ত্রিপুরাব্দ নিয়ে কিছু কথা

0
133

পৃথিবীর প্রাচীন সুসভ্য ও ইতিহাসসমৃদ্ধ জাতি গোষ্ঠীর ন্যায় ত্রিপুরা জাতির ও নিজস্ব একটি দিনপুঞ্জী বা বর্ষপঞ্জী প্রচলিত রয়েছে, যা ‘ত্রিপুরাব্দ’ বা সংক্ষেপে ‘ত্রিং’ নামে পরিচিত। ‘ত্রিং’ স্বাধীন ত্রিপুরা জাতির প্রাচীন সভ্যতার এক ঐতিহাসিক দলিল। ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজগুলোতে তৎকালে যে ক’টি বর্ষপঞ্জী প্রবর্তিত হয়েছিল তৎমধ্যে ‘ত্রিপুরাব্দ’ অধিকতর উল্লেখযোগ্য এবং বহুল প্রচারিত।

‘ত্রিপুরাব্দ’ নিয়ে কিছু একটা লিখতে গেলে সর্ব প্রথম যে বিষয়টি আলোচনা করা দরকার সেটি হলো ত্রিপুরা জাতির প্রাচীন ইতিহাস ও ঐতিহ্য। ত্রিপুরা রাজ্যের ইতিহাস অতি প্রাচীন। মহাভারতের যুগে এই রাজ্যের নাম ছিল ‘কিরাতদেশ’। (মহাভারত সভাপর্ব-৬২,অঃ ৮-৯ শ্লোক)

কিরাতদেশ অনার্য অধ্যুষিত একটি অঞ্চল। উন্নত নাসা আর্যদের চোখে এ অঞ্চলটি ছিল প্রধান দু’টি নরগোষ্ঠীর প্রাচীনতম আবাস্থল। তার একটি হলো অনার্য মোঙ্গল নরগোষ্ঠী এবং অপরটি আস্ট্রিক নরগোষ্ঠী।

‘ত্রিপুরা’ মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর বোডো বা বোরো গ্রপের একটি শাখা। এ বোডো জনগোষ্ঠী আদিতে তিব্বত অঞ্চলে বসবাস করতো। পরে তারা বিভিন্ন সময়ে সময়ে ব্রক্ষপুত্র নদীর অববাহিকা অঞ্চল ধরে দক্ষিণে সরে আসতে আসতে এক পর্যায়ে অন্য এক শাখা বর্মীদের সাথে তাদের সংমিশ্রণ ঘটে। এ বর্মীরাও মঙ্গোলীয় সাম (মতান্তরে শ্যাম) সংমিশ্রনের ফলে যে তিব্বতে বর্মন (Tibeto Barman) বা ভোটবর্মী জনগোষ্ঠীর উদ্ভব ঘটে বর্তমানের ‘ত্রিপুরা’ জনগোষ্ঠী তারই অন্তর্গত।

স্বনামধন্য প্রয়াত বীরেন্দ্র কিশোর রোয়াযা মহোদয়ের মতে তিব্বতের পূর্ব নাম ‘তিপেত’ ছিল। সুতরাং ‘তিব্বতীরা’ বোঝাতে তিপেতরাও বলা হতো। আর তিপেতরাও থেকে তিপেরা >তিপারা >তিপ্রা > ত্রিপুরা নামের উৎপত্তি।
‘ত্রিপুরা’ এ উপ মহাদেশের পূর্বাদেশের পূর্বাঞ্চলীয় শক্তি বিচারে অতীতে বিশেষ প্রতাপশালী এক জাতি।তার রাজ্যশক্তির আধিপত্য বা প্রভাব ও পার্বত্যঞ্চলসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন স্থানে অতীতে বিস্তার লাভ করেছিল। রাজ্য বিস্তার সর্ম্পকে আগরতলার জেলা প্রশাশক সায়গল তাঁর ‘ত্রিপুরা’ নামক পুস্তকে উল্লেখ করেন-
‌”At the height of its glory the Tripura empire spread beyond the Gangs towards the west to the Brahmaputra towards the north,to manipur in the east and the Bay of Bengal in the south, It held the Garo, Lusai and Khisia areas the largest part of Brahmaputra valley.” বৃটিশ আমলে এ রাজ্য পার্বত্য ত্রিপুরা অর্থাৎ Hill Teapparah আখ্যা পায়।

বিগত ১৯৪৯ সালের ১৫ অক্টোবর ভারত ইউনিয়নে অন্তর্ভূক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে ত্রিপুরা’ তার স্বাধীনতাকে হারায়।আর তখন থেকে ত্রিপুরা রাজ্য’ ভারতের একটি অঙ্গরাজ্য হিসেবে শাসিত হয়ে আসছে।
‌ত্রিপুরা জাতির নিজস্ব ইতিহাস পাওয়া যায় যার মুদ্রিত রূপ ‘শ্রী রাজমালা’। ত্রিপুরা জাতির বহু অতীত তথ্যে সমৃদ্ধ ‘শ্রীরাজমালা’য় ত্রিপুরা সন পবর্তন সর্ম্পকে বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়।

ত্রিপুরাব্দ প্রবর্তিত হয়েছিল ত্রিপুরা জাতির প্রাচীন সভ্যতা ও গৌরবময় সময়কালকে কেন্দ্র করে।ত্রিপুরার মহাপরাক্রমশালী রাজা ‘হিমতফা’ ওরফে ঝুযারুফা ত্রিপুরাব্দের প্রবর্তক। তিনি ৫৯০খ্রীস্টাব্দে এ সন প্রবর্তন করেন। তখন তাঁর রাজধানী ছিল আসামের খলংমাতে বর্তমান বরক নদী তীরবর্তী নলবাী জেলায়। মহারাজ হিমতিফা কতৃক রাঙ্গামাটি বিজয় একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। তিনি রাঙ্গামাটি অঞ্চলের অধীশ্বর মগ জাতিভূক্ত’লিকা’ রাজাকে পরাজিত করে তথায় স্থায়ী রাজ্যপাঠ স্থাপন করেন।
রাজমালার বিবরণে পাওয়া যায়-
——-রাঙ্গামাটি দেশে।
ত্রিপুরায়ে লৈল গড় লিকা ভঙ্গ শেষে
এই মতে রাঙ্গামাটি ত্রিপুরে পাইল
নৃপতি ঝুযার পাট তথাতে করিল।
ত্রিপুরা সন প্রবর্তন সর্ম্পকে কথিত আছে যে, মহারাজ হিমতিফার রাজত্বকালে ত্রিপুরা জাতি সমৃদ্ধির চরম গৌরবময় সময়কালকে বিশ্ব বুকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য তিনি ‘ত্রিপুরা সন’ প্রবর্তন করেন।

এক সময় ভারতবর্ষের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজগুলোতে ত্রিপুরা সনের এক চেটিয়া প্রভাব ছিল এবং রাষ্ট্রীয় ও জনজীবনে এ সন ব্যাপকভাবে অনুসৃত হতো। তার কারণ হলো ‘ত্রিপুরাব্দ’ রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রবর্তিত হয়েছিল। ত্রিপুরাব্দকে ঘিরেই দেশের কৃষক ও জুমিয়া সমাজ জমিতে ফসল বোনা থেকে শুরু করে ফসল কাটা,নবান্নের উৎসবের আয়েজন করা, নানাবিধ সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবাদি পালন করতেন। সরকারী অফিস, আদালত, খাঝনা আদায় ইত্যাদি কাজে ত্রিপুরাব্দের ব্যাপক প্রচলন ছিল।

বৃটিশ শাসনামলে তৎকালীন বাংলাদেশের জনপদগুলোতে ত্রিপুরা সনের ব্যবহারের ব্যাপকতা লক্ষ্য করা যায়। আমরা যদি বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট,কুমিল্লা, নোয়াখালী,চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলার পুরনো নথিপত্র এবং দলিল- দস্তাবেজ দেখি তাহলে সেখানেও ত্রিপুরাব্দের ব্যবহার দেখা যাবে। শুধু তাই নয়, ঐসব অঞ্চলে এখনও ত্রিপুরা কানি, ত্রিপুরা জরিপ, ত্রিপুরা আঁড়ি ত্রিপুরা বর্গা ইত্যাদি মাপ-জোক বন্টন নিয়ম প্রচলিত রয়েছে। বিগত সত্তর দশকে ও পাবর্ত্যাঞ্চলের রাজারা প্রজাদের কাছ থেকে বাৎসরিক খাজনাদি গ্রহন এবং রাজ পূন্যাহ্দি সম্পাদন করতেন ত্রিপুরা সন অনুযায়ী। বর্তমানকালে ত্রিপুরাসন ত্রিপুরা মধ্যে কিছু ব্যবহার ছাড়া আর কোথাও তেমন প্রচলন দেখা যায়না। ত্রিপুরা রাজ্যে সরকারীভাবে ত্রিপুরাব্দের অবলুপ্তির ইতিহাস পায় ২০/২৫ বছরের। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো, গত বছরে বাংলাদেশের কয়েকটি ডাইরেক্টরী পঞ্জিকায় দেখা গেছে যে, ত্রিপুরাব্দকে বঙ্গাব্দ থেকে তিন বছরের কম করে ছাপা হয়েছে। কিন্তু সত্যটি হলো ঠিক তার উল্টোটাই অর্থাৎ বঙ্গাব্দই ত্রিপুরাব্দ থেকে তিন বছরের কনিষ্ঠ। এটা নিঃসন্দেহে একটি জাতির জন্য খুবই দুঃখজনক একটি ঘটনা। এরূপ ভুল কারো জন্য কাম্য নয়। এরূপ ভুল যাতে পুনর্বার ঘটতে না পারে এ ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

ত্রিপুরাব্দের ঐতিহাসিক ভিত্তি ও দিনপঞ্জি রচনা সম্পর্কে ভারতের ত্রিপুরারাজ্য ও বাংলাদেশের অনেক লেখক, বুদ্ধিজীবি বিভিন্ন তথ্য ও তথ্যাদি উপস্থাপন করে এ যাবৎ যে সমস্ত লেখা লিখেছেন তারা প্রত্যেকেই নিজের মতামতকেই বেশী প্রাধান্য দেওয়ায় আজ পর্যন্ত তারা সর্বজন গ্রহণযোগ্য একটি “অব্দ” প্রচলনের নিয়ম এখনও জনগণকে উপহার দিতে পারেনি।
১৯৯১ সালের ১লা ডিসেম্বর “ত্রিং” নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছিল আগরতলা টি.পি.এস.সি হল রুমে। সেমিনারটি আয়োজনের জন্য বিগত ২৫শে আগস্ট ১৯৯১ ইং মহারাজ কুমার সহদেব বিক্রম কিশোর দেববর্মার বাসভবনে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজক ছিল “ত্রিপুরা ট্রাইবেল সোসিও-কালচারাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন”। উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের পরামর্শক্রমে ‘ত্রিং’ এর ঐতিহাসিক তথ্য এবং তথ্যাদি সংগ্রহের নিমিত্তে শ্রী অনন্ত দেব বর্মার নেতৃত্বে একটি প্রিপারেটরী কমিটি গঠন করা হয়েছিল এবং লাগাতার তিনমাস যাবত ত্রিং-এর ঐতিহাসিক তথ্যাদি সংগ্রহ করা হয়। মূলতঃ চারটি বিষয় নিয়ে সংগ্রহযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এগুলো হচ্ছে-
১. ‘ত্রিং’ বা ত্রিপুরাব্দের ঐতিহাসিক ভিত্তি কি?
২. ককবরকে ঋতু, মাস, সপ্তাহ এবং দিনের নাম আছে কি?
৩. ‘ত্রিং’ -এর নববর্ষ কবে অথবা কোন সময়ে হওয়া উচিত?
৪. ‘ত্রিং’ -এর দিনপঞ্জী কিভাবে রচনা করা হবে?

বলা যেতে পারে যে, সেসব বিষয়গুলোর ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য ‘অব্দ’ রচনার লক্ষ্যে কতগুলো প্রস্তাব গৃহীত হয়। সভায় লিখিত প্রস্তাবগুলো সংক্ষিপ্তাকারে আলোচনার চেষ্টা করা হলো-
ত্রিং এর ঐতিহাসিক সত্যতার ব্যাপারে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই, রাজমালা এবং অন্যান্য সংগৃহীত তথ্যাদি এটাই প্রমাণ করে। বরং ত্রিং-এর প্রাচীনত্ব আরো পুর্বেও হতে পারে। তা পরবর্তী কালের গবেষণা সাপেক্ষ।

ক. ‘ঋতু’কে ককবরকে ‘মল’ বলে।
খ. ‘সপ্তাহ’কে ককবরকে ‘হাথি’ বলে।
গ. ‘মাস’কে ককবরকে ‘তাল’ বলে।
ঘ. ‘দিন’কে ককবরকে ‘সাল’ বলে।

ক. মল সাধারণতঃ চার প্রকারের হয়ে থাকে। যেমনঃ- (১) মাইসিঙ-শীত, (২) তুংব্লাঙ-গ্রীষ্ম, (৩) উাতৈ-বর্ষা, (৪) সাচলাঙ-শরৎ।

খ.’হাথি’ (সপ্তাহ) সাত দিনেই গনণা করা হয়। যেমনঃ ‘সাল'(দিন) গুলোর নাম নিম্নরূপ –
১. ককতিসাল- রবিবার, ২. তাঙসাল- সোমবার, ৩. ক্রাকসাল- মঙ্গলবার, ৪. স্রাঙসাল- বুধবার, ৫. সাঙগ্রঙসাল – বৃহস্পতিবার, ৬. ফাসাল- শুক্রবার, ৭. চাসাল- শনিবার।
‌সংক্ষেপে বলতে গেলে দাঁড়ায় – ককতি, তাঙ, ক্রাক, স্রাঙ, সাঙগ্রঙ, ফা, চা।

গ. ‘তাল'(মাস) মোট বারো প্রকারের। যেমনঃ
১. তালহিং-পৈাষ, ২. তালরুং-মাঘ ৩. তালস্লাঙ-ফাল্গুন, ৪. তালাং -চৈত্র, ৫. তালতুং-বৈশাখ, ৬. তালক্রান-জ্যৈষ্ঠ, ৭. তালয়ুং-আষাঢ়, ৮. তালতুক-শ্রাবণ ৯. তালবাং-ভাদ্র, ১০. তালুমায়-অাশ্বিন, ১১. তাল উাঙ-কার্তিক, ১২. তালবুং -অগ্রহায়ন।
সংক্ষেপে বলতে গেলে দাঁড়ায়-হিং, রুং, স্লাং, আং, তুং, ক্রান, য়ুং, তুক, বাং, উমায়, উাং, বুং।

‘ত্রিং’-এর নববর্ষের দিন -তারিখ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ‘হুগ’ ভিত্তিক জীবন যাত্রার গুরুত্ব অনুধাবন করে ‘ শকাব্দ’ গননা পদ্ধতিকে যুক্তিযুক্ত মনে করে গ্রহন করা হয়েছে। কেননা এটা অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক এবং এটি থেকে ৫১২ বছর প্রাচীন। তাছাড়া এটা বারতীয় অব্দতো বটেই।এছাড়া ঐতিহাসিক তথ্য ও রাজমালার উপর ভিত্তি করে দেখা গেছে যে, শকাব্দের সাথে ত্রিপুরাব্দের সুসম্পর্ক রয়েছে। ১লা চৈত্র হলো শকাব্দের নববর্ষ। কিন্তুু সংগৃহীত তথ্যাদিতে যেহেতু ত্রিপুরারা বংশ পরস্পরায় হুগনির্ভর জীবন ব্যবস্থায় বিশ্বাসী, সেহেতু সবাই হুগভিত্তিক নববর্ষের পক্ষপাতি। তাই পৈাষমাস ও অগ্রহায়ন মাস বা ডিসেম্বর মাসের একটু আগে অথবা পরে বরকগোষ্ঠীর হুগভিত্তিক অর্থ-বছরের শুরুর দিককে অর্থাৎ ১লা পৈাষ তথা ২২শে ডিসেম্বর কোন সালে ও দিনটির হেরফের হয়না।

এ হিসাব মতে, ত্রিং-এর দিনপঞ্জি শকাব্দের গনণাগত পদ্ধতিতেইকরা হয়েছে, যা নিম্নরুপ-
১. তালহিং-৩০দিন, ২. তালরুং-৩০দিন, ৩. তালস্লাঙ-৩০দিন, ৪. তালাং-৩০দিন, ৫. তালতুক-৩১দিন, ৬. তালক্রান-৩১দিন, ৭. তালয়ুং-৩১দিন, ১১. তালউাঙ-৩০দিন, ১২. তালবুং-৩০দিন, মোট = ৩৬৫দিন।

এ হিসেব মতে এখন ত্রিপুরাব্দ চলছে ১৪০৭ সাল। ত্রিপুরার ইতিহাস অত্যন্ত গৈারবান্বিত ও প্রাচীন ইতিহাস। কিন্তুু বলতে দ্ধিধা নেই যে, আমরা নিজের ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি সম্বন্ধে চরম অবহেলা এবং অসচেতনতায় নিজেদের অব্দকে সঠিক মূল্যায়ন করতে ব্যর্থ হচ্ছি। মাতৃভাষায় অহংকারকে ধুয়ে মুছে আমরা বৈমাত্রেয় বিজাতীয় ভাষা,অব্দকে নিয়েই যেন বেশী মাত্রায় উৎসাহী। নিজের কৃষ্টিগত, ঐতিহ্যগত ত্রিপুরাব্দ’কে নিয়ে আমাদের একটুও মাথা ব্যাথা নেই, নেই কোনো চিন্তা। তাই আজ ত্রিপুরার প্রচলিত একটি অব্দকে পূনঃপ্রচলনের সময় এসেছে। আমাদের উচিত হবে ঐতিহাসিক সভ্যতার ভিত্তিতে বৃহত্তর চিন্তাকেই গ্রহন করে নেয়া।


লেখকঃ অপুল ত্রিপুরা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here