Jumjournal Logo

জনশুমারি ২০২২: ৫০ জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা, জেলা ধরে ধরে

Last updated Oct 17th, 2026

0

Featured image

বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনসংখ্যা কত, তার সরকারি উত্তর এখন একটিই সংখ্যা: 1,650,478 জন। জনশুমারি ও গৃহগণনা 2022-এর চূড়ান্ত জাতীয় প্রতিবেদন এই হিসাব দিয়েছে, যা দেশের গণনাকৃত মোট জনসংখ্যার প্রায় 1 শতাংশ। সরকারি তালিকায় জাতিগোষ্ঠী 50টি; শুমারি এর প্রতিটিকে আলাদা গুনেছে। সবচেয়ে বড় চাকমা (483,365 জন), সবচেয়ে ছোট ভিল (95 জন)।

সংখ্যাগুলো বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) প্রতিবেদনেই আছে, তবে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে। জাতীয় প্রতিবেদনের এক ছকে জাতিগোষ্ঠী ধরে বিভাগের হিসাব, আরেক ছকে জেলা ধরে মোট সংখ্যা, আর কোন জেলায় কোন জাতিগোষ্ঠী কতজন, সেটি 64টি আলাদা জেলা-প্রতিবেদনে। এই পাতায় সেগুলো এক জায়গায় আনা হয়েছে। প্রতিটি সংখ্যার পাশে BBS-এর ছকের নম্বর আছে, যাতে পাঠক মূল প্রতিবেদন খুলে মিলিয়ে নিতে পারেন।

এই পাতার সংখ্যা কোথা থেকে

জাতীয় সংখ্যা: Population and Housing Census 2022, National Report (Volume I), BBS, নভেম্বর 2023 — মূল সূচকের ছক (পৃ. xxi–xxii), Table 3.2.35 (পৃ. 96), Table P28 (পৃ. 362–363) ও Table P29 (পৃ. 364 থেকে)। জেলার ভেতরের সংখ্যা: প্রতিটি জেলার District Report-এর Table P17। জাতিগোষ্ঠীর বাংলা নাম: 23 মার্চ 2019-এর গেজেট প্রজ্ঞাপন। শতাংশ ও যোগফল যেখানে BBS-এর ছাপা নয়, সেখানে তা আলাদা করে বলা আছে।

পরিভাষা নিয়ে এক কথা: শুমারি ও আইনের শব্দ “ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী”, জুমজার্নাল সাধারণ লেখায় “আদিবাসী” ব্যবহার করে। এই পাতায় BBS-এর ছক উদ্ধৃত করার সময় BBS-এর শব্দটিই রাখা হয়েছে। পরিভাষা-বিতর্কের আন্তর্জাতিক দিকটি আছে আমাদের জাতিসংঘ আদিবাসী ঘোষণাপত্র (UNDRIP) নিয়ে লেখায়।

সূচিপত্র

  1. বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনসংখ্যা কত
  2. বাংলাদেশে কয়টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী
  3. 50টি জাতিগোষ্ঠীর পূর্ণ তালিকা
  4. বৃহত্তম কারা
  5. সবচেয়ে ছোট কারা
  6. “অন্যান্য” ঘরে কারা
  7. শুমারির ছকে নেই, বা অন্য নামে আছে
  8. বিভাগ ধরে
  9. প্রতিটি জাতিগোষ্ঠী কোন বিভাগে
  10. 64 জেলা ধরে
  11. তিন পার্বত্য জেলায় কে কত
  12. সমতলের জেলাগুলোতে কে কত
  13. 1981 থেকে 2022
  14. নারী না পুরুষ বেশি
  15. শুমারিতে কীভাবে গোনা হয়েছে
  16. প্রশ্নোত্তর
  17. যা এখনো জানা যায়নি
  18. তথ্যসূত্র

বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনসংখ্যা কত: চূড়ান্ত হিসাব 1,650,478

চূড়ান্ত জাতীয় প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মোট জনসংখ্যা 1,650,478 জন: পুরুষ 824,933 (49.98%), নারী 825,545 (50.02%)। গণনাকৃত মোট জনসংখ্যা 165,158,616-এর তুলনায় এটি 1.00%। 2022 সালের আগস্টের প্রাথমিক প্রতিবেদনে সংখ্যাটি ছিল 319 জন কম, 1,650,159।

একই সংখ্যা প্রতিবেদনের চার জায়গায় ছাপা: মূল সূচকের ছকে (সূচক 09, “Ethnic Population”), Table 3.2.35-এ বিভাগ ধরে, Table P28-এ জেলা ধরে, আর Table P29-এ জাতিগোষ্ঠী ধরে। চারটি ছকের মোট একই — 1,650,478। জেলা আর বিভাগের যোগফলও এই সংখ্যায় মেলে। (BBS National Report Vol. I)

সমন্বয়কৃত (adjusted) মোট জনসংখ্যা, অর্থাৎ গণনায় বাদ পড়াদের হিসাব ধরে BBS যে সংখ্যা দিয়েছে, তা 169,828,911। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য প্রতিবেদনে কোনো আলাদা সমন্বয়কৃত সংখ্যা ছাপা হয়নি। সমন্বয়কৃত মোটের সঙ্গে তুলনা করলে অনুপাত দাঁড়ায় 0.97%। দুই হিসাবেই উত্তর “প্রায় 1 শতাংশ”।

প্রাথমিক প্রতিবেদনের সংখ্যাগুলো এখনো ঘুরছে, কারণ সরকারি বক্তব্যেও সেগুলো ব্যবহার হয়। BBS-এর প্রাথমিক প্রতিবেদন (আগস্ট 2022) Table 2.8-এ (পৃ. 10) মোট 1,650,159 জন দিয়েছিল — দেশের জনসংখ্যার 1.00% — আর Annex-এর Table A-1.4-এ (পৃ. 33–34) জাতিগোষ্ঠী ধরে সংখ্যা। 25 জুন 2026 জাতীয় সংসদে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এই প্রাথমিক সংখ্যাগুলোই উদ্ধৃত করেছেন (দৈনিক ইনকিলাব, UNB)। দুই হিসাব পাশাপাশি:

প্রাথমিক: Preliminary Report, Table 2.8, A-1.3 ও A-1.4। চূড়ান্ত: National Report Vol. I, Table P28 ও P29। পার্থক্যের কলাম নিজস্ব হিসাব।
  প্রাথমিক হিসাব (আগস্ট 2022) চূড়ান্ত হিসাব (নভেম্বর 2023) পার্থক্য
মোট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী 1,650,159 1,650,478 +319
চাকমা 483,299 483,365 +66
মারমা 224,261 224,299 +38
ত্রিপুরা 156,578 156,620 +42
সাঁওতাল 129,049 129,056 +7
ম্রো 52,455 52,463 +8
চট্টগ্রাম বিভাগ 990,860 991,013 +153
রাঙামাটি জেলা 372,864 372,875 +11
খাগড়াছড়ি জেলা 349,378 349,390 +12
বান্দরবান জেলা 197,975 197,983 +8

প্রাথমিক প্রতিবেদনের ভেতরেও একটি এক-জনের অমিল আছে: Table 2.8 ও A-1.4-এ মোট 1,650,159, কিন্তু জেলা-ছক A-1.3-এ জাতীয় সারি 1,650,160। আর আমাদের ম্রো-বিষয়ক লেখায় যে 52,455 সংখ্যাটি আছে, সেটি এই প্রাথমিক প্রতিবেদনের; চূড়ান্ত সংখ্যা 52,463।

প্রতিটি সারিতে চূড়ান্ত সংখ্যা সামান্য বেশি; সবচেয়ে বড় ফারাক চট্টগ্রাম বিভাগে, 153 জন। গবেষণা বা উদ্ধৃতির কাজে চূড়ান্ত প্রতিবেদনের সংখ্যাই ব্যবহারযোগ্য, কারণ জেলা-প্রতিবেদনের ছকগুলোও তার সঙ্গে মেলে।

বাংলাদেশে কয়টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী: গেজেটে 50টি, শুমারিতে 50টি সারি আর “অন্যান্য”

সরকারি তালিকায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী 50টি। তালিকাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন, 2010-এর তফসিল, যা 23 মার্চ 2019-এর প্রজ্ঞাপনে (এস.আর.ও. নং 78-আইন/2019) নতুন করে বসানো হয়েছে। শুমারি এই আইনের সংজ্ঞা মেনেই তথ্য নিয়েছে: Table P29-এ ঠিক 50টি নামের সারি, তার পরে “Others” নামে একটি ঘর। (গেজেট, 23 মার্চ 2019, পৃ. 13707–13709)

BBS প্রতিবেদনের সংজ্ঞা-অংশে (2.31, পৃ. 33) সরাসরি বলা আছে, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের “Khudra Nri-goshthi Sangskritik Pratisthan Ain, 2010”-এ যাদের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বলা হয়েছে, শুমারিতে তাঁরাই Ethnic Population। আইনের ধারা 2(2) বলছে, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী অর্থ “তফসিলে উল্লিখিত বিভিন্ন আদিবাসী তথা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও শ্রেণীর জনগণ”। অর্থাৎ তালিকায় নাম থাকা না-থাকাই শুমারির সারি ঠিক করেছে। (আইনের গেজেট, 12 এপ্রিল 2010)

তালিকাটি শুরু থেকে 50টির ছিল না। 2010 সালে আইনের মূল তফসিলে নাম ছিল 27টি — চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রো, তঞ্চঙ্গা, বম, পাংখোয়া, চাক, খিয়াং, খুমি, লুসাই, কোচ, সাঁওতাল, ডালু, উসাই (উসুই), রাখাইন, মণিপুরী, গারো, হাজং, খাসিয়া, মং, ওরাও, বর্মন, পাহাড়ী, মালপাহাড়ী, মুণ্ডা ও কোল। আইনের ধারা 19 সরকারকে গেজেট প্রজ্ঞাপন দিয়েই তফসিল বদলানোর ক্ষমতা দেয়। সেই ক্ষমতায় 2019 সালে পুরো তফসিল বদলে 50টি নাম বসানো হয়। তালিকা কীভাবে, কোন দাবিতে বড় হলো, সে আলোচনা আলাদা লেখায় — “স্বীকৃত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা 27 থেকে 50 হলো কীভাবে”। (2010-এর তফসিল; 2019-এর তফসিল)

পার্বত্য চট্টগ্রামের হিসাব আলাদা প্রশ্ন। আমাদের আর্কাইভের গুর্খা জাতি-বিষয়ক লেখা বলছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইন ও তিন জেলা পরিষদ আইনে স্বীকৃত 11টি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বাইরে গুর্খা, অহমিয়া ও সাঁওতাল — আরও তিনটি জনগোষ্ঠী সেখানে বহুকাল ধরে থাকে। 2022 শুমারির তিন পার্বত্য জেলার ছকে ওই 11টির বাইরে আরও অনেক নাম গোনা হয়েছে; নিচে পার্বত্য জেলার অংশে সেই ছক আছে।

50টি জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা: পূর্ণ তালিকা, বড় থেকে ছোট

নিচের ছকে Table P29-এর 50টি জাতিগোষ্ঠী জনসংখ্যা অনুযায়ী সাজানো, সঙ্গে “অন্যান্য”। প্রথম চারটি — চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা ও সাঁওতাল — মিলে মোটের 60.18%। 50টির মধ্যে 27টির জনসংখ্যা 5,000-এর কম, আর 12টির 2,000-এর কম।

উৎস: National Report Vol. I, Table P29, পৃ. 364। বাংলা নাম: গেজেট, 23 মার্চ 2019। ক্রম ও শতাংশ নিজস্ব হিসাব; “অন্যান্য” ক্রমের বাইরে রাখা।
ক্রম নাম (গেজেটের বানানে) BBS-এর ইংরেজি বানান মোট পুরুষ নারী মোটের %
1 চাকমা Chakma 483,365 243,920 239,445 29.29
2 মারমা Marma 224,299 111,336 112,963 13.59
3 ত্রিপুরা Tripura 156,620 78,211 78,409 9.49
4 সাঁওতাল Saontal 129,056 63,644 65,412 7.82
5 ওরাওঁ Oraon 85,858 42,502 43,356 5.20
6 গারো Garo 76,854 37,900 38,954 4.66
— অন্যান্য (তালিকার বাইরে) Others 68,588 34,017 34,571 4.16
7 মুণ্ডা Munda 60,201 29,773 30,428 3.65
8 ম্রো Mro 52,463 26,748 25,715 3.18
9 তঞ্চঙ্গা Tonchonga 45,974 23,317 22,657 2.79
10 বর্মণ Barman 44,671 22,990 21,681 2.71
11 মণিপুরী Monipuri 22,979 10,718 12,261 1.39
12 মাহাতো/কুর্মি মাহাতো/বেদিয়া মাহাতো Mahato/Kurmi Mahato/Bedia Mahato 19,271 9,635 9,636 1.17
13 মালো/ঘাসিমালো Malo/Ghasimalo 14,797 7,643 7,154 0.90
14 কোচ Koch 13,704 6,865 6,839 0.83
15 বম Bom 13,193 6,659 6,534 0.80
16 খাসিয়া/খাসি Khasia/Khasi 12,422 6,357 6,065 0.75
17 বাগদী Bagdi 12,096 6,047 6,049 0.73
18 রাখাইন Rakhain 11,197 5,443 5,754 0.68
19 ভূমিজ Bhumij 9,664 4,812 4,852 0.59
20 পাহাড়ী/মালপাহাড়ী Pahari/Malpahari 8,801 4,444 4,357 0.53
21 হাজং Hajong 7,996 3,814 4,182 0.48
22 বেদিয়া Bedia 7,209 3,534 3,675 0.44
23 মাহালী Mahali 6,614 3,249 3,365 0.40
24 খিয়াং Khiang 4,826 2,459 2,367 0.29
25 মুসহর Mushor 4,603 2,248 2,355 0.28
26 গঞ্জু Gonju 4,137 2,032 2,105 0.25
27 কোল Kol 3,822 1,842 1,980 0.23
28 তুরি Turi 3,794 1,911 1,883 0.23
29 খুমি Khumi 3,780 1,951 1,829 0.23
30 বড়াইক/বাড়াইক Boraik/Baraik 3,447 1,651 1,796 0.21
31 লোহার Lohar 3,420 1,721 1,699 0.21
32 পাত্র Patro 3,103 1,597 1,506 0.19
33 খারিয়া/খাড়িয়া Kharia/Khadria 3,100 1,558 1,542 0.19
34 চাক Chak 3,077 1,555 1,522 0.19
35 বানাই Banai 2,851 1,458 1,393 0.17
36 গড়াইত Gorait 2,730 1,364 1,366 0.17
37 রাজোয়াড় Rajoar 2,327 1,193 1,134 0.14
38 তেলী Teli 2,082 1,042 1,040 0.13
39 শবর Shobor 1,980 1,019 961 0.12
40 ভূঁইমালী Bhuimali 1,930 996 934 0.12
41 কন্দ Kondo 1,899 921 978 0.12
42 পাংখোয়া/পাংখো Pankhoa/Pankho 1,857 943 914 0.11
43 হুদি Hudi 1,505 726 779 0.09
44 কড়া Kora 816 416 400 0.05
45 ডালু Dalu 386 180 206 0.02
46 লুসাই Lusai 380 189 191 0.02
47 খারওয়ার/খেড়োয়ার Kharoar/Kheroar 314 170 144 0.02
48 হো Ho 224 105 119 0.01
49 গুর্খা Gurkha 101 58 43 0.01
50 ভিল Vil 95 50 45 0.01

ছকের দ্বিতীয় আর তৃতীয় কলামের বানান আলাদা কেন, সেটি খেয়াল রাখার মতো। BBS ইংরেজি ছকে নিজস্ব বানান ব্যবহার করেছে — Bom, Tonchonga, Vil, Saontal — যা অন্য উৎসে Bawm, Tanchangya, Bhil, Santal। ইংরেজিতে খুঁজলে তাই অনেক সময় সংখ্যাটি চোখ এড়িয়ে যায়। গেজেটের বাংলা বানানও প্রচলিত বানান থেকে কোথাও কোথাও আলাদা; যেমন গেজেটে “তঞ্চঙ্গা”, আর জুমজার্নালসহ অনেক উৎসে “তঞ্চঙ্গ্যা”।

বাংলাদেশের বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কারা: চাকমা, তারপর মারমা ও ত্রিপুরা

বৃহত্তম চাকমা, 483,365 জন — দেশের মোট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জনসংখ্যার 29.29%। দ্বিতীয় মারমা (224,299, 13.59%), তৃতীয় ত্রিপুরা (156,620, 9.49%), চতুর্থ সাঁওতাল (129,056, 7.82%)। প্রথম তিনটির প্রায় পুরোটা চট্টগ্রাম বিভাগে; সাঁওতালরা প্রধানত রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে।

উৎস: Table P29। বিভাগের অনুপাত নিজস্ব হিসাব।
ক্রম জাতিগোষ্ঠী জনসংখ্যা মোটের % সবচেয়ে বেশি যে বিভাগে দ্বিতীয় বিভাগ
1 চাকমা 483,365 29.29 চট্টগ্রাম 475,548 (98.4%) ঢাকা 6,732
2 মারমা 224,299 13.59 চট্টগ্রাম 220,067 (98.1%) ঢাকা 3,292
3 ত্রিপুরা 156,620 9.49 চট্টগ্রাম 151,656 (96.8%) সিলেট 2,166
4 সাঁওতাল 129,056 7.82 রাজশাহী 56,990 (44.2%) রংপুর 55,820
5 ওরাওঁ 85,858 5.20 রাজশাহী 62,178 (72.4%) রংপুর 13,982
6 গারো 76,854 4.66 ময়মনসিংহ 45,164 (58.8%) ঢাকা 23,462
7 মুণ্ডা 60,201 3.65 রাজশাহী 32,595 (54.1%) সিলেট 22,125
8 ম্রো 52,463 3.18 চট্টগ্রাম 52,022 (99.2%) ঢাকা 264
9 তঞ্চঙ্গা 45,974 2.79 চট্টগ্রাম 45,636 (99.3%) ঢাকা 229
10 বর্মণ 44,671 2.71 রাজশাহী 21,205 (47.5%) ঢাকা 9,822

শীর্ষ দশের ভৌগোলিক ছবি দুই রকম। চাকমা (98.4% চট্টগ্রাম বিভাগে), মারমা (98.1%), ত্রিপুরা (96.8%), ম্রো (99.2%) ও তঞ্চঙ্গ্যা (99.3%) প্রায় সম্পূর্ণ একটি বিভাগে কেন্দ্রীভূত। উল্টো দিকে সাঁওতাল, ওরাওঁ, মুণ্ডা ও বর্মণ একাধিক বিভাগে ছড়ানো: সাঁওতাল রাজশাহীতে 56,990, রংপুরে 55,820, সিলেটে 13,274; মুণ্ডা রাজশাহীতে 32,595, সিলেটে 22,125, খুলনায় 3,179।

গারো সংখ্যায় ষষ্ঠ (76,854); তাঁদের 45,164 জন ময়মনসিংহ বিভাগে, 23,462 জন ঢাকা বিভাগে। মণিপুরীরা (22,979) প্রায় পুরোপুরি সিলেট বিভাগে — 22,150 জন।

প্রথম তিনটি জনগোষ্ঠীর পূর্ণ পরিচিতি আমাদের আর্কাইভে আছে: চাকমা জাতি, মারমা জাতির আদ্যোপান্ত ও ত্রিপুরা জাতির আদ্যোপান্ত। চাকমা-বিষয়ক লেখাটি 1991 শুমারির হিসাবও দেয় — তখন তিন পার্বত্য জেলায় চাকমা ছিলেন 2,39,417 জন।

সবচেয়ে ছোট জাতিগোষ্ঠী কোনটি: ভিল, মাত্র 95 জন

শুমারির হিসাবে সবচেয়ে ছোট ভিল (BBS-এর বানানে Vil) — সারা দেশে 95 জন। তার পরে গুর্খা 101, হো 224, খারওয়ার/খেড়োয়ার 314, লুসাই 380 ও ডালু 386। এই ছয়টি জাতিগোষ্ঠীর প্রত্যেকের জনসংখ্যা 400-এর কম।

সবচেয়ে ছোট আটটি জাতিগোষ্ঠী, বিভাগ ধরে। উৎস: Table P29।
জাতিগোষ্ঠী সারা দেশ বরিশাল চট্টগ্রাম ঢাকা খুলনা ময়মনসিংহ রাজশাহী রংপুর সিলেট
ভিল 95 3 15 34 6 4 5 18 10
গুর্খা 101 7 54 17 2 8 1 3 9
হো 224 7 29 92 10 11 33 9 33
খারওয়ার/খেড়োয়ার 314 1 21 38 3 11 89 6 145
লুসাই 380 4 237 86 6 1 27 7 12
ডালু 386 1 37 44 4 290 2 2 6
কড়া 816 33 112 167 23 55 173 103 150
হুদি 1,505 1 7 14 1 1394 25 3 60

ছোট সংখ্যার জাতিগোষ্ঠীগুলো সব এক রকম ছড়ানো নয়। ভিলদের 95 জন আটটি বিভাগেই গোনা হয়েছে, কোনো বিভাগে 34 জনের বেশি নয়। ডালুদের 290 জন ময়মনসিংহ বিভাগে; লুসাইদের 237 জন চট্টগ্রাম বিভাগে, তবে ঢাকা বিভাগেও 86 জন।

দুটি ক্ষেত্রে শুমারির সংখ্যা আমাদের আর্কাইভের অনুমানের চেয়ে অনেক কম। গুর্খা-বিষয়ক লেখায় পার্বত্য চট্টগ্রামে গুর্খাদের সম্ভাব্য জনসংখ্যা 300 থেকে 500 বলা হয়েছে; শুমারি সারা দেশে 101 জন গুনেছে, যার 49 জন তিন পার্বত্য জেলায়। লুসাই-বিষয়ক লেখায় পার্বত্য চট্টগ্রামে লুসাই আনুমানিক এক হাজার; শুমারিতে সারা দেশে 380। পাঁচটি ছোট পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বিস্তারিত আছে খিয়াং, খুমি, চাক, পাংখোয়া, লুসাই নিয়ে লেখায়।

“অন্যান্য” ঘরে 68,588 জন: তালিকার বাইরের মানুষ

Table P29-এর শেষ সারি “Others” — 68,588 জন, মোটের 4.16%। সংখ্যাটি মুণ্ডাদের (60,201) চেয়েও বড়; জাতিগোষ্ঠী হিসেবে ধরলে এটি তালিকার সপ্তম স্থানে বসত। এই ঘরে কোন কোন জনগোষ্ঠীর মানুষ আছেন, প্রতিবেদন তা ভেঙে দেখায়নি।

উৎস: Table P29। অংশের হিসাব নিজস্ব।
বিভাগ “অন্যান্য” বিভাগের মোট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী “অন্যান্য”-এর অংশ %
রাজশাহী 18,517 244,627 7.6
সিলেট 13,707 136,692 10.0
ঢাকা 12,895 82,324 15.7
খুলনা 11,871 38,992 30.4
চট্টগ্রাম 5,689 991,013 0.6
রংপুর 3,286 91,079 3.6
বরিশাল 1,317 4,190 31.4
ময়মনসিংহ 1,306 61,561 2.1

অনুপাতটি বিভাগভেদে খুব আলাদা। চট্টগ্রাম বিভাগে “অন্যান্য” মাত্র 0.6%, কিন্তু খুলনা বিভাগে 30.4% আর বরিশালে 31.4%। অর্থাৎ সমতলের কয়েকটি বিভাগে তালিকার 50টি নামের কোনোটিতে না-পড়া মানুষের অনুপাত অনেক বেশি। এর কারণ কী — তালিকায় নাম নেই এমন জনগোষ্ঠী, নাকি নামের বানানের অমিল — প্রতিবেদনে তার ব্যাখ্যা নেই।

শুমারির ছকে যারা নেই, আর যারা অন্য নামে আছে

কিছু জনগোষ্ঠীর নাম অন্য উৎসে আছে, কিন্তু Table P29-এ আলাদা সারি নেই: অহমিয়া, রাজবংশী, উসাই ও মং। এদের কেউ শুমারিতে গোনা হয়ে থাকলে তাঁরা “অন্যান্য” ঘরে, বা অন্য কোনো নামের সারিতে — কোনটিতে, প্রতিবেদন থেকে বোঝার উপায় নেই। আবার কয়েকটি জাতিগোষ্ঠী আছে, কিন্তু প্রচলিত নাম থেকে আলাদা বানানে, বা একাধিক নাম এক সারিতে মিলিয়ে।

অহমিয়া। আমাদের আর্কাইভের অহমিয়া জাতির আদ্যোপান্ত বলছে, রাঙামাটির আসামবস্তি, মাঝেরবস্তি, গর্জনতলীসহ তিন পার্বত্য জেলায় অহমিয়ারা বহুকাল ধরে থাকেন, স্থানীয়ভাবে “আসাম” নামে পরিচিত, আর সরকারি আদমশুমারিতে তাঁদের সংখ্যার কোনো উল্লেখ নেই; অহমিয়াদের নিজেদের ধারণা, তিন জেলায় তাঁরা 2,000 থেকে 2,200 জন। 2022 সালেও অবস্থা একই: 2019-এর তফসিলে অহমিয়া নাম নেই, Table P29-এও নেই।

উসাই (উসুই) ও মং। 2010 সালের মূল তফসিলে এই দুটি নাম ছিল (আইনের তফসিল, ক্রমিক 15 ও 21)। 2019-এর নতুন তফসিলে দুটির কোনোটি নেই (2019-এর তফসিল), শুমারির ছকেও নেই। নাম দুটি কেন বাদ গেল, প্রজ্ঞাপনে তার কোনো ব্যাখ্যা নেই।

রাজবংশী। তফসিলে “কোচ” ও “বর্মণ” আলাদা দুটি নাম, কিন্তু “রাজবংশী” নামে কোনো নাম নেই; শুমারির ছকেও রাজবংশী সারি নেই। শুমারিতে কোচ 13,704 জন, বর্মণ 44,671 জন।

বানান আলাদা, মানুষ একই। BBS-এর ইংরেজি ছকে Bom মানে বম (অন্য উৎসে Bawm; বিস্তারিত বম জাতি নিয়ে লেখায়), Tonchonga মানে তঞ্চঙ্গ্যা (তঞ্চঙ্গ্যা জাতির আদ্যোপান্ত), Vil মানে ভিল, Saontal মানে সাঁওতাল, Mro মানে ম্রো। ম্রো নামের নানা রূপ — মুরুং, মুরং, ম্র — নিয়ে আর্কাইভে আলাদা লেখা আছে: মুরুং, মুরং, ম্র নাকি ম্রো — কোনটা সঠিক?।

এক সারিতে একাধিক নাম। গেজেট ও শুমারি দুই জায়গাতেই কয়েকটি সারি একাধিক নাম মিলিয়ে: পাংখোয়া/পাংখো, খাসিয়া/খাসি, পাহাড়ী/মালপাহাড়ী, মালো/ঘাসিমালো, বড়াইক/বাড়াইক, খারিয়া/খাড়িয়া, খারওয়ার/খেড়োয়ার, আর মাহাতো/কুর্মি মাহাতো/বেদিয়া মাহাতো। 2010-এর তফসিলে “পাহাড়ী” ও “মালপাহাড়ী” ছিল দুটি আলাদা নাম; 2019-এ এক সারি। ফলে 2022-এর সংখ্যা থেকে এই দুটি আলাদা করে জানা যায় না। একইভাবে “বেদিয়া” নামে আলাদা একটি সারি (7,209 জন) আছে, আবার “বেদিয়া মাহাতো” আছে মাহাতো সারির ভেতরে।

হিজড়া জনগোষ্ঠী। 2022 শুমারিতে হিজড়া জনগোষ্ঠী আলাদা করে গোনা হয়েছে, সারা দেশে 8,124 জন। Table 3.2.35-এর নিচের টীকা বলছে, এই ছকে হিজড়াদের ধরা হয়নি, তাই মোট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সংখ্যা অন্য ছকের চেয়ে “সামান্য কম” দেখাবে। অথচ ছকটির মোট (1,650,478) Table P28 ও P29-এর মোটের সঙ্গে হুবহু এক। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কতজন হিজড়া হিসেবে গোনা হয়েছেন, সে সংখ্যা প্রতিবেদনে নেই।

বিভাগ ধরে: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর 60 শতাংশ চট্টগ্রাম বিভাগে

দেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জনসংখ্যার 60.04% — 991,013 জন — চট্টগ্রাম বিভাগে। দ্বিতীয় রাজশাহী বিভাগ (244,627, 14.82%), তৃতীয় সিলেট (136,692, 8.28%)। সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে, 4,190 জন।

উৎস: Table 3.2.35, P29 ও P02। দুই শতাংশ কলাম ও “বৃহত্তম তিনটি” নিজস্ব হিসাব।
বিভাগ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী দেশের মোটের % বিভাগের মোট জনসংখ্যা বিভাগের জনসংখ্যার % বৃহত্তম তিনটি
চট্টগ্রাম 991,013 60.04 33,202,357 2.98 চাকমা 475,548, মারমা 220,067, ত্রিপুরা 151,656
রাজশাহী 244,627 14.82 20,353,116 1.20 ওরাওঁ 62,178, সাঁওতাল 56,990, মুণ্ডা 32,595
সিলেট 136,692 8.28 11,034,952 1.24 মণিপুরী 22,150, মুণ্ডা 22,125, সাঁওতাল 13,274
রংপুর 91,079 5.52 17,610,955 0.52 সাঁওতাল 55,820, ওরাওঁ 13,982, বর্মণ 7,646
ঢাকা 82,324 4.99 44,215,759 0.19 গারো 23,462, বর্মণ 9,822, কোচ 7,832
ময়মনসিংহ 61,561 3.73 12,225,449 0.50 গারো 45,164, হাজং 6,068, বর্মণ 2,733
খুলনা 38,992 2.36 17,415,924 0.22 মালো/ঘাসিমালো 9,067, বাগদী 6,224, মুণ্ডা 3,179
বরিশাল 4,190 0.25 9,100,104 0.05 রাখাইন 1,923, ত্রিপুরা 171, চাকমা 123

বিভাগের নিজস্ব জনসংখ্যার অনুপাতে দেখলে ছবিটা আরও স্পষ্ট: চট্টগ্রাম বিভাগেও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বিভাগের মানুষের মাত্র 2.98%, কারণ বিভাগটির মোট জনসংখ্যা তিন কোটির বেশি। বাকি সাতটি বিভাগে অনুপাত দেড় শতাংশের নিচে; ঢাকা বিভাগে 0.19%, বরিশালে 0.05%।

বরিশাল বিভাগের বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠী রাখাইন — 1,923 জন, বিভাগের মোট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অর্ধেকের কাছাকাছি। সারা দেশের রাখাইনদের (11,197) বাকি বড় অংশ চট্টগ্রাম বিভাগে (8,832)।

প্রতিটি জাতিগোষ্ঠী কোন বিভাগে কতজন: 50 × 8 ছক

এই ছকটিই Table P29-এর মূল অংশ, এক জায়গায় সাজানো। প্রতিটি জাতিগোষ্ঠীর সারিতে আটটি বিভাগের সংখ্যা; সবচেয়ে বড় সংখ্যাটি গাঢ় করে দেখানো। কোনো জাতিগোষ্ঠী কোনো বিভাগে একজনও গোনা না হলে BBS সেই সারিই ছাপেনি; ছকে সেখানে 0 লেখা।

উৎস: National Report Vol. I, Table P29, পৃ. 364 থেকে। বিভাগগুলো BBS-এর ক্রমে। বিভাগের যোগফল প্রতিটি সারিতে জাতীয় সংখ্যার সঙ্গে মেলে (নিজস্ব যাচাই)।
জাতিগোষ্ঠী সারা দেশ বরিশাল চট্টগ্রাম ঢাকা খুলনা ময়মনসিংহ রাজশাহী রংপুর সিলেট
চাকমা 483,365 123 475,548 6,732 177 221 157 110 297
মারমা 224,299 109 220,067 3,292 118 242 187 113 171
ত্রিপুরা 156,620 171 151,656 2,136 149 141 126 75 2,166
সাঁওতাল 129,056 85 1,067 1,300 446 74 56,990 55,820 13,274
ওরাওঁ 85,858 65 789 856 52 270 62,178 13,982 7,666
গারো 76,854 40 728 23,462 73 45,164 347 99 6,941
অন্যান্য 68,588 1,317 5,689 12,895 11,871 1,306 18,517 3,286 13,707
মুণ্ডা 60,201 5 477 233 3,179 11 32,595 1,576 22,125
ম্রো 52,463 7 52,022 264 8 21 12 60 69
তঞ্চঙ্গা 45,974 13 45,636 229 11 12 20 6 47
বর্মণ 44,671 4 174 9,822 2,615 2,733 21,205 7,646 472
মণিপুরী 22,979 28 126 487 47 35 31 75 22,150
মাহাতো/কুর্মি মাহাতো/বেদিয়া মাহাতো 19,271 5 51 699 183 18 14,398 397 3,520
মালো/ঘাসিমালো 14,797 9 37 2,757 9,067 148 2,074 485 220
কোচ 13,704 7 51 7,832 1,397 2,560 283 1,525 49
বম 13,193 43 12,529 390 51 63 44 35 38
খাসিয়া/খাসি 12,422 4 66 122 6 61 38 5 12,120
বাগদী 12,096 2 54 3,006 6,224 26 1,785 10 989
রাখাইন 11,197 1,923 8,832 320 18 40 26 19 19
ভূমিজ 9,664 2 55 453 166 1 2,023 2 6,962
পাহাড়ী/মালপাহাড়ী 8,801 18 346 170 19 31 7,269 613 335
হাজং 7,996 5 45 302 10 6,068 29 9 1,528
বেদিয়া 7,209 46 1,147 878 780 135 3,716 211 296
মাহালী 6,614 8 47 94 11 22 3,272 1,155 2,005
খিয়াং 4,826 1 4,709 61 11 7 31 1 5
মুসহর 4,603 7 37 22 5 91 1,314 2,671 456
গঞ্জু 4,137 1 11 66 1 10 2,453 14 1,581
কোল 3,822 2 36 90 561 26 2,314 19 774
তুরি 3,794 14 303 170 16 50 2,293 347 601
খুমি 3,780 7 3,360 189 10 13 27 8 166
বড়াইক/বাড়াইক 3,447 4 80 32 4 7 776 6 2,538
লোহার 3,420 4 17 154 65 1 1,439 212 1,528
পাত্র 3,103 15 62 129 258 28 17 23 2,571
খারিয়া/খাড়িয়া 3,100 2 10 41 21 7 146 14 2,859
চাক 3,077 3 2,968 80 5 3 1 5 12
বানাই 2,851 6 19 1,628 680 43 236 2 237
গড়াইত 2,730 0 8 25 3 10 1,856 1 827
রাজোয়াড় 2,327 7 18 109 74 45 1,970 1 103
তেলী 2,082 10 45 84 194 16 606 62 1,065
শবর 1,980 2 15 34 56 8 8 4 1,853
ভূঁইমালী 1,930 2 0 44 285 0 1,350 182 67
কন্দ 1,899 4 17 80 10 15 25 13 1,735
পাংখোয়া/পাংখো 1,857 3 1,547 63 0 4 88 29 123
হুদি 1,505 1 7 14 1 1,394 25 3 60
কড়া 816 33 112 167 23 55 173 103 150
ডালু 386 1 37 44 4 290 2 2 6
লুসাই 380 4 237 86 6 1 27 7 12
খারওয়ার/খেড়োয়ার 314 1 21 38 3 11 89 6 145
হো 224 7 29 92 10 11 33 9 33
গুর্খা 101 7 54 17 2 8 1 3 9
ভিল 95 3 15 34 6 4 5 18 10

চারটি ঘর খালি পড়েছে: গড়াইত বরিশাল বিভাগে, ভূঁইমালী চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগে, আর পাংখোয়া/পাংখো খুলনা বিভাগে — এসব বিভাগে BBS-এর ছকে এই নামের সারিই নেই। বাকি সব জাতিগোষ্ঠীকে আটটি বিভাগের প্রতিটিতে অন্তত একজন করে গোনা হয়েছে, যদিও অনেক ক্ষেত্রে সংখ্যাটি এক অঙ্কের।

জেলা ধরে ধরে: 64 জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা

সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষ রাঙামাটিতে (372,875), তারপর খাগড়াছড়ি (349,390), বান্দরবান (197,983), নওগাঁ (107,312) ও মৌলভীবাজার (73,303)। সবচেয়ে কম লালমনিরহাটে, 118 জন। 64টি জেলার প্রতিটিতেই কিছু না কিছু ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষ গোনা হয়েছে।

জেলার নিজস্ব জনসংখ্যার অনুপাতে মাত্র তিনটি জেলায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বড় অংশ: রাঙামাটিতে 57.58%, খাগড়াছড়িতে 48.93%, বান্দরবানে 41.15%। চতুর্থ নওগাঁয় অনুপাতটি নেমে আসে 3.85%-এ, পঞ্চম মৌলভীবাজারে 3.45%। 64টির মধ্যে 52টি জেলায় অনুপাত 1 শতাংশের কম।

উৎস: National Report Vol. I, Table P28 (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, পৃ. 362–363) ও Table P02 (জেলার মোট জনসংখ্যা, গণনাকৃত)। ক্রম ও শতাংশ নিজস্ব হিসাব।
ক্রম জেলা বিভাগ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জেলার মোট জনসংখ্যা জেলার %
1 রাঙামাটি চট্টগ্রাম 372,875 647,586 57.58
2 খাগড়াছড়ি চট্টগ্রাম 349,390 714,119 48.93
3 বান্দরবান চট্টগ্রাম 197,983 481,106 41.15
4 নওগাঁ রাজশাহী 107,312 2,784,599 3.85
5 মৌলভীবাজার সিলেট 73,303 2,123,447 3.45
6 দিনাজপুর রংপুর 52,940 3,315,236 1.60
7 চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম 48,245 9,169,465 0.53
8 রাজশাহী রাজশাহী 47,832 2,915,009 1.64
9 হবিগঞ্জ সিলেট 41,573 2,358,886 1.76
10 ময়মনসিংহ ময়মনসিংহ 27,652 5,899,005 0.47
11 ঢাকা ঢাকা 27,137 14,734,701 0.18
12 জয়পুরহাট রাজশাহী 26,325 956,431 2.75
13 টাঙ্গাইল ঢাকা 23,708 4,037,608 0.59
14 চাঁপাইনবাবগঞ্জ রাজশাহী 23,278 1,835,528 1.27
15 নেত্রকোনা ময়মনসিংহ 21,605 2,324,853 0.93
16 সিরাজগঞ্জ রাজশাহী 20,319 3,357,706 0.61
17 সিলেট সিলেট 16,508 3,857,123 0.43
18 রংপুর রংপুর 15,947 3,169,614 0.50
19 ঠাকুরগাঁও রংপুর 15,511 1,533,895 1.01
20 কক্সবাজার চট্টগ্রাম 14,881 2,823,268 0.53
21 নাটোর রাজশাহী 11,198 1,859,922 0.60
22 শেরপুর ময়মনসিংহ 11,082 1,501,853 0.74
23 গাজীপুর ঢাকা 9,773 5,263,450 0.19
24 মাগুরা খুলনা 8,548 1,033,115 0.83
25 নড়াইল খুলনা 8,278 788,671 1.05
26 ফরিদপুর ঢাকা 6,452 2,162,879 0.30
27 বগুড়া রাজশাহী 5,994 3,734,297 0.16
28 ঝিনাইদহ খুলনা 5,624 2,005,849 0.28
29 যশোর খুলনা 5,386 3,076,144 0.18
30 সুনামগঞ্জ সিলেট 5,308 2,695,496 0.20
31 মুন্সীগঞ্জ ঢাকা 4,808 1,625,416 0.30
32 গাইবান্ধা রংপুর 4,150 2,562,233 0.16
33 সাতক্ষীরা খুলনা 3,865 2,196,582 0.18
34 রাজবাড়ী ঢাকা 3,324 1,189,818 0.28
35 খুলনা খুলনা 3,260 2,613,385 0.12
36 চাঁদপুর চট্টগ্রাম 2,863 2,635,748 0.11
37 গোপালগঞ্জ ঢাকা 2,470 1,295,057 0.19
38 পাবনা রাজশাহী 2,369 2,909,624 0.08
39 কুষ্টিয়া খুলনা 2,117 2,149,692 0.10
40 কুমিল্লা চট্টগ্রাম 2,044 6,212,216 0.03
41 পঞ্চগড় রংপুর 2,011 1,179,843 0.17
42 নারায়ণগঞ্জ ঢাকা 1,267 3,909,138 0.03
43 জামালপুর ময়মনসিংহ 1,222 2,499,738 0.05
44 বরগুনা বরিশাল 1,137 1,010,531 0.11
45 পটুয়াখালী বরিশাল 1,114 1,727,254 0.06
46 বাগেরহাট খুলনা 1,046 1,613,076 0.06
47 কিশোরগঞ্জ ঢাকা 1,022 3,267,626 0.03
48 নোয়াখালী চট্টগ্রাম 1,004 3,625,442 0.03
49 মানিকগঞ্জ ঢাকা 909 1,558,025 0.06
50 ফেনী চট্টগ্রাম 906 1,648,896 0.05
51 বরিশাল বরিশাল 843 2,570,446 0.03
52 ভোলা বরিশাল 773 1,932,518 0.04
53 চুয়াডাঙ্গা খুলনা 707 1,234,054 0.06
54 ব্রাহ্মণবাড়িয়া চট্টগ্রাম 672 3,306,563 0.02
55 মাদারীপুর ঢাকা 508 1,293,027 0.04
56 নরসিংদী ঢাকা 508 2,584,452 0.02
57 শরীয়তপুর ঢাকা 438 1,294,562 0.03
58 কুড়িগ্রাম রংপুর 275 2,329,160 0.01
59 ঝালকাঠি বরিশাল 203 661,160 0.03
60 মেহেরপুর খুলনা 161 705,356 0.02
61 লক্ষ্মীপুর চট্টগ্রাম 150 1,937,948 0.01
62 নীলফামারী রংপুর 127 2,092,568 0.01
63 পিরোজপুর বরিশাল 120 1,198,195 0.01
64 লালমনিরহাট রংপুর 118 1,428,406 0.01

এই জেলা-ছকটি কেবল মোট সংখ্যা দেয়। কোন জেলায় কোন জাতিগোষ্ঠী কতজন, জাতীয় প্রতিবেদনে তা নেই; সেটি আছে প্রতিটি জেলার আলাদা District Report-এর Table P17-এ (“Ethnic Population by Category, Sex and Upazila”)। পরের দুটি অংশে পার্বত্য তিন জেলা আর সমতলের বড় জেলাগুলোর সেই ছক।

তিন পার্বত্য জেলায় কোন জাতিগোষ্ঠী কত

তিন পার্বত্য জেলায় মোট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী 920,248 জন — রাঙামাটি 372,875, খাগড়াছড়ি 349,390, বান্দরবান 197,983। এটি দেশের মোট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জনসংখ্যার 55.76%। রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে চাকমা সবচেয়ে বড়; বান্দরবানে মারমা, তারপর ম্রো।

উৎস: জেলা-প্রতিবেদনের Table P17 — রাঙামাটি (পৃ. 235), খাগড়াছড়ি (পৃ. 231), বান্দরবান (পৃ. 202); “সারা দেশ” কলাম National Report-এর Table P29। “তিন জেলা” কলাম, “বাকি সব” সারি ও শতাংশ নিজস্ব হিসাব।
জাতিগোষ্ঠী রাঙামাটি খাগড়াছড়ি বান্দরবান তিন জেলা (যোগফল) সারা দেশ সারা দেশের কত % তিন জেলায়
চাকমা 276,048 175,165 3,712 454,925 483,365 94.1
মারমা 51,403 74,210 84,170 209,783 224,299 93.5
ত্রিপুরা 12,300 98,500 22,572 133,372 156,620 85.2
ম্রো 258 18 51,448 51,724 52,463 98.6
তঞ্চঙ্গ্যা (গেজেটে তঞ্চঙ্গা) 27,975 79 14,889 42,943 45,974 93.4
বম 441 16 11,854 12,311 13,193 93.3
খিয়াং 1,670 4 2,502 4,176 4,826 86.5
খুমি 44 0 (ছকে নেই) 3,287 3,331 3,780 88.1
চাক 41 22 2,662 2,725 3,077 88.6
পাংখোয়া/পাংখো 1,398 5 55 1,458 1,857 78.5
লুসাই 147 11 58 216 380 56.8
গুর্খা 43 5 1 49 101 48.5
রাখাইন 568 475 355 1,398 11,197 12.5
সাঁওতাল 35 541 43 619 129,056 0.5
বাকি সব জাতিগোষ্ঠী ও “অন্যান্য” 504 339 375 1,218 — —
জেলার মোট 372,875 349,390 197,983 920,248 1,650,478 55.8

ছকের শেষ কলামটি দেখায়, কোন জাতিগোষ্ঠীর কত অংশ পার্বত্য চট্টগ্রামে। ম্রো, তঞ্চঙ্গ্যা, চাকমা ও মারমার 93 শতাংশের বেশি এই তিন জেলায়। পাংখোয়া/পাংখোদের ক্ষেত্রে অনুপাত 78.5%, লুসাইদের 56.8%। রাখাইনদের মাত্র 12.5% তিন পার্বত্য জেলায়; বিভাগের ছকে রাখাইনদের বাকি বড় অংশ চট্টগ্রাম বিভাগের অন্য জেলাগুলোতে ও বরিশাল বিভাগে (চট্টগ্রাম বিভাগ মোট 8,832, বরিশাল বিভাগ 1,923)।

জেলার মোট জনসংখ্যার অনুপাতে রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী 57.58%, খাগড়াছড়িতে 48.93%, বান্দরবানে 41.15%। তিন জেলার মোট জনসংখ্যা 1,842,811; তার 49.94% ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। অর্থাৎ পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রায় অর্ধেক মানুষ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর, অর্ধেক অন্যরা। খুমিদের প্রায় সবাই বান্দরবানে (3,287), খাগড়াছড়ির ছকে খুমি সারিই নেই; চাকদের 2,662 জন বান্দরবানে।

প্রাথমিক আর চূড়ান্ত হিসাবে জেলার মোট সামান্য আলাদা — রাঙামাটি 372,864 বনাম 372,875, খাগড়াছড়ি 349,378 বনাম 349,390, বান্দরবান 197,975 বনাম 197,983 (প্রাথমিক সংখ্যা: Preliminary Report, Table A-1.3, পৃ. 31)। উপজেলা ধরে প্রতিটি জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যাও জেলা-প্রতিবেদনের একই ছকে আছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূগোল, প্রশাসন ও জনগোষ্ঠীর আরও বিস্তারিত আছে আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রাম আর্কাইভ পাতায়। ম্রোদের প্রায় সবাই বান্দরবানে; তাঁদের ধর্ম ও লিপি নিয়ে আছে ম্রো জাতি: ক্রামা, বর্ণমালা ও চিম্বুকের পাহাড়।

সমতলের বড় জেলাগুলোতে কোন জাতিগোষ্ঠী কত

পার্বত্য তিন জেলার বাইরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি নওগাঁয় (107,312), তারপর মৌলভীবাজার (73,303), দিনাজপুর (52,940), চট্টগ্রাম (48,245), রাজশাহী (47,832) ও হবিগঞ্জ (41,573) — এগুলো Table P28-এর জেলা-মোট। কোন জেলায় কোন জাতিগোষ্ঠী কত, তা প্রতিটি জেলার District Report-এর Table P17-এ; নিচে যে জেলাগুলোর সেই ছক এই পাতায় তোলা হয়েছে, সেগুলো।

প্রতিটি জেলার ছকে সেই জাতিগোষ্ঠীগুলো আছে, যারা জেলার মোট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অন্তত 1%; বাকিদের যোগফল এক সারিতে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ: 23,278 জন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জেলার জনসংখ্যার 1.27%। বৃহত্তম ওরাওঁ (6,510), সাঁওতাল (6,409), বর্মণ (4,196)। জেলার ছকে মোট 33টি তালিকাভুক্ত নাম আছে, তার 10টি জেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অন্তত 1%; “অন্যান্য” 4.7%। ওরাওঁদের সবচেয়ে বেশি গোমস্তাপুর (Gomastapur) উপজেলায় — 5,772 জন। (District Report Chapainawabganj, Table P17, পৃ. 183)

উৎস: District Report Chapainawabganj, Table P17। শতাংশ নিজস্ব হিসাব।
জাতিগোষ্ঠী জনসংখ্যা জেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর %
ওরাওঁ 6,510 28.0
সাঁওতাল 6,409 27.5
বর্মণ 4,196 18.0
রাজোয়াড় 1,187 5.1
অন্যান্য 1,084 4.7
মাহাতো/কুর্মি মাহাতো/বেদিয়া মাহাতো 873 3.8
মুণ্ডা 740 3.2
মাহালী 573 2.5
তুরি 454 2.0
কোল 352 1.5
ভূমিজ 287 1.2
বাকি 23টি নাম 613 2.6
জেলার মোট 23,278 100.0

বাকি জেলাগুলোর জাতিগোষ্ঠী-ভিত্তিক সংখ্যা প্রতিটির নিজস্ব District Report-এর Table P17-এ আছে; এই পাতায় কেবল উপরের জেলাগুলোর ছক রাখা হয়েছে।

1981 থেকে 2022: শুমারিতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা কীভাবে বদলেছে

BBS-এর মূল সূচকের ছক পাঁচটি শুমারির সংখ্যা পাশাপাশি দেয়: 1981 সালে 897,828, 1991-এ 1,205,978, 2001-এ 1,410,169, 2011-এ 1,586,141, আর 2022-এ 1,650,478। দেশের মোট জনসংখ্যায় অংশ 1991 ও 2001-এ ছিল 1.13%, 2022-এ 1.00%।

উৎস: National Report Vol. I, মূল সূচকের ছক, সূচক 03 ও 09 (পৃ. xxi–xxii)। অংশ ও বৃদ্ধির হার নিজস্ব হিসাব।
শুমারি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী দেশের গণনাকৃত জনসংখ্যা অংশ % আগের শুমারি থেকে বৃদ্ধি (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী) আগের শুমারি থেকে বৃদ্ধি (দেশ)
1981 897,828 87,119,965 1.03 — —
1991 1,205,978 106,314,992 1.13 +34.3% +22.0%
2001 1,410,169 124,355,263 1.13 +16.9% +17.0%
2011 1,586,141 144,043,697 1.10 +12.5% +15.8%
2022 1,650,478 165,158,616 1.00 +4.1% +14.7%

2011 থেকে 2022 সালের মধ্যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর গণনাকৃত সংখ্যা বেড়েছে 64,337 জন, অর্থাৎ 4.1%; একই সময়ে দেশের গণনাকৃত জনসংখ্যা বেড়েছে 14.7%। ছকটি দেখায় না, প্রতিটি শুমারিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংজ্ঞা ও তালিকা একই ছিল কি না; 2022-এর সংজ্ঞা 2019-এর 50-নামের তফসিলভিত্তিক। তাই পাঁচ শুমারির সংখ্যাকে একই মাপকাঠির পরিমাপ ধরে নেওয়া যায় না।

সংখ্যাটি প্রকৃত জনসংখ্যার চেয়ে কম কি না, সে প্রশ্ন বহু বছরের। আদিবাসী প্রতিনিধিদের একাংশ প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি বলে দাবি করেন; সেই বিতর্ক ও গণনাপদ্ধতির আলোচনা আলাদা লেখায় — “১৬ লাখ না ৩০ লাখ — জনশুমারিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী গোনা হয় কীভাবে”। এই পাতা কেবল BBS যা গুনেছে, তার হিসাব।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে নারী না পুরুষ বেশি

সারা দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে নারী সামান্য বেশি: নারী 825,545 (50.02%), পুরুষ 824,933 (49.98%)। দেশের সার্বিক জনসংখ্যাতেও নারী বেশি — গণনাকৃত হিসাবে নারী 83,381,226, পুরুষ 81,769,266। জাতিগোষ্ঠী ধরে অনুপাত অবশ্য বেশ আলাদা।

নারীর অংশ সবচেয়ে বেশি: ডালু 53.37%; মণিপুরী 53.36%; হো 53.13%; হাজং 52.30%; বড়াইক/বাড়াইক 52.10%। পুরুষের অংশ সবচেয়ে বেশি: গুর্খা (নারী 42.57%); খারওয়ার/খেড়োয়ার (নারী 45.86%); ভিল (নারী 47.37%); মালো/ঘাসিমালো (নারী 48.35%)। বড় জাতিগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে চাকমাদের মধ্যে পুরুষ সামান্য বেশি (পুরুষ 243,920, নারী 239,445), মারমা ও সাঁওতালদের মধ্যে নারী বেশি। (উৎস: Table P29)

খুব ছোট জাতিগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে এই অনুপাত থেকে কিছু সিদ্ধান্তে আসা কঠিন; গুর্খাদের 101 জনের মধ্যে 58 জন পুরুষ, কয়েকটি পরিবারের হিসাবেই অনুপাত বদলে যায়। বয়সের দিক থেকে, Table 3.2.36 অনুযায়ী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় বয়স-দল 15–19 বছর, মোটের 10.14%।

জনশুমারি 2022-এ জাতিগোষ্ঠীর তথ্য নেওয়া হয়েছে কীভাবে

শুমারির তথ্য নেওয়া হয়েছে 15 থেকে 21 জুন 2022, ট্যাবলেটে, Computer Assisted Personal Interviewing (CAPI) পদ্ধতিতে। 14 জুন মধ্যরাত ছিল শুমারির রেফারেন্স সময়। প্রশ্নপত্রের ব্যক্তি-অংশে 20টি প্রশ্নের একটি ছিল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিচয়; তথ্য নেওয়া হয়েছে 2010 সালের আইনের বিধান অনুসারে।

প্রশ্নপত্রে মোট 35টি প্রশ্ন — খানা-অংশে 15টি, ব্যক্তি-অংশে 20টি। ব্যক্তি-অংশে বয়স, লিঙ্গ, বৈবাহিক অবস্থা, ধর্ম, প্রতিবন্ধিতা, শিক্ষা, কাজ, মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহারের পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিচয়ের প্রশ্ন ছিল। প্রতিবেদনের 3.2.11 অংশ বলছে, জাতিগোষ্ঠীর তথ্য “Khudra Nri-goshthi Sangskritik Pratisthan Ain, 2010”-এর বিধান মেনে কয়েকটি মাত্রায় সংগ্রহ করা হয়েছে। (উৎস: National Report Vol. I, অংশ 1.8 ও 3.2.11)

সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনায় আকস্মিক বন্যার কারণে তথ্য সংগ্রহের সময় সাত দিন বাড়িয়ে 28 জুন 2022 পর্যন্ত করা হয়। মৌলভীবাজার দেশের পঞ্চম বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জনসংখ্যার জেলা, নেত্রকোনাও প্রথম কুড়িটির মধ্যে। প্রতিবেদনে বাড়তি সময়ের কারণ বলা আছে, তবে এই চার জেলায় গণনার মানের আলাদা কোনো মূল্যায়ন নেই।

প্রাথমিক প্রতিবেদনের Annex 3-এ ছাপা ইংরেজি প্রশ্নপত্র (পৃ. 55) দেখায় প্রশ্নটি দুই ধাপে। খানা-অংশের প্রশ্ন 11: “Are there any members of any ethnic minority group in the household?” — হ্যাঁ হলে ব্যক্তি-অংশের প্রশ্ন 33 পূরণ হয়: “Select the name of ethnic minority group”, নির্দেশনা “select from list”। অর্থাৎ খানার প্রতিটি সদস্যের জাতিগোষ্ঠীর নাম একটি তালিকা থেকে বেছে নেওয়া হয়েছে। তালিকায় কোন কোন নাম ছিল, আর “অন্যান্য” বিকল্প কীভাবে লেখা হতো, প্রশ্নপত্রের ছাপা পাতায় তা দেখা যায় না। (Preliminary Report, Annex 3)

প্রশ্নোত্তর: জনশুমারি 2022 ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী

বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনসংখ্যা কত?

জনশুমারি ও গৃহগণনা 2022-এর চূড়ান্ত জাতীয় প্রতিবেদন (BBS, নভেম্বর 2023) অনুযায়ী বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জনসংখ্যা 1,650,478 জন: পুরুষ 824,933, নারী 825,545। এটি দেশের গণনাকৃত মোট জনসংখ্যা 165,158,616-এর প্রায় 1 শতাংশ। আগস্ট 2022-এর প্রাথমিক প্রতিবেদনে সংখ্যাটি ছিল 1,650,159।

বাংলাদেশে কয়টি আদিবাসী বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী আছে?

সরকারি তালিকায় 50টি। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন, 2010-এর তফসিল 23 মার্চ 2019-এর প্রজ্ঞাপনে (এস.আর.ও. নং 78-আইন/2019) বদলে 50টি নাম বসানো হয়; 2010 সালের মূল তফসিলে নাম ছিল 27টি। 2022 শুমারি এই 50টিকে আলাদা গুনেছে, আর তালিকার বাইরের 68,588 জনকে রেখেছে “অন্যান্য” ঘরে।

বাংলাদেশের বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোনটি?

চাকমা। 2022 শুমারিতে চাকমা জনসংখ্যা 483,365 জন, যা দেশের মোট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জনসংখ্যার 29.29%। এর 475,548 জন চট্টগ্রাম বিভাগে; জেলা-প্রতিবেদন অনুযায়ী রাঙামাটিতে 276,048, খাগড়াছড়িতে 175,165 ও বান্দরবানে 3,712 জন। সূত্র: BBS National Report Vol. I, Table P29, ও জেলা-প্রতিবেদনের Table P17।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কারা?

মারমা — 224,299 জন, মোট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জনসংখ্যার 13.59%। জেলা-প্রতিবেদন অনুযায়ী মারমাদের সবচেয়ে বেশি বান্দরবানে (84,170), তারপর খাগড়াছড়ি (74,210) ও রাঙামাটি (51,403)। তৃতীয় ত্রিপুরা (156,620) এবং চতুর্থ সাঁওতাল (129,056)। সূত্র: BBS National Report Vol. I, Table P29।

বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোনটি?

2022 শুমারির হিসাবে ভিল, সারা দেশে মাত্র 95 জন; BBS-এর ইংরেজি ছকে নামটি Vil বানানে। তার পরে গুর্খা 101, হো 224, খারওয়ার/খেড়োয়ার 314, লুসাই 380 ও ডালু 386 জন। ভিলদের আটটি বিভাগেই গোনা হয়েছে, কোনো বিভাগে 34 জনের বেশি নয়। সূত্র: Table P29।

ত্রিপুরা জনসংখ্যা কত?

বাংলাদেশে ত্রিপুরা জনসংখ্যা 156,620 জন (পুরুষ 78,211, নারী 78,409), সংখ্যায় তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। এর 151,656 জন চট্টগ্রাম বিভাগে; জেলা-প্রতিবেদন অনুযায়ী খাগড়াছড়িতে 98,500, বান্দরবানে 22,572 ও রাঙামাটিতে 12,300। সিলেট বিভাগে 2,166 ও ঢাকা বিভাগে 2,136 জন। সূত্র: Table P29 ও P17।

সাঁওতাল জনসংখ্যা কত, তাঁরা কোথায় থাকেন?

সাঁওতাল জনসংখ্যা 129,056 জন, সংখ্যায় চতুর্থ। পার্বত্য জাতিগোষ্ঠীগুলোর মতো এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত নন: রাজশাহী বিভাগে 56,990, রংপুর বিভাগে 55,820, সিলেট বিভাগে 13,274, ঢাকা বিভাগে 1,300 ও চট্টগ্রাম বিভাগে 1,067 জন গোনা হয়েছে। সূত্র: BBS National Report Vol. I, Table P29।

গারো জনসংখ্যা কত?

গারো জনসংখ্যা 76,854 জন (পুরুষ 37,900, নারী 38,954), সংখ্যায় ষষ্ঠ। ময়মনসিংহ বিভাগে 45,164, ঢাকা বিভাগে 23,462 ও সিলেট বিভাগে 6,941 জন; বাকি বিভাগগুলোতে কয়েকশো বা তার কম। সূত্র: BBS National Report Vol. I, Table P29।

কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ থাকেন?

রাঙামাটিতে — 372,875 জন, জেলার মোট জনসংখ্যার 57.58%। তারপর খাগড়াছড়ি (349,390; 48.93%) ও বান্দরবান (197,983; 41.15%)। সমতলের জেলাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নওগাঁয় (107,312), তারপর মৌলভীবাজার (73,303) ও দিনাজপুর (52,940)। সবচেয়ে কম লালমনিরহাটে, 118 জন। সূত্র: Table P28 ও P02।

পার্বত্য চট্টগ্রামে মোট কত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ?

তিন পার্বত্য জেলার জেলা-প্রতিবেদন যোগ করলে 920,248 জন: রাঙামাটি 372,875, খাগড়াছড়ি 349,390, বান্দরবান 197,983। এটি দেশের মোট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জনসংখ্যার 55.76%। তিন জেলার মোট জনসংখ্যা 1,842,811, অর্থাৎ পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী প্রায় অর্ধেক। যোগফল BBS-এর ছাপা নয়, তিন জেলার সংখ্যা থেকে হিসাব করা।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী দেশের মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ?

গণনাকৃত মোট জনসংখ্যা 165,158,616-এর তুলনায় 0.9993%, আর সমন্বয়কৃত মোট 169,828,911-এর তুলনায় 0.97% — দুই হিসাবেই প্রায় 1 শতাংশ। আগের শুমারিগুলোতে অংশটি ছিল 1981 সালে 1.03%, 1991 ও 2001-এ 1.13%, 2011-এ 1.10%। হিসাবগুলো BBS-এর মূল সূচকের ছকের সংখ্যা থেকে করা।

শুমারির “অন্যান্য” ঘরে কারা আছেন?

Table P29-এর “Others” ঘরে 68,588 জন — 50টি তালিকাভুক্ত নামের কোনোটিতে না-পড়া মানুষ। প্রতিবেদন এদের জনগোষ্ঠী ধরে ভেঙে দেখায়নি। বিভাগ ধরে সবচেয়ে বেশি রাজশাহীতে (18,517), তারপর সিলেট (13,707), ঢাকা (12,895) ও খুলনা (11,871)। খুলনা বিভাগের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রায় 30% এই ঘরে।

অহমিয়া বা আসাম জনগোষ্ঠী কি শুমারিতে আছে?

না। 2019-এর 50-নামের তফসিলে অহমিয়া নাম নেই, তাই 2022 শুমারির Table P29-এও আলাদা সারি নেই। জুমজার্নালের আর্কাইভের “অহমিয়া জাতির আদ্যোপান্ত” লেখা অনুযায়ী রাঙামাটির আসামবস্তি, মাঝেরবস্তি, গর্জনতলীসহ তিন পার্বত্য জেলায় তাঁদের বাস, আর অহমিয়াদের নিজেদের অনুমান 2,000 থেকে 2,200 জন।

প্রাথমিক আর চূড়ান্ত হিসাবে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা আলাদা কেন?

BBS-এর প্রাথমিক প্রতিবেদন (আগস্ট 2022) মোট 1,650,159 জন দিয়েছিল, চূড়ান্ত জাতীয় প্রতিবেদন (নভেম্বর 2023) 1,650,478 — 319 জন বেশি। চাকমা 483,299 থেকে 483,365, মারমা 224,261 থেকে 224,299 হয়েছে। 25 জুন 2026 সংসদে সংস্কৃতিমন্ত্রী প্রাথমিক হিসাবই উদ্ধৃত করেছেন। উদ্ধৃতির জন্য চূড়ান্ত সংখ্যা ব্যবহারযোগ্য, কারণ জেলা-প্রতিবেদন তার সঙ্গে মেলে।

যা এখনো জানা যায়নি

  • “অন্যান্য” ঘরের 68,588 জন কোন কোন জনগোষ্ঠীর মানুষ, BBS-এর কোনো প্রকাশিত ছকে তা ভেঙে দেখানো হয়নি।
  • প্রশ্ন 33-এর তালিকায় ঠিক কোন নামগুলো ছিল, আর তালিকার বাইরের পরিচয় কীভাবে লেখা হতো, ছাপা প্রশ্নপত্রে তা দেখা যায় না; এ বিষয়ে কোনো প্রকাশিত নির্দেশিকা পাওয়া যায়নি।
  • Table 3.2.35-এর টীকা বলছে হিজড়াদের বাদ দেওয়ায় মোট “সামান্য কম”; অথচ ছকটির মোট অন্য দুই ছকের মোটের সঙ্গে হুবহু এক। কোনটি ঠিক, প্রতিবেদন থেকে মেলানো যায়নি।
  • প্রাথমিক প্রতিবেদনের ভেতরে জাতীয় মোট এক জায়গায় 1,650,159, আরেক জায়গায় 1,650,160; কোনটি ঠিক, প্রতিবেদনে ব্যাখ্যা নেই।
  • 2010 সালের তফসিলে থাকা উসাই (উসুই) ও মং নাম 2019-এর তফসিলে কেন নেই, প্রজ্ঞাপনে তার ব্যাখ্যা নেই।
  • 1981 থেকে 2011 পর্যন্ত শুমারিগুলোতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংজ্ঞা ও নামের তালিকা কী ছিল, মূল সূচকের ছকে তা বলা নেই; ফলে পাঁচ শুমারির সংখ্যা সরাসরি তুলনীয় কি না, জানা যায়নি।
  • জাতিগোষ্ঠী ধরে জেলার ভেতরের হিসাব (District Report, Table P17) এই পাতায় আছে কেবল রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের। নওগাঁ, মৌলভীবাজার, দিনাজপুর, রাজশাহী, হবিগঞ্জ, জয়পুরহাট, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও টাঙ্গাইলসহ বাকি 60টি জেলার প্রতিবেদন পড়া যায়নি; ওই জেলাগুলোতে কোন জাতিগোষ্ঠী কতজন, তা এখানে জানা যায়নি — কেবল জেলার মোট সংখ্যা (Table P28) দেওয়া আছে।

তথ্যসূত্র

  1. Bangladesh Bureau of Statistics (BBS), Population and Housing Census 2022: National Report (Volume I), নভেম্বর 2023 — মূল সূচক, অংশ 1.8, 2.31, 3.2.11, Table 3.2.35, 3.2.36, P02, P28, P29। Internet Archive কপি
  2. BBS, Population and Housing Census 2022: District Report — Rangamati, Table P17 “Ethnic Population by Category, Sex and Upazila”। Internet Archive কপি
  3. BBS, Population and Housing Census 2022: District Report — Khagrachhari, Table P17 “Ethnic Population by Category, Sex and Upazila”। Internet Archive কপি
  4. BBS, Population and Housing Census 2022: District Report — Bandarban, Table P17 “Ethnic Population by Category, Sex and Upazila”। Internet Archive কপি
  5. BBS, Population and Housing Census 2022: District Report — Chapainawabganj, Table P17 “Ethnic Population by Category, Sex and Upazila”। Internet Archive কপি
  6. BBS, Population and Housing Census 2022: Preliminary Report, আগস্ট 2022 — Table 2.8, A-1.3, A-1.4, Annex 2 ও Annex 3 (প্রশ্নপত্র)। Internet Archive কপি
  7. বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, 12 এপ্রিল 2010 — ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন, 2010 (2010 সনের 23 নং আইন), ধারা 2 ও 19, তফসিল। বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়
  8. বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, 23 মার্চ 2019 — সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, এস.আর.ও. নং 78-আইন/2019, নতুন তফসিল (50টি নাম), পৃ. 13707–13709। বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়
  9. UNB, “Bangladesh has 50 gazetted ethnic communities, population stands at 1.65 mln: Minister”, 25 জুন 2026। unb.com.bd
  10. দৈনিক ইনকিলাব, “দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার”, 26 জুন 2026। dailyinqilab.com
  11. জুমজার্নাল আর্কাইভ, “অহমিয়া জাতির আদ্যোপান্ত”। jumjournal.com
  12. জুমজার্নাল আর্কাইভ, “গুর্খা জাতির আদ্যোপান্ত”। jumjournal.com
  13. জুমজার্নাল আর্কাইভ, “লুসাই জনগোষ্ঠী: প্রচলিত রীতিনীতি ও প্রথা”। jumjournal.com
  14. জুমজার্নাল আর্কাইভ, “চাকমা জাতি”। jumjournal.com

সর্বশেষ হালনাগাদ: 17 অক্টোবর 2026

প্রসঙ্গ:আদিবাসী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, গারো, পার্বত্য চট্টগ্রাম, সাঁওতাল

জুমজার্নালে প্রকাশিত লেখাসমূহে তথ্যমূলক ভুল-ভ্রান্তি থেকে যেতে পারে অথবা যেকোন লেখার সাথে আপনার ভিন্নমত থাকতে পারে। আপনার মতামত এবং সঠিক তথ্য দিয়ে আপনিও লিখুন অথবা লেখা পাঠান। লেখা পাঠাতে কিংবা যেকোন ধরনের প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন - jumjournal@gmail.com এই ঠিকানায়।

আরও কিছু লেখা