বুমেরাং সংস্কৃতির উত্থান আখ্যানে আদিবাসী দহন

0
59

সংসদীয় গণতন্ত্রের মধ্যেও যে দেশে জাতিতাত্ত্বিক সম্প্রদায় ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ঐতিহাসিক বিভাজনে সমাজ বিভক্ত থাকে, সেখানে বাস্তবিক আর্থসামাজিক বিভাজন ও বৈষম্য শ্রেণী কাঠামো ও জাত-ধর্মের কাঠামো বা ক্যানন ভেঙে দিতে হবে। আদিপত্যবাদীকেন্দ্রিক ধারণাকে উদ্দেশ্যমূলকতা থেকে সরিয়ে বিষয়গত করে তুলতে হবে। যে কেন্দ্র তার শূন্যমূলে অতর্কিত সংস্কৃতি তৈরি করে চাপিয়ে চায় তার বিপরীতে সাধারণ মানুষের প্রান্তিক সংস্কৃতি ও স্থানিক স্বরবিন্যাস দিয়ে চারদিক থেকে পাল্টা জবাব দিতে হবে। অর্থাৎ কেন্দ্রকে বিকেন্দ্রিকরণ নয়, বিচ্ছিন্নভাবে গড়ে উঠা মানুষের বোধকে বিধয়ের মাধ্যমে সমন্বয় করতে হবে অন্বয় অন্বেষণের ইচ্ছায়। রাস্তা কেটে দিলে সীমা ভাঙা হয়না, সীমা ভেদমূলক তাই সীমাকে ফেরাতে হবে অভেদের দিকে। তত্ত্ব খাড়া করে মানুষের মধ্যেই ঘোর বিরোধ তৈরি করেছে মূলা খাওয়া বুদ্ধিজীবী শিবির। যারা নিজেরাই তৃণভোজী অথচ মানবতার কথা বলে মানুষকে ফেরায় প্রকৃতি থেকে। তত্ত্বের শৃঙ্খলে চিহ্নিত করে মানুষ/অমানুষ, জাতি/উপজাতি, সভ্য/অসভ্য, জ্ঞানী/মূর্খ, মর্ডাণ/গেঁয়ো এই দ্বিপাক্ষিক দ্বৈতাচারের কারণে তাদেরই মায়া সমাজের সুস্পষ্ট বিভাজন রেখা এবং মুখোমুখি শ্রেণী বৈষম্য, এরাই বিভ্রান্তি সৃজন করে সমাজতন্ত্রীদের মধ্যে বির্তক লাগিয়ে দেয়। ঠান্ডা মাথায় পর্যবেক্ষণ করে ধুরন্ধর আউট সাইডার হয়ে। মূল বিষয় হল ইনার কনফ্লিক্ট তৈরি করে উপদল গড়া এবং নিজের মধ্যে আন্তঃসংঘাত তৈরি করে সামষ্টিক শক্তিকে ভেঙে দেয়া, এই সময়টুকু তারা ব্যবহার করে পুকুরের মাছ হাতিয়ে নেওয়ার জন্য। কট্টর মার্কসবাদীরাই পতনের সিঁড়িতে বসে আছে বিভ্রান্তির খপ্পড়ে পড়ে। অথচ অভেদের সন্ধানে চেতন সূত্রের মননবৃত্তি নিয়ে উত্তর আধুনিকতা কালচারাল ফ্রিডমের মাধ্যমে জনগণের আর্থসামাজিক উপলব্ধি তৈরি করছে এবং আক্রমণবাদী সাম্রাজ্যশক্তির অপপ্রয়াসকে হঠাচ্ছে উপনিবেশিক দাসত্ব থেকে নিজের উত্তরণের মাধ্যমে।

উপনিবেশ গড়ে উঠায় পর্যায়ে ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চার মধ্য নানাভবে প্রকাশ পায় প্রত্যাখান ও প্রতিরোধের মনোভঙ্গি। যত দুর্বল আর বিচ্ছিন্নই হোক এর অস্তিত্ব অস্বীকার করা যাবে না। উপনিবেশিক শাসন নিজের সাংস্কৃতিক আধিপত্য রক্ষা করে আসছে দুইভাবে, যা নয়া উপনিবেশিক সময়েও স্পষ্ট দেখা যাচেছ। একটি ভাষা, অন্যটি অর্থনীতি। ইংরেজী ভাষা আমরা শিখেছি কিংবা শিখতে বাধ্য হয়েছি। পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভিন্ন জাতিসত্ত্বার বসবাস। প্রায় প্রতিটি জাতিসত্ত্বার রয়েছে নিজস্ব স্বতন্ত্র সংস্কৃতি এবং সমৃদ্ধ ভাষা। পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন ভাষা-ভাষীদের উপর আধিপত্য বিস্তার করেছে সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের ভাষা কিংবা কেন্দ্রের ভাষা সাম্রাজ্য, তাদের নিজস্ব ভাষা থাকা সত্ত্বেও তাদের উপর অন্য ভাষা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে কিংবা বাধ্য করা হয়েছে। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ তাতে প্রচ্ছন্ন ভূমিকা পালন করেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের ভাষাভাষীর পাহাড়ী আদিবাসীকে চারটি ভাষার অধ্যায়ন করতে হয়। শুরুতে তারা শিখে মায়ের ভাষা অর্থাৎ মাতৃভাষা, দ্বিতীয়ত স্থানিক যোগাযোগের নিমিত্তে চট্টগ্রামের উপভাষা বা আঞ্চলিক ভাষা তৃতীয় ভাষা হিসেবে প্রমিত ভাষা বা বাংলা ভাষা। চতুর্থ ভাষা হিসেবে ইংরেজী। অথচ মূল স্রোতের বিশেষত বাংলা ভাষী শিশুকে শিখতে হয় দু’টি ভাষা বাংলা ও ইংরেজী। চারটি ভাষার শৃঙ্খলের চাতালে পড়ে ভালভাবে কোন ভাষায় তারা আয়ত্ব করতে পারেনা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। বিশ্বব্যাপী ভাষা সমূহ দু’ভাবে বিভক্ত কর্তৃত্ববাদী (Dominate) এবং প্রান্তিকায়িত (Marginalized)। বৈশ্বিক ক্ষমতা কাঠামোর মত রাষ্ট্রকাঠামোতেও তা স্পষ্ট হয়ে উঠে, যদি একই রাষ্ট্রে বিভিন্ন ভাষাভাষীর ও সংস্কৃতির জাতিসত্ত্বার বসবাস থাকে, আধিপত্যবাদী ভাষা তার সাম্রাজ্য বিস্তারের জন্য বেছে নেয় সওদাগরি পন্থা। সওদাগরি পদ্ধতির উত্থান হয় আধুনিকতার বেড়ে উঠাকে কেন্দ্র করে। উপনিবেশের সম্প্রসারণ আধুনিকতারই প্রায়োগিক পদ্ধতি। বিশ্বায়নের প্রভাবে বণিক রাজত্ব কায়েম হচ্ছে। ট্রান্সকমিউনিকেশনের জন্য তৈরি হচ্ছে হাইওয়ে। স্থায়ী জায়গা (Site)-কে বিভক্ত করে বাইপাস টানেল তৈরি হচ্ছে। কারণ স্থানিক (Local) ভাষাকে যদি প্রভাবিত করে আদিপত্যবাদী বা সাম্রাজ্যবাদী ভাষার বিকাশ ঘটাতে না পারে তাহলে নির্দিষ্ট (Particular) লক্ষ্যে পৌঁছাতে তালগোল লেগে যেতে পারে তাই তারা চায় সাধারণ (Common) ভাষা। কোন ভাষাই নিজেকে নিয়ে নিজে বা নিজের ভেতর নিজে স্বয়ং সম্পূর্ন নয়। কিন্তু বৈশ্বিক হতে গিয়ে উপনিবেশের ঢান্ডাবেড়ি পড়ছি, উপনিবেশিক মানসিকতার তকমা খেয়ে উদগীরণ করছি। অন্য ভাষার চেয়ে ইংরেজী ভাষা একটু বেশী সার্বজনীন (Universal)। একই ধারণার নবায়ন ধারা অব্যাহত রাষ্ট্র কাঠামোর ভেতর ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বার মধ্যেও বিরাজমান।

দীর্ঘ নয় মাসের যুদ্ধোত্তর একটি দেশের গঠন প্রক্রিয়ার শুরুতে আপামর জনসাধারণ জড়িয়ে পড়ছে নৈরাশ্য, হতাশা ও বিচ্ছিন্নতাবোধে। তা কাটিয়ে উঠতে না উঠতে দ্রুত শিল্পায়ন ও নগরায়ণের নয়াপ্রভাব আমাদের উপর ভর করেছে। পুরনোর প্রতি অনাগ্রহ, ঐতিহ্যের প্রতি বিতৃষ্ণা, গতানুগতিকতার প্রতি বির্ষমিষা এই সব আমাদের জাত্যভিমান নষ্ট করে দেয়। বারবার সামরিক থাবায় রাষ্ট্রযন্ত্রের কলকব্জা নড়ে যায়। বারবার ক্ষমতার প্রহসনের নিমিত্তে জোট, মঞ্চ দৈরাত্যের ফাঁকে উড়ে আসে ঈগল, বাসা বাঁধে পুরানো শকুন। কথিত ইয়াং জেনারেশন হয়ে উঠে ভক্ষক। জাতির উত্তর প্রজন্ম তার উত্তরণ পর্বে আস্থা হারায় জনগণের। এই শূন্য ফাঁপা সময় পাড়ি দিতে হবে মারাত্মক পরিণতির মধ্য দিয়ে। সম্ভাবনা সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে দূরদর্শী নেতৃত্বের শূন্যতায়, ইতিহাস বারবার কথা বলে, শিকড়ের বিশ্বাসে ঐতিহ্যের নবায়নে হয়তো আবারো মনন কাঠামো নতুন উদ্যমে বিন্যাস করবে আমাদের প্রজম্ম। সে লক্ষ্যে নিষ্ঠার হাতে ধীমানরা রচনা করেছে সভ্যতার মাঙ্গলিক আলোক সম্পাত। স্বজাত্য চেতনায় সভ্যতা ও সংস্কৃতি ঘুরে দাঁড়াবে দুঃসময়ের আবর্ত থেকে। বৌদ্ধিক চিন্তার জাগরণে ক্ষমতাশীল একবিশ্বকেন্দ্রিক দাপটে নীতির কাউন্টার ডিসকোর্স তৈরী হবে। শত বছরের অযাচিত ইতিহাস কাঁধে নিয়ে ঘুরে দাঁড়াবে ভূমিপুত্র ন্যায্য হিসাব বুঝে নেওয়ার সাহসে খালি খাতা হাতে।

সাংস্কৃতিক আধিপত্য বা হেজিমনি সমাজের অধিকাংশ মানুষের বাস্তব বোধকে প্রভাবিত করছে। তৈরী হচ্ছে বুমেরাং সংস্কৃতি। নিমিত্তির আকরন ভেঙে বাস্তববোধ ও ভেসে যাচ্ছে নিরুদ্দেশ। ভিনদেশী সংস্কৃতির চাতালে হাবুডুবু খাচ্ছে মধ্যবিত্তের বৃত্তিয় মনন কাঠামো। পাশ্চাত্য অনুকরণে হারিয়ে যাচ্ছে কৃষ্টি ও রিচুয়্যাল। জীবনযাপনের আচরণগুলো বদলে যাচ্ছে। বদলে যাচ্ছে বাচনভঙ্গি ও প্রকাশের রীতি। মিডিয়ার কল্যাণে আগ্রাসী সংস্কৃতি আজ নিরাপদ আবাস গড়ছে আমাদের বৈঠকখানায়। পণ্য উৎপাদক দেশের বিজ্ঞাপনী ভাষার দৌড়ঝাপেই হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের ক্ষুদ্র শিল্পের কাঁচামাল। উন্নত প্রযুক্তির দৈরাত্যে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে শিল্প-কারখানা, বেকার হচ্ছে শ্রমিক। অন্যদিকে কর্পোরেট পুঁজির বিনিয়োগে গ্রাম ছেড়ে ডেরা গড়ছে মানুষ নগরে। কৃষি অর্থনীতি ও প্রান্তিক অর্থনীতির চূড়ান্ত পাঠ আজ প্রায় সমাপ্ত হতে যাচ্ছে। আই.এম.এফ. ও বিশ্বব্যাংকের সুপারিশে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠক্রমে নেই প্রান্তিক ও কৃষি অর্থনীতি। কৌম সংস্কৃতির শৃঙ্খল ভেঙে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে পশ্চিমের শিল্পায়িত সমাজের সমাজ ধর্ম ও আচার।

স্থানিক সংস্কৃতি ও স্বর বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে দলিত হয়। রাষ্ট্র কাঠামোতেও ব্যবহৃত এই চিত্র যা বহুরৈখিক সময়ের বহুরৈখিক কন্ঠস্বর ব্যাহত করে। মানুষের ঐতিহ্য পরম্পরার সংস্কৃতি পালনে বাধাগ্রস্ত হলে কেন্দ্রমুখী প্রবণতার কোপানলে পড়ে সক্রিয় প্রকাশ ভঙ্গি যার পরিণতি হল বিকৃত। যেমন: রাঙামাত্যা শব্দটি রাঙ্গামাটি। তাই স্থানিক আইডেন্টিতে তা রাঙ্গামাটি হয়েছে। কিন্তু স্থানিক স্বরে তা রাঙামাত্যা’ই উচ্চারিত হয়। এরকম আরো অনেক শব্দ ও ভাষা আছে। বাংলাদেশে এই সব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভাষীর ভাষা অধিকার আজ সংকটের মুখে। প্রকৃতিগত সংস্কৃতি যেহেতু ব্যাহত হচ্ছে তাই প্রয়োজন পাল্টা সংস্কৃতি (Counter culture) উত্থান। কিন্তু এই জবাব দেওয়ার প্রক্রিয়া যেন উপ-সংস্কৃতি (Sub culture) পরিণত না হয়। তার জন্য প্রয়োজন বৃহৎ লক্ষ্যে ক্ষুদ্র বর্গের ঐক্য এবং ঐক্যর মধ্যে বিভেদ নয় প্রতিভূ চিহ্নায়িত করতে হবে সংস্কৃতি বিকাশের জন্য। সাহিত্য চর্চা হতে পারে এজন্য উৎকৃষ্ট মাধ্যম। তৈরী হতে পারে বিকল্প সাহিত্য (Alternative Literature)। আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যেও এই ধারাটি অব্যাহত আছে তবে বেশ শক্তিশালী নয়। তাদের অনেকেই নিজ ভাষা থাকা সত্ত্বেও তাদের ভাষায় সাহিত্য চর্চা করে না। বরং নিজের দ্রোহ ও দহনের প্রতিচিত্র এঁকে সতত জবাব দিতে প্রস্তুত মূল স্রোতের সাথে। কিংবা নান্দনিক মোহ হতে চায় খ্যাতিমান, পরিণতি হতে পারে শুভঙ্করের ফাঁকি। ইতিহাসে ফিরে পাঠ নেওয়া যেতে পারে “মাইকেল” থেকে। আদিবাসী প্রান্তিকজন সক্রিয় কবিতা চর্চায়। নিবিড় পাঠের (Close reading) মাধ্যমে concrete poetry বোধ নিয়ে যারা individual talent তাদের দ্রহনের প্রতিরূপ এমন-

১. তবু আমি স্বপ্ন দেখি একদিন অন্ধকার কেটে যাবে
আলো ফুটবে, বেঁচে থাকবো আমি ধরিত্রির সন্তান হয়ে।
-বিবস্ত্র পতিতা।। কর্মধন তঞ্চঙ্গ্যা

২. পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে
তার অস্তিত্ব খুঁজে পায় না কোথাও,
চারদিকে অসহায় মানুষের মরণের শেষ চিৎকার
মাথা গুঁজবার ঠাঁই নেই আমার কোথাও
কী হবে বেঁচে, এভাবে ?
-কী হবে বেঁচে।। পলাশ তঞ্চঙ্গ্যা

৩. খরতপ্ত পাহাড়ে- প্রান্তরে তোমরা ঝাঁপিয়ে পড়ো
সম্ভাবনার সমস্ত দিগন্ত খুলে সমস্ত জীবনকে
জাগিয়ে যাও।
এইতো সময়!
-নির্বাসিত শব্দমালা।। প্রশান্ত ত্রিপুরা

৪. বৈরী বাতাস কেমন করে যেন
বেঁচে আছি !
-উদ্বাস্ত স্বপ্ন।। মথুরা ত্রিপুরা

৫. নিরবে নিমগ্ন হলে আদি আবাদের জমি
জ্বলে ওঠে অনন্ত অমার প্রতারক ক্রুর পটভূমি!
-পটভূমি।। মং সিং ঞো

৬. তোমার পার্বত্য অঞ্চলে এত কেন ব্যথা
দুঃখবোধে প্রশ্ন করি বারবার
বন্ধু কেন দিনদিন নিষ্টুরতার পথে
হেঁটে যায়, মৈত্রীর চেতনা মুছে দিয়ে!
-খোলা চিঠি।। উ শ্যে প্রু মারমা

৭. পিঠ দিচ্ছি, বুক দিচ্ছি, হাত দিচ্ছি, পা দিচ্ছি
সারা শরীর বিলিয়ে দিচ্ছি
দেশ-জাত সবই দিচ্ছি মুখ চেয়ে কিছু বলছি না
নিচ্ছি নিচ্ছি বলে কখনো বলিনি!
-নদীর নাম লোগাঙ।। মৃত্তিকা চাকমা

৮. আমার সমস্ত অস্তিত্বে ঝাঁকুনি লাগে,
সমস্ত তন্ত্রে নিশ্বাসে কাঁপুনি লাগে,
বিপন্ন বোধে আমার ক্রোধ জাগে, জাগে তারুণ্য
সম্মুখে আগত এক প্রজন্মের অহংকার জাগে
জাগে সাহসী সময়, জাগে প্রেম,
জাগে দীপ্ত ভালবাসা বিপ্লব।
-বিপ্লব।। কবিতা চাকমা

কবিতাগুলোর উদ্ধৃতি কবি হাফিজ রশিদ খান কর্তৃক সংকলিত “অরণ্যের সুবাসিত ফুল” থেকে সংগৃহিত।


রুদ্র শায়ক; হুচ্‌ , ১ম বর্ষ, ১ম সংখ্যা জুলাই ২০০৯

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here