” | সূত্র: Manjulika Chakma ও Niaz Zaman, Strong Backs, Magic Fingers (2010), পৃ. 28 |
210 সংখ্যাটি দুই জায়গায় এলেও দুটি স্বাধীন উৎস নয়। কবিতা চাকমা সংখ্যাটির সূত্র দিয়েছেন মঞ্জুলিকা চাকমা ও নিয়াজ জামানের 2010 সালের বই, আর Mahbub ও সহগবেষকদের প্রবন্ধের তথ্যসূত্রেও একই বই আছে। কবিতা চাকমা নিজে সংখ্যাটির পাশে সতর্কতা জুড়ে দিয়েছেন — এটি আরও খতিয়ে দেখা দরকার, এবং ভবিষ্যতে নকশা ও সংখ্যা নিয়ে গবেষণার আশা করেছেন।
2009 সালের প্রতিযোগিতার সংখ্যাগুলোও লক্ষ করার মতো। নারী প্রবর্তনা আয়োজিত “আদিবাসী বয়নশিল্পের মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি প্রতিযোগিতা”-য় শর্ত ছিল এক মাসের মধ্যে আলাম বুনতে হবে এবং তাতে পাদি সাহবাং নকশা বাধ্যতামূলক। প্রথম হয় কনিকা চাকমার 45টি নকশার আলাম, তৃতীয় ঝর্ণা চাকমার 36টি নকশার আলাম (কবিতা চাকমা)। পুরনো আলামগুলোর 100-এর বেশি নকশার পাশে এক মাসে 45টি নকশা — দুই সংখ্যার পার্থক্যটাই বলে দেয় একটি পূর্ণ আলাম কত দীর্ঘ সময়ের কাজ।
নামসহ লিপিবদ্ধ নকশা একসঙ্গে কোথাও নেই; ছড়িয়ে আছে অন্তত আটটি উৎসে। বাংলা উৎসে পাঁচটি ফুলের নাম বারবার আসে: বেগুনবিচি, চরকা আদা, সামুলেজ, বিলেইখুজ ও উলুফুল। একটি ইংরেজি প্রবন্ধে অর্থসহ 20টি নাম আছে। নামের বেশির ভাগ ফুল, প্রাণী আর জ্যামিতিক রেখা থেকে নেওয়া।
তিনটি বাংলা উৎস একই পাঁচটি ফুলের নাম দিয়েছে, বানানে সামান্য ভিন্নতাসহ। তনয় দেওয়ানের লেখায় নামগুলোর উৎসও বলা আছে: রাধামন-ধনপুদি পালায় ধনপুদি রাধামনের জন্য যে যুদ্ধসাজ বুনেছিলেন, সেখানে আলামের এই ফুলগুলোর নাম আছে (তনয় দেওয়ান)।
| বাংলা উইকিপিডিয়া | তনয় দেওয়ান, “চাংমাটারা” | অনুশীলন |
|---|---|---|
| বেগুনবিচি ফুল | বিগুনবিচি ফুল | বেগুনবিজি ফুল |
| চড়কা আদা ফুল | চরকা আদা ফুল | চরকা-আদা ফুল |
| সামুলেশ ফুল | সামুলেজ ফুল | সামুলেজ ফুল |
| বিলেইখুজ ফুল | বিলেইখুজ ফুল | বিলেইখুজ ফুল |
| উলুফুল | উলুফুল | উলুফুল |
Journal of Textile Science & Fashion Technology-তে 2021 সালে প্রকাশিত প্রবন্ধে Tanjena Mahbub, S M Minhus ও Tao Hui “সবচেয়ে বিখ্যাত” কয়েকটি নকশার একটি ছক দিয়েছেন, ইংরেজি অক্ষরে নাম ও ইংরেজি অর্থসহ (Mahbub ও অন্যান্য 2021)। নিচে নামগুলো প্রবন্ধে যেভাবে ছাপা সেভাবেই রাখা হলো; এই নামগুলোর বাংলা বা চাকমা লিপির বানান কোনো উৎসে পাওয়া যায়নি, তাই বাংলা বানান বানানো হয়নি। দ্বিতীয় কলামে প্রবন্ধের ইংরেজি অর্থের বাংলা।
| নকশার নাম (প্রবন্ধে যেভাবে ছাপা) | প্রবন্ধে দেওয়া ইংরেজি অর্থের বাংলা |
|---|---|
| Begun bichi | বেগুনের বিচি |
| Tin biyya | তিন রেখা |
| Das biyya | দশ রেখা |
| Sath beya karanga kapya | সাত রেখা |
| Chhatrish biyya | ছত্রিশ রেখা |
| Kanjal | সাপের বাঁক |
| Bangali chabugi | ছোট ফুল |
| Bago chokh | বাঘের চোখ |
| Chori phool | মাটির জলপাত্রের নকশা |
| Anaj | আনারস |
| Tuptupi – aat bo | টিকটিকির পা |
| Bourgiyoja | বাংলা বর্ণের মতো |
| Padi chabang gachh | নকশার রাজা |
| Aza thang | হাঁসের পা |
| Chaba Kangel | সাপের প্যাঁচ |
| Satacrang | ছোট বুনো গাঁদা |
| Kangara | কাঁকড়া |
| Chera | বিছা |
| Het | হাতি |
| Karangkhapya | কামরাঙার মতো |
বানান আলাদা হলেও উৎসগুলো নিজেরাই নামের অর্থ দিয়েছে, তাই অর্থ ধরে কোন নকশা কতগুলো স্বাধীন উৎসে আছে তা গোনা যায়। এখানে মিল টানা হয়েছে কেবল উৎসের দেওয়া অর্থ ধরে, শব্দের ধ্বনি ধরে নয়।
| অর্থ | যে উৎসে যে নামে |
|---|---|
| বেগুনের বিচি | বাংলা উইকিপিডিয়া “বেগুনবিচি ফুল”; তনয় দেওয়ান “বিগুনবিচি ফুল”; অনুশীলন “বেগুনবিজি ফুল”; Mahbub 2021 “Begun bichi”; IJHSSI 2022 “Begun BijiPhul”; Cultural Survival “Begun biji” |
| কাঁকড়া | Mahbub 2021 “Kangara”; Cultural Survival “Hangara” |
| বাঘের চোখ | Mahbub 2021 “Bago chokh”; Dewan 2002 “tiger’s eye” |
| টিকটিকির পা | Mahbub 2021 “Tuptupi – aat bo”; Dewan 2002 “house-lizard’s footmark” |
| সাপ | Mahbub 2021 “Kanjal” (সাপের বাঁক) ও “Chaba Kangel” (সাপের প্যাঁচ); Dewan 2002 “snake’s backbone” |
| হাতি | Mahbub 2021 “Het”; Dewan 2002 “elephant” |
| নকশার রাজা / শ্রেষ্ঠ নকশা | কবিতা চাকমা “পাদি সাহবাং গাচ”, আলামে “ফুলর-রাজা”; Mahbub 2021 “Padi chabang gachh — King of design” |
বেগুনের বিচি নকশাটি ছয়টি উৎসে আছে — বাংলা ও ইংরেজি, আর্কাইভ, জরিপ ও প্রবন্ধ মিলিয়ে এটিই আলামের সবচেয়ে বেশি নথিভুক্ত নকশা। কাঁকড়ার নামটি এক উৎসে Kangara, আরেকটিতে Hangara; কোন বানানটি চাকমা উচ্চারণের কাছাকাছি, তা উৎস থেকে বলা যায় না।
প্রসঙ্গ:আদিবাসী নারী, ঐতিহ্যবাহী বয়নশিল্প, চাকমা, রাঙামাটি
জুমজার্নালে প্রকাশিত লেখাসমূহে তথ্যমূলক ভুল-ভ্রান্তি থেকে যেতে পারে অথবা যেকোন লেখার সাথে আপনার ভিন্নমত থাকতে পারে। আপনার মতামত এবং সঠিক তথ্য দিয়ে আপনিও লিখুন অথবা লেখা পাঠান। লেখা পাঠাতে কিংবা যেকোন ধরনের প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন - jumjournal@gmail.com এই ঠিকানায়।