নির্বাসন থেকে ফিরে দেখাঃ এক চাকমা ব্যক্তির অভিজ্ঞতা (পর্ব ০২)

0
547

এই পর্বে বর্ণিত আছে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের অবস্থা, মুক্তিযুদ্ধে জুম্ম আদিবাসীদের অংশগ্রহণে বাঙালিদের বাঁধা দান, ত্রিদিব রায়ের পাকিস্তান পক্ষাবলম্বনের কারণ এবং মুক্তিযুদ্ধে জুম্ম আদিবাসীদের সহায়তার বিস্মৃত ইতিহাস

রাঙামাটি থেকে আগরতলার উদ্দেশ্যে আমার প্রথম যাত্রা:    

১৯৭১ সালে আমি ছাত্রাবস্থায় ঢাকায় অবস্থান করছিলাম। আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিয়ে আমি ৮ই মার্চ ঢাকা ত্যাগ করি।

আদিবাসী জনগোষ্ঠী স্বতস্ফূর্তভাবে আওয়ামী লীগের আহবান করা অসহযোগ আন্দোলনে সমর্থন দেয়। আওয়ামী লীগের নায্য দাবিতে সমর্থন থাকা সত্ত্বেও জাতীয় নির্বাচনে দলটি পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে কোনো আসনে জয়লাভ করতে ব্যর্থ হয়।

২৫শে মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতারের পরপরই এ আন্দোলনটি বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের আন্দোলন হিসেবে রূপলাভ করে।

এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী নেতৃবৃন্দ আওয়ামী লীগের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করে। আমার স্মরণে আছে শ্রী এম এন লারমা[1] মুক্তিযুদ্ধকালীন দাতব্য তহবিল গঠনে কাজ করছিলেন। কিন্তু কিছুদিনের মাঝেই বাঙালি ও পাহাড়িদের মাঝে অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি হয়।

তৎকালীন কোনো আদিবাসী নেতাকেই নেতৃত্বের পদ দেওয়া হয় নি। আমার ছোট ভ্রাতা এবং একজন জ্যাঠাতো ভাই উভয়েই রাইফেল বা অস্ত্র চালনা প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণ করেছিল। এটি আয়োজন করা হয় আওয়ামী লীগ এবং স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক। কিন্তু তাদের অভিযোগ, বাঙালি যুবকেরা সত্যিকার রাইফেল নিয়ে প্রশিক্ষণ নিলেও আদিবাসী যুবকদের দেওয়া হয় কাঠের তৈরি ডামী রাইফেল (Dummy Rifle)।

যুদ্ধের এক পর্যায়ে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর হাতে চট্টগ্রামের পতন হয়। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ এবং বাঙালি বিদ্রোহী সামরিক অফিসারগণ রাঙ্গামাটি হয়ে ভারতে চলে যান। যাওয়ার সময় তারা রাঙ্গামাটি ট্রেজারির সকল টাকা সাথে নেন।

এমনকি বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমান (যিনি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ছিলেন একজন মেজর পদস্থ কর্মকর্তা) পার্বত্য চট্টগ্রামের ভিতর দিয়ে ভারতে পালিয়ে যান। চাকমা এবং অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর লোকজন তাদেরকে খাদ্য ও আশ্রয় দিয়ে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারত পৌঁছাতে সাহায্য করে। 

ছায়াচিত্রে কাপ্তাই হ্রদ,
Photo Courtesy: Genocide in the Chittagong Hill Tracts, Bangladesh, Wolfgang Mey (ed.), IWGIA Document 51

উক্ত ব্যাপারে আমি একটা ঘটনার বিবরণ দেব। আশা করি তা প্রসঙ্গের সাথে অতটুকু অপ্রাসঙ্গিক হবে না।

জনাব জিয়াউর রহমানকে ভারত বর্ডার পার করে দেওয়ার জন্য প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করেছিলেন শ্রী মৃগাঙ্ক চাকমা নামে একজন পাহাড়ি। তিনি ছিলেন কমলছড়ি গ্রামের বাসিন্দা।

তিনি জনাব জিয়াকে নিজের পিঠে করে নদী পার করে দিয়েছিলেন বলে জানা যায়। বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৭৮ সালে এই শ্রী মৃগাঙ্ক চাকমাই জিয়ার অনুগত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের হাতে শান্তিবাহিনী সদস্য সন্দেহে আটক এবং নিহত হন।

বিজু উৎসব পালনের পরপরই আমরাও ভারতীয় সীমান্তের দিকে অগ্রসর হতে থাকি। সেখানে আমাদের এক জ্যাঠা ছিলেন। আমরা তার বাড়িতে এক রাত থাকি এবং ভারতে থাকা তার কিছু বন্ধুর ঠিকানা সংগ্রহ করি।

এরপর পায়ে হেঁটে আমাদের যাত্রা শুরু হয়। আমার জ্যাঠার পরামর্শ মোতাবেক উত্তরের পাহাড়গুলো পার হয়ে যাওয়া ছিল ভারতের আগরতলা পৌছাবার সবচেয়ে সহজ উপায়।

পাহাড় পার হলে সামনেই বিস্তীর্ণ ভারত সীমান্ত। পাহাড়টি পার হওয়া ছিল আমার জীবনের সবথেকে ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপজ্জনক অভিজ্ঞতা। রীতিমত এক গ্রীষ্মমণ্ডলীয় উত্তপ্ত ঘন জঙ্গলের মধ্য দিয়ে আমরা পাহাড়ের আঁকাবাঁকা ও সরু পথ ধরে হেটে যাচ্ছিলাম।

আমরা এ পাহাড়ের ঢালের মানববসতির চিহ্ন দেখে যারপরনাই বিষ্মিত হই। কিছু সংখ্যক চাকমা ও ত্রিপুরাদের বসবাস ছিল সেখানে। মূলত এরা ভূমিহীন চাষী। আমরা দুটো পাহাড় পার হই। যার মধ্যে একটি পাহাড় এতটাই খাড়া যে একটা মাত্র ভুল পদক্ষেপে এক হাজার ফুট নিচে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল।

১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল তারিখে আমরা সীমান্তে পৌঁছাতে সক্ষম হই। এরপর আমরা সীমান্তের নিকটবর্তী একজন চাকমা ব্যক্তির বাড়িতে আশ্রয় নিই। তিনি একজন সজ্জন ব্যক্তি ছিলেন। তার বাড়িতে আমরা খাবার ও পানি গ্রহণ করি এবং বিশ্রাম নিই।

তিনি আমাদের কি করে সীমান্ত পার হতে হবে সেই পরামর্শও প্রদান করেন। আমাদের হাতে তখন ছিল বাংলাদেশী মুদ্রা টাকা। তার সহায়তায় আমরা টাকাগুলোকে ভারতীয় মুদ্রা বা রূপির সাথে বদলিয়ে নিই।

আমরা স্থানীয় আওয়ামী লীগ অফিসে আমাদের নাম ঠিকানা লিপিবদ্ধ করিয়ে ছাড়পত্র নিয়ে নিই। এ কাগজ ছাড়া বিএসএফ (ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী) কাউকে বর্ডার পার হতে দেয় না।

এপ্রিলের শেষ সপ্তাহ নাগাদ আমরা ভারত সীমান্ত পার হই এবং সীমান্তের অন্য পারের নিকটবর্তী বিএসএফ চেকপোস্টে যোগাযোগ করি। গোটা সীমান্ত এলাকা জুড়েই ছিল মারমা সম্প্রদায়ের গ্রাম। আমরা লক্ষ্য করেছি যে তাদের স্বভাব অত্যন্ত নম্র।

আমরা অবশেষে আগরতলা শহরে পৌঁছাই। সেখানে আমাদের এক দূরসম্পর্কীয় আত্মীয়ের বাড়ি খুজে বের করতে সক্ষম হই। আমাদের আত্মীয় আর্থিকভাবে কিছুটা অসচ্ছল হলেও তিনি আমাদেরকে সাদরেই বরণ করে নেন।

আমরা ভেবেচিন্তে বুঝতে পারি যে কারো আশ্রয়ে থাকা উচিত নয়। সিদ্ধান্ত হয় নিজেরাই নিজেদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করে নেওয়ার। আমরা চারদিকে অসংখ্য চাকমা সম্প্রদায়ের শরনার্থীর দেখা পাই।

তাদের সাথে আমাদের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথাবার্তা হয়। আমাদের আগরতলা পৌছাবার পরদিনই আমরা একজন চাকমা ব্যক্তির বাড়িতে নিমন্ত্রণ পাই। সে ব্যক্তি ছিলেন আমার সফরসঙ্গী বন্ধুবরের একজন আত্মীয়।

চাকমারা সাধারণত দূর থেকে আসা আত্মীয়দেরকে নিজেদের বাড়িতে আমন্ত্রণ জানায় এবং নানান খাদ্যদ্রব্যের সাথে আপ্যায়ন করে। এটি চাকমা সম্প্রদায়ের একটি প্রথা। যার মাধ্যমে আমাদের পারষ্পরিক বন্ধন আরো সুদৃঢ় হয়।

কর্ণফুলী পেপার মিল, Photo Courtesy: Philip Gain

আমরা ইতোমধ্যে জানতে পারি যে আগরতলায় আওয়ামী লীগ একটি কার্যালয় স্থাপন করেছে। তারা কার্যালয়ের মাধ্যমে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ এবং তাদের সমন্বয় করা হচ্ছিল। আমরা সে সময়কালে কোনো কাজ খুঁজে পাচ্ছিলাম না।

হাত গুটিয়ে বসে না থেকে আমরা সেখানে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যোগ দেওয়ার সংকল্প করলাম। একদিন আমাদের এক বন্ধু স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যোগদান করতে গিয়ে তার অভিজ্ঞতা আমাদের ব্যক্ত করে। “তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা কিংবা অন্য কোনো সম্প্রদায়ের কাউকেই স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে গ্রহণ করে না”- তার এ বক্তব্যে হতাশার সুর ছিল লক্ষণীয়।

এর প্রেক্ষিতে আমরা সকলে অনেক আশাহত হই। রাঙামাটি ফিরে গিয়ে নিজেদের বাড়িতে নিজেদের খাবার খেয়ে দিনাতিপাত করার চিন্তাও করতে থাকি। তখন অতিথী হিসেবে আত্মীয়ের বাড়িতে এতদিন থাকাটা বেমানান মনে হচ্ছিল।

যদিও আমাদেরকে তারা সাদরে গ্রহণ করেছিলেন এবং আতিথেয়তা ও আপ্যায়নের কোনো কমতি রাখেন নি। আমাদের আত্মীয়ের বাড়িতে পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে এসে অনেকেই উপস্থিত হতেন।

কিন্তু আমাদের অবস্থানরত দেখে তারা দু একদিনের মধ্যেই চলে যেতেন।  “যা হবে তাই হোক, আমরা ফিরেই যাব” – অবশেষে আমরা এ সংকল্প নিই।

পাকিস্তানের শাসনাধীন অসহায়ত্ব:

আমরা যে রাস্তায় ভারতে পালিয়েছিলাম ঠিক সেই রাস্তা দিয়েই পার্বত্য চট্টগ্রামে ফিরে আসি। তবে আমরা বিএসএফ জওয়ানদের সন্তর্পনে এড়িয়ে যাই। আমরা জঙ্গলের ভিতর দিয়ে সীমান্ত পার হয়ে ভারত ত্যাগ করি।

এ সময় স্থানীয় লোকজন আমাদেরকে সহায়তা করে। আমরা আবারো সেই কলজে কাঁপানো খাড়া ও উঁচু পাহাড় অতিক্রম করি। আমার কনিষ্ঠ ভ্রাতা এবং বন্ধুদেরকে আত্মীয়স্বজনের কাছে রেখে আমি রাঙামাটি এসে পৌঁছাই।

আমাকে এবং অন্যান্য যাত্রীদের বহনকারী স্টিমারটি ডিসি ঘাটে এসে ভিড়তেই কিছু সৈন্য এসে যাত্রীদের তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদে শুরু করে। কয়েকজনকে ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে আরো জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিছুসংখ্যক যাত্রীকে আটক করা হয়।

আমি একজন ছাত্র তা জানার পর একজন সৈন্য আমাকে আঘাত করে। কিন্তু আমাকে তারা আটকায় নি। আমি বাড়ি ফিরি এবং বাবা মা ও ভাইবোনদের সুস্থ ও নিরাপদেই দেখতে পাই।

তবে আমার ছোট ভাইকে (তৎকালীন রাঙামাটি কলেজের ছাত্র) প্রতিদিন সামরিক বাহিনীর ক্যাম্পে হাজিরা দিয়ে আসতে হত। শুধু তাই নয়, আমার পিতার বন্দুকটিও তারা বাজেয়াপ্ত করেছিল।

জ্বালানি কাঠ সংগ্রহকারী জুম্ম আদিবাসী নারীবৃন্দ,
Photo Courtesy: Philip Gain

আমি আমার প্রত্যক্ষ করা অভিজ্ঞতা সবাইকে জানাই। আমি জানতে পারি যে চাকমা রাজা টি রায়  (ত্রিদিব রায়) এর ভূমিকার জন্য বেসামরিক জনগণ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আক্রমণ থেকে রক্ষা পেয়েছে। এ কথা আমি আমার পিতামাতা এবং অন্যান্য আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে জানতে পারি।

স্বাধীনতা সংগ্রামের সকল নেতা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর রাজা ত্রিদিব রায় একটি সভা আহবান করেন। এখানে রাঙামাটির আদিবাসী ও অ-আদিবাসী সকলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীকে রাঙামাটি শহরে প্রবেশের আহবান জানানো হবে।

রাজা ত্রিদিব রায় ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের নেতারা একত্রে গিয়ে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীকে সাদরে অভ্যর্থনা জানায়। শহরে প্রবেশ করে পাক বাহিনী অনেককে হত্যা করে এটা ঠিক। কিন্তু তারা আদিবাসী ও মুসলিম যারা আওয়ামী লীগ সমর্থক নয় তাদের কোনো ক্ষতি করেনি।

কয়েক মাস কেটে যায়। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ঘোষণা দিয়ে পুনরায় শুরু হয়।  শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উপস্থিত হওয়ার অনুরোধ জানানো হতে থাকে। এ অবস্থায় আমি দোটানায় পড়ে যায়।

আমি যদি নির্দেশ অমান্য করে রাঙামাটি থেকে যাই তখন সেনাবাহিনী আমাকে আটক করতে পারে কেননা আমি ঢাকার একজন ছাত্র। তার উপর আমার ফাইনাল পরীক্ষার দিনতারিখও ঘোষিত হয়। আমি পিতামাতার সাথে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিই ঢাকা চলে গিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাবার।

এদিকে মুক্তিবাহিনীর আক্রমণে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা যাওয়ার রাস্তা ধ্বংস হয়। উপায় না থাকায় আমি বিমানে করে ঢাকা এসে পৌঁছাই।

ক্লাসে আমি খুব অল্প সংখ্যক শিক্ষার্থীরই দেখা পাই, বেশিরভাগই ছিল অনুপস্থিত। একদিন শ্রেণীকক্ষে একটি বোমা বিস্ফোরিত হয়। শত প্রতিকূলতার মাঝেও আমি আমার বিএ ডিগ্রীর জন্য প্রস্তুতি চালিয়ে যেতে থাকি।

(চলবে…)


[1] চাকমা জাতিগোষ্ঠীর একজন সংসদ সদস্য। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ১৯৭১-১৯৭৪/১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সংসদে উপস্থিত ছিলেন। তিনি ১৯৭৫ সালের দিকে আত্মগোপনে চলে যান এবং ১৯৮৩ সালের নভেম্বরে শান্তিবাহিনী অভ্যন্তরীন অন্তর্দ্বন্দ্বে নিহত হন।


১ম পর্বের লিংক


মূল লেখাটি প্রকাশিত হয়েছেঃ Genocide in the Chittagong Hill Tracts, Bangladesh, Wolfgang Mey (ed.), IWGIA Document 51

লেখকঃ এ.বি. চাকমা (ছদ্মনাম)

লেখাটির অনুবাদকারীঃ সায়ক চাকমা, আইন বিভাগের শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here