শ্মশান লোকের কান্না

0
46

শরৎকাল। শরতের আকাশে তুলা সদৃশ মেঘ উড়াউড়ি করছে। আমাদের গ্রামের পাশে অবস্থিত তুইহির ঝিড়ি দু’পাড়ে কাঁশবনের ফুলে সাদা হয়েছে। ঝিঝির আশেপাশে গাছের উপর সাদা বকগুলো বসে আসে। অনেকে বকগুলোকে দেখে কাঁশবনের ফুল, আবার অনেকে কাঁশবনের ফুলকে বক বলে ভুল করে ফেলে এবং ভুল করাও স্বাভাবিক ছিল। এমন সময় এক দুপুরে আমাদের গ্রামের রেংরো চিৎকার করতে থাকে। তার চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা তার দিকে গেলেন। সেখানে গিয়ে জানতে পারলেন- আমাদের গ্রামের দুইলিয়া নামে পাগল লোক তাকে বেত্রাঘাত করছে। গ্রামবাসী দুইলিয়াকে শান্ত করতে চাইলেন কিন্তু সে কারো কথা শুনল না। সে রেংরোকে বেত্রাঘাত করতে লাগল। পরে দুইলিয়ার মা সংরুম এসে তাকে শান্ত করল। দুইলিয়া গ্রামের অনান্য কোন লোককে ভয় করত না। এমনকি তার বাবা দেওতুইকেও ভয় করতো না। তবে তার মা সংরুমকে ভীষন ভয় করতো। পাগল হলেও মায়ের কথা অমান্য করতো না।

 

আমাদের গ্রামের আরেকজন পাগল লোক ছিল, তার নাম লাংকুই। দুইলিয়া শরীরে কাপড় পরিধান করলেও লাংকুই শরীরে কোন রকম কাপড় পরিধান করতো না। কোন কোন সময় জীবন্ত মুরগির বাচ্চা খেয়ে ফেলত। গ্রামবাসীদের কাছ থেকে জানতে পারা যায়, তারা যখন পাগল হতে শুরু করে তখন নাকি তাদের পিতা-মাতা বৈদ্যদের কাছ থেকে নানা রকমের তাবিজ ও ঝাঁড়ফুক করতেন। বট গাছ অথবা অশ্বথ গাছের নিচে নানা রকম পূজা করতেন। আমাদের গ্রামের পাশে দুটি পাহাড় ছিল। একটি পূর্বে অবস্থিত, আরেকটি পশ্চিমে অবস্থিত। পূর্বে অবস্থিত পাহাড়টি কুইমিয়া পাহাড় আর পশ্চিমে অবস্থিত পাহাড়কে বলে রেংক্রম পাহাড়। গ্রামের মানুষ বলতে থাকে, এককালে কুইমিয়া এবং রেংক্রম পাহাড়ের নিচে আমাদের গ্রামের মানুষ নানা পূজা করতেন। আমাদের এলাকা মানুষ পাহাড় দুটিকে দেবতাদের আস্তানা মনে করে অনেক সম্মান আর শ্রদ্ধা করতেন। প্রতি অমাবশ্যা আর পূর্ণিমার সময় সেখানে গিয়ে নানা পূজা-পার্বণ করতেন। দুইলিয়া আর লাংকুই-য়ের মা-বাবা তারা ছোট থাকতে সেই পাহাড়ের নিচে অনেক পূজা করতেন, যাতে তারা ভাল হয়। কিন্তু তারা শেষ পর্যন্ত ভাল আর হল না।

 

তারা প্রতি রবিবার আর বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যায় সেখামে মোমবাতি আর আগরবাতি জ্বেলে প্রার্থনা করতেন। এক রবিবার সকালে আমাদের গ্রামের মানুষ বিহারে গিয়ে প্রার্থনা করতে সমবেত হলেন। ঠিক সেই সময় তারা মানুষের কান্নার শব্দ শুনতে পেলেন। প্রার্থনা শেষে গ্রামবাসীরা যেদিকে কান্নার শব্দ শুনতে পেলেন সেদিকে যেতেই লাংকুইয়ের মা সুমপ্রয়াকে দেখতে পেলেন। তার কান্নার কারণ হল, পাগল লাংকুই মৃত্যুবরণ করেছে। তাই আদরের সন্তানকে হাড়িয়ে বৃদ্ধা সুমপ্রুয়া কাঁদছে। তার পাশে পড়ে রয়েছে লাংকুইয়ের মৃতদেহ। মা পাগল বলে ছেলে লাংকুইকে ঘৃনা করত না। ছেলে পাগল না, স্বাভাবিক এটি সুমপ্রুয়ার কাছে কোন ব্যাপার ছিল না। তার কাছে সব থেকে বড় পরিচয় হল লাংকুই তার পেটের সন্তান। যাকে দশ মাস দশ দিন গর্ভেধারণ করেছে। সন্তানের প্রতি মায়ের যে ভালবাসা আদর আর স্নেহ-মমতা তার তুলনা হয় না। সুমপ্রুয়া আদরের ছেলের শরীর স্পর্শ করে কাঁদতে থাকে। মৃত লাংকুই-এর কপালে স্নেহের হাত বুলাতে বলতে থাকে- ‘বাবা লাংকুই তুমি আমাকে একা রেখে চলে যাবে না তোমাকে ছাড়া আমি কিভাবে থাকব! তুমি পাগল হতে পার কিন্তু তুমি আমার গর্ভের সন্তান। আর মায়ের চোখো খারাপ ছেলে হোক আর পাগল ছেলে হোক সকলেই সমান। এত কষ্ট করে আমি তোমাকো বড় করেছি, আর এখন তুমি আমাকে একা রেখে নিষ্ঠুরের মত চলে গেলে। তুমি আমাকেও সাথে করে নিয়ে যাও’। কিন্তু এতক্ষনে দুইজন লোক লাংকুইয়ের মৃতদেহ সুমপ্রুয়ার দেওয়া নতুন কম্বল দিয়ে পাং (শবাদার)-এর ভিতরে রাখা হল। শেষে তাকে কবর দেয়ার জন্য শ্মশানের দিকে নেওয়া হল। লাংকুই মারা যাওয়ার পর থেকে সুমপ্রুয়ার খাওয়া বন্ধ করে দিল। লাংকুই আর উইনো দুই ভাই ছিল। উইনো তার মাকে পাগলের জন্য না কাঁদতে বলে। কিন্তু পারল না।

এর কয়েকদিন পর আমার বন্ধু তনসিং আর আমি সকালে রোদে পোহাচ্ছিলাম, ঠিক সে সময় দুইলিয়ার মা সংরুম আমাদের কাছে এসে তাকে দুইলিয়ার ঘরে নিয়ে যেতে বলল। সংরুম অন্ধ ছিল বলে চোখে কিছুই দেখত না। সে আমাদের দুজনকে বলল- ‘দুইলিয়া নাকি সকাল থেকে কোন চিৎকার করেনি ভাতের জন্য’।

অনান্য দিন হলে ভোর সকাল না হতে দুইলিয়ার চিৎকারে আশেপাশে মানুষের ঘুম ভেঙ্গে যেত। কিন্তু আজ দুইলিয়ার কোন চিৎকার না করায় তার মায়ের সন্দেহ হল যে, দুইলিয়া নিশ্চই অসুস্থ হয়েছে। আমরা সংরুমকে দুইলিয়া ঘরে পৌঁছে দিলাম। সংরুম আদরের ছেলে দুইলিয়ার মাথায় হাত দিতে লাগল। সে চেঁচিয়ে বলতে লাগল- ‘তোমার, তোমার এত জ্বর’। পরে সংরুম আমাদেরকে লেবুর পাতা আনতে বললো। আমরা আমাদের ঘরের পাশে আমার মায়ের রোপণ করা লেবুগাছ থেকে লেবুপাতা নিয়ে তাকে দিলাম। লেবুর পাতা পাওয়ার সাথে সাথে সংরুম তার মুখ দিয়ে দাঁতের সাহায্য বেঁটে দুইলিয়ার কপালে দিতে লাগল। পরে তাকে ভাত খাওয়াতে লাগল। দুইলিয়া শুয়ে শুয়ে তার মা দেওয়ার ভাত খেতে লাগল। তাকে আদর করে বলতে লাগল ‘বাবা দুইলিয়া আরও খাও, বেশি খেলে তাড়াতাড়ি অসুখ সেরে যাবে’। আমার বন্ধু তনসিং আর আমি ঘরের বেড়ার ফাঁক দিয়ে এসব দেখতে থাকলাম। দুইলিয়া তার মায়ের দেওয়া খাবার খেতে লাগল। কিন্তু কিছুক্ষন পর দুইলিয়া তার মাকে বকা দিতে থাকে। অন্ধ সংরুম দুইলিয়ার বকা পেয়েও ভয় না করে বরং তার কপালে স্নেহের হাত বুলাতে লাগল। অন্ধ সংরুমকে প্রায় প্রতিদিন এমনি করে দুইলিয়াকে ভাত তার ঘরে পৌঁছে দিত। পাগল হলেও আপন ছেলে দুইলিয়াকে ভাত খাওয়াতে পারায় সংরুম আমাদের সামনে আনন্দ প্রকাশ করতে থাকে।

এর কয়েকদিন পর এক ভোরে হঠাৎ আমরা সংরুমের কান্না শুনতে পেলাম। শেষে আমার ভাবী থুমক্রুংয়ের মাধ্যমে জানতে পারলাম, রাতে দুইলিয়া মৃত্যুবরণ করেছে। তাই আদরের ছেলেকে হারিয়ে অন্ধ সংরুম সুরে সুরে কাঁদতে থাকে। দুইলিয়ার ঘর ছিল আমাদের ঘর থেকে সামান্য দূরে। তাই সংরুমের কান্না স্পষ্ট শুনতে পেলাম। দুইলিয়া মারা যাওয়ায় আমার বাবাসহ গ্রামবাসীরা দুইলিয়ার ঘরের পাশে গিয়ে তার সৎকারের জন্য পাং (শবাদার) তৈরি করতে সমবেত হলেন। সংরুম করুন সুরে বলতে থাকে- ‘বাবা দুইলিয়া তুমি ভগবানের কাছে ভাল করে প্রার্থনা করবে যাতে, পর জন্মে ভালভাবে জন্মগ্রহন করতে পারে’। সংরুমের কান্না শুনে আমি আর তনসিং সেখানে গেলাম। পরক্ষনে দুইজন লোক তার শবাদার নিয়ে গেল শ্মশানের দিকে। তা দেখে সংরুম কান্নায় ভেঙ্গে পড়ল। সংরুম বলতে লাগল- ‘আমাকেও নিয়ে যাও বাবা দুইলিয়া। আমি অন্ধ অবস্থায় কিভাবে থাকতে পারব’! কিন্তু কে শুনে তার করুন কান্না! এমনি করে দুই পাগল আমাদের গ্রাম থেকে হারিয়ে গেল।

এর কয়েকদিন পর আমাদের গ্রামের ছেলে নিয়াবুক তুইহির ঝিরিতে মাছ ধরতে গিয়ে অজ্ঞান হয়। পরে তাকে ঘরে নেয়া হল। এর কয়েকদিন পর সে মারা যায়। আদরের ছেলে নিয়াবুককে হারিয়ে মাতা রুইঙুক আর পিতা পংকে পাগলের মত হলো। এমনি করে মারা যেতে যেতে ১৯৯১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত ৬৪ জন আমাদের গ্রামের লোক মারা গেলেন। আজ এই ৬৪ জন লোক হল আমাদের শ্মশানের স্থায়ী বাসিন্দা। আমি এসব হিসাব আমার ডাইরীতে লিখতে থাকি। তারা কোন সালে, কিভাবে মারা গেছে, কোন রোগে মারা গেছে তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া থাকে। এই ৬৪ জন গ্রামবাসী আমাদের গ্রাম থেকে নিষ্ঠুরের মত আমাদের ছেড়ে চিরকালের জন্য শ্মশানবাসী হয়েছেন। জানি না, আজ তারা কেমন আছেন। আজ তারা হয়তো জানেন যে, আমাদের শ্মশানভূমি সেনাবাহিনী প্রশিক্ষন এলাকার ভিতরে পড়েছে। তার মানে শ্মশানবাসীদের সাথে আমাদের সম্পর্ক ছিন্ন বিছিন্ন হয়ে গেছে। কোনদিন তাদের সাথে আমাদের দেখা হবে না। তাদের জন্য আজও প্রার্থনা করি যাতে তারা সুখে-শান্তিতে থাকে।

 

আজ আমাদের গ্রামের অনেক ছোট ছেলে-মেয়ে রেংক্রুম পাহাড় অথবা কুইমিয়া পাহাড় বলে চিনে না। তেমনি ইয়াংবং হোং অথবা চ্যংবত পাহাড় বললে বুঝতে পারে না। আবার যখন বলি চিম্বুক পাহাড় তখন সকলেই বুঝতে পারে। আবার যখন বলি হোং চেম অথবা টাওয়ার পাহাড় তখন অধিকাংশ মানুষ বুঝতে পারে না। এক সময় আমাদের চিম্বুক পাহাড়ে ‘নীলগিরি পাহাড়’ বলতে কোন নামই ছিল না। তখন ‘টাওয়ার পাহাড়’ অথবা অনেকে ‘হোং চেম’ বলে থাকে। ভাবতে কষ্ট লাগে যে, আজ আমরা আমাদের নিজস্ব নামগুলোকে গ্রহণ না করে অন্যদের চাপানো নামগুলোকে খুবই সহজে গ্রহণ করে থাকি। আর এখান থেকে আমাদের অস্তিত্বের সময়কাল আমরা খুব সহজেই নির্ধারণ করতে পারি। এই হোং চেম, টাওয়ার হোং অথবা ইয়াংবং হোং অথবা চ্যংবত পাহাড় হল আমাদের পূর্বপুরুষের রাখা নাম। এই নামগুলো আমাদের মাতৃভাষা। কারন ছোটকাল থেকে আমরা এগুলো শুনে আসছি। মাতৃভাষা হারানো জাতিকে সহজেই অন্যের অধীনতায় অধীককাল রাখা যায়। আজ আমরা আমাদের মাতৃভাষাকে গুরুত্ব না দিয়ে, বিদেশী ভাষার প্রতি আকৃষ্ট হয়েছি। এতে করে আমরা আজ খুব সহজে অন্যের অধীন হয়েছি। অনেক ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবকের কাছ থেকে শুনতে পাই- লেখা-পড়া শিখে তাদের ছেলে-মেয়ে নাকি মাতৃভাষার কথা বলতে পারে না। বুক ফুলিয়ে তারা এসব কথা বলতে থাকে। কিন্তু তারা জানেন না, তাদের ছেলে-মেয়ের ভবিষৎ কি হবে। চর্চা এবং অনুশীলন ও এর বুকে মায়ের মত নির্ভয় লাভের দ্বারা মানুষ সর্বোচ্চ স্তরে উন্নীত হতে পারে।  এই উত্তরন একমাত্র মাতৃভাষার দ্বারা সম্ভব। মাতৃভাষার যাদু স্পর্শে মানুষের ভাবস্বত্তা একসঙ্গে জাগ্রত ও উদীপ্ত হয়।

 

আজ আমাদের শ্মশানবাসী হয়তো বলতে থাকে, হে তুইহির ঝিরি সন্তান, তোমরাতো পালিয়ে সেনাবাহিনীর বোমার আঘাত থেকে রক্ষা পেতে পারবে কিন্তু আমরাতো পালাতে পারব না। আমরাতো মারা যাব। তোমরা আমাদের কথা মনে রাখিও আর সময় পেলে আমাদের কথা মনে করে, আমাদের দুঃখের কাহিনী শুনতে আমাদের দেখতে আসিও। কিন্তু আমরা কেউ তাদের কান্ন শুনতে পেলাম না। কারণ তারা হল লুমলা (আত্মা)। আমাদের গ্রামের শ্মশান ভূমির মত আরও অনেক গ্রামের শ্মশান ভূমি হারিয়েছে নানা ভাবে ভূমি বেদখল হয়ে। এই শ্মশানলোকদের কান্না এবং আমাদের নিজেদের এলাকার নাম যে, প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে তা কয়জন লোকে বুঝে, জানে। আর জায়গার নাম পরিবর্তন হয়ে আমরা যে নিজেদের ভূমি থেকে আস্তে আস্তে দূরে সরে যাচ্ছি। এই ভূমি বেদখলের বিরুদ্ধে কে মুখ খুলবে? কে প্রতিবাদ করবে?- বছরের খোড়াকী যোগাড় করতে না পারা জুমচাষী! অন্ধ লোক! ৭০/৮০ বছরের বয়স্ক! আধো আধো কথা বলার শিশু! অথবা আমাদের যুব ও শিক্ষিত সমাজ? মনে রাখবেন, শহরের যান্ত্রিকতার জীবন আপনাকে পীড়া দেবে কিন্তু গ্রামের গাছ-পালার শীতল স্পর্শে আপনার জীবন ধন্য হবে।

 

ছোটকালে আমরা লতা ব্যবহার করে দোল খেয়ে অনেক আনন্দ করতাম। দোলনার একটাই ধর্ম, তাকে যতই পিছনে দিকে নিয়ে যাবে ততই সামনে দিকে দূরে সরে যাবে। আমাদের জীবনও ঠিক তাই, আমরা যতই আমাদের শেকড়কে ভালবাসব, কাছে টানব ততই আমাদের সমাজ উন্নতি হবে, সমৃদ্ধি হবে। আমরা পরগাছার মত আমাদের ভূমির উপর নির্ভরশীল। আমাদের ভূমি থেকে আমাদের আলাদা করলে আমরা কোনভাবে বেঁচে থাকতে পারবো না। তাই বলা হয়ে থাকে- ভূমি হচ্ছে প্রাণ। আমাদের গ্রামের দুই পাগলের মায়ের আদর থেকে আমরা অবশ্যই শিক্ষা নিতে পারি যে, আমাদের আপন মা আমাদেরকে খুবই ভালবাসে। সন্তান পাগল বলে দুইলিয়ার মা, সংরুম দুইলিয়াকে দূরে ঠেলে দেয় না। সন্তান পাগল বলে লাংকুইয়ের মা সুমপ্রুয়া ছেলে লাংকুইকে দূরে ঠেলে দেয় না। সন্তান যতই খারাপ হোক না কেন, মা তার সন্তানকে ভালবাসবেই। আমরা যতই খারাপ হই জন্মভূমি আমাদেরকে নিজ সন্তান মনে করে অনেক অনেক ভালবাসে। তাই জন্মভূমির সাথে আমাদের যে ভালবাসার সম্পর্ক রয়েছে তা চিরকালের, চিরবন্ধনযুক্ত।


লেখক: ইয়াংঙান ম্রো, প্রাবন্ধিক ও গল্পকার, বান্দরবান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here