Jumjournal Logo

জাতীয় সংসদে এম এন লারমা: মেডিকেল কলেজে চর্ম ও যৌনরোগের অধ্যাপক (২২ জানুয়ারি, ১৯৭৪)

Last updated Sep 23rd, 2026

0

Featured image

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিতর্ক — খণ্ড ১ সংখ্যা ৫
তারিখ: মঙ্গলবার, ২২ জানুয়ারি, ১৯৭৪
বিষয়: মেডিকেল কলেজ ও অধ্যাপক


শ্রী লারমা : জনাব ময়নুদ্দিন আহমদের অনুপস্থিতিতে আমি তাঁর প্রশ্ন উত্থাপনের অনুমতি প্রার্থনা করছি।

জনাব ডেপুটি স্পিকার : আপনি প্রশ্ন করুন।

শ্রী লারমা (জনাব ময়নুদ্দিন আহমদের পক্ষে) : স্বাস্থ্য বিভাগের মন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি

(ক) বাংলাদেশে কোন কোন মেডিকেল কলেজে চর্ম ও যৌনরোগের অধ্যাপক আছেন;

(খ) ইহা সত্য কিনা যে, স্বাধীনতার পর চর্ম ও যৌনরোগ ব্যাপক হারে বাড়িয়া গিয়াছে;

(গ) পি.জি. ইনস্টিটিউট হইতে পাশ করা চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে নিয়োগ করার ইচ্ছা সরকারে আছে কিনা; না থাকিলে উহার কারণ কি; এবং

(ঘ) চর্ম ও যৌন রোগ প্রতিকারের কোন ব্যবস্থা সরকার গ্রহণ করিয়াছেন কিনা; করিয়া থাকিলে, উহা কি ?

জনাব আব্দুল মান্নান : (ক) আই.পি.জি.এম. এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজসমূহে আছেন।

(খ) যুদ্ধোত্তর কালে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছিল।

(গ) হ্যাঁ।

(ঘ) হ্যাঁ, (ক)-এর উত্তরে বর্ণিত মেডিকেল কলেজগুলি ছাড়াও খুলনা ও কুমিল্লাস্থিত ভি.ডি. ক্লিনিক-এ এবং চট্টগ্রামের ভি.ডি. ক্লিনিক ও স্কিন এন্ড সোসিয়েল হাইজিন কেন্দ্রের মাধ্যমে চর্ম ও যৌনরোগ প্রতিকারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়ে থাকে। তাছাড়া সকল সরকারি হাসপাতালেই চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে।

শ্রী লারমা : সম্পূরক প্রশ্ন; মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় তাঁর (খ) প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন, ‘যুদ্ধোত্তরকালে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছিল।’ মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় দয়া করে বলবেন কি, এই চর্ম, যৌনরোগ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ কি?

জনাব আব্দুল মান্নান : এর অনেক কারণ আছে। তাছাড়া সদ্য স্বাধীনতা-উত্তরকালে যুদ্ধের পরিণতি হিসেবে ভি.ডি. হয়ে থাকে। সর্বযুগে, সর্বদেশে, সর্বকালে যুদ্ধের পরে এ রোগ হয়েছে, এখানেও হয়েছে।

প্রসঙ্গ:এমএন লারমা, জুম্ম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা

জুমজার্নালে প্রকাশিত লেখাসমূহে তথ্যমূলক ভুল-ভ্রান্তি থেকে যেতে পারে অথবা যেকোন লেখার সাথে আপনার ভিন্নমত থাকতে পারে। আপনার মতামত এবং সঠিক তথ্য দিয়ে আপনিও লিখুন অথবা লেখা পাঠান। লেখা পাঠাতে কিংবা যেকোন ধরনের প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন - jumjournal@gmail.com এই ঠিকানায়।

আরও কিছু লেখা