নির্বাসন থেকে ফিরে দেখাঃ এক চাকমা ব্যক্তির অভিজ্ঞতা (শেষ পর্ব)

0
488

সর্বশেষ এ পর্বটিতে লেখক তুলে ধরেছেন স্বাধীন বাংলাদেশের সূচনাপর্বে পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের উপর রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ, সেনাবাহিনীর ভূমিকা, আদিবাসীদের অধিকারের দাবি এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রাথমিক প্রতিরোধ, অবশেষে লেখকের চিরস্থায়ী শরণার্থী জীবনের গল্প

স্বাধীনতা-উত্তর প্রতিরোধ এবং অত্যাচারঃ

নতুন বাংলাদেশ ফিরে এসে আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র সমর্পণের খবর পাই।

আমরা পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের মধ্যে একতাকে শক্তিশালী ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অতিসত্বর একটা সাংস্কৃতিক সংগঠন গড়ে তোলার ব্যাপারে কাজ শুরু করি।

বাঙালিত্বের আগ্রাসনের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আমাদের নিজেদেরকে শিক্ষিত করে তোলা এবং আত্মপরিচয় সম্পর্কে নিজেদের সচেতন করা তোলাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে আমি অনুভব করতাম।

চাকমা সমাজ ও সংস্কৃতিতে যেসব বাঙালি সংস্কৃতির প্রভাব অনুপ্রবেশ করছিল সেসব থেকে নিজেদেরকে মুক্ত করতে আমরা বদ্ধপরিকর ছিলাম।

বেইন বুননরত বম নারী, Image Credit: JCH Travel/ Flickr

আমরা আমাদের সংগঠনের নামকরণ করি “পাহাড়ি সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী” (Hillman Cultural Group)। আমাদের প্রাথমিক পর্যায়ের উদ্যোগটি ছিল একটি ম্যাগাজিন প্রতিষ্ঠা করে আমাদের চিন্তাভাবনাগুলোকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া।

ম্যাগাজিনটি বাংলা ও চাকমা- উভয় ভাষাতেই প্রকাশিত হয়। তবে চাকমা বর্ণমালার পরিবর্তে আমরা আমরা বাংলা বর্ণমালা ব্যবহার করি।

আমাদের যে এক পৃথক আত্মপরিচয় বিদ্যমান এবং সেই সাথে নিজস্ব সংস্কৃতি ও জীবনাচরণকে যে আমরা সমুন্নত রাখতে চাই তা বুঝানোর প্রচেষ্টা হিসেবে এ প্রকাশনাটি ছিল দ্বিভাষিক।

সমাজের শিক্ষিত শ্রেণী একে খুব ভালোভাবে গ্রহণ করে। পার্বত্য চট্টগ্রামের কিছু দুর্গম অঞ্চলে আমরা এ প্রকাশনা প্রচারের উদ্দেশ্যে ক’জন সদস্যকে পাঠিয়েছিলাম, কিন্তু তারা দীঘিনালায় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন।

আটক অবস্থায় তারা পুলিশ কর্তৃক হয়রানির শিকার হন। এরপর আমরা তাঁদের ছাড়িয়ে আনি।

একইভাবে অন্যান্য আদিবাসী যুবকেরাও সংস্কৃতি এবং রাজনীতিতে বিভিন্নভাবে সক্রিয় ছিলেন।

পাকিস্তান আমলে গঠিত হওয়া সংগঠন “পাহাড়ি ছাত্র সমিতি” (Pahari Chatra Samiti) ইতিমধ্যেই কাজেকর্মে বেশ তৎপর হয়ে উঠেছিল।

এছাড়া একটি সাংস্কৃতিক শাখাও গঠন করা হয়। এর নাম দেওয়া হয় “গিরিসুর” (Tune of the Hills)।

এ সময়টায় পাহাড়ি আদিবাসী জনগোষ্ঠি নিজেদের পৃথক আত্মপরিচয় সম্বন্ধে সচেতন হয়ে উঠছিল এবং তার ছোঁয়া গিয়ে  লেগেছিল পাহাড়ের দুর্গম ও দূরবর্তী অঞ্চলগুলোতেও।

শিক্ষার্থীরা সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার কার্যক্রমে দায়িত্ববান ছিল। আমি নিজেও চাকমা ও বাংলা এ দুই ভাষাতেই কবিতা আর প্রবন্ধ লিখে সাহিত্য সম্পর্কিত কার্যক্রমে যুক্ত ছিলাম।

১৯৭২-৭৩ সালের দিকে আমি প্রায়ই এমপি (সংসদ সদস্য) হোস্টেলে গিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের সংসদ সদস্যদের সাথে আলাপ করে সংসদ অধিবেশনে তাঁদের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত থাকতাম।

এক বম পাড়ায় বাড়ি নির্মাণ,
Image Source: Genocide in the Chittagong Hill Tracts, Bangladesh, Wolfgang Mey (ed.), IWGIA Document 51

শ্রী এম এন লারমা কেবলই হতাশা প্রকাশ করে থাকতেন। তার ভাষ্যমতে পার্বত্য চট্টগ্রামের সংসদ সদস্যদের পেশকৃত দাবিদাওয়া সংসদীয় ঘটনাপঞ্জিতে লিপিবদ্ধ করা হত; যে দাবিদাওয়াসমূহ তুলে ধরা হত আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নিজ স্বার্থরক্ষায়।

এসব দাবি লিখিত হত কিন্তু কখনো সংসদ কর্তৃক স্বীকারপূর্বক মেনে নেওয়া হয় নি।

তাঁর (এম এন লারমা) নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে একটা প্রস্তাবনা পেশ করে যাতে পার্বত্য চট্টগ্রামের[1] স্বায়ত্বশাসন দাবি করা হয়।

১৯৭৫ সালের নভেম্বর মাসে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি এ এস সায়েমের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে আরেকটি প্রতিনিধি দল। 

সেখানে পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক স্বায়ত্বশাসনের জন্য পুনরায় আবেদন করা হয়।

এরপর রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন রাঙামাটিতে সফরে আসেন তখনও তাঁর কাছে একই দাবি জানিয়ে আদিবাসী নেতাদের স্বাক্ষর সংবলিত স্মারকপিলি দেওয়া হয়।  

১৯৭৫ সালে জনাব শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

তিনি সেসময়ে রাঙামাটিতে সফরে যান। তখন ছিল জুন মাস।

স্থানীয় প্রশাসনের আহবানে শতশত পাহাড়ি আদিবাসী জনতা দূরদূরান্ত থেকে এসে হাজির হন জনসভায় তাঁর বক্তব্য শুনতে।

সেখানে তিনি আদিবাসীদের ভাতৃস্থানীয় বলে সম্বোধন করেন, এবং তাঁদের বলেন বাঙালি হয়ে যেতে। তাদেরকে ঔপনিবেশিক শাসনের ইতিহাস  ভুলে গিয়ে মূলধারার বাঙালি সংস্কৃতিতে যোগ দেওয়ার আহবান জানান।

এ বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আদিবাসী জনগণ সভা ত্যাগ করতে থাকেন। এটা লক্ষ্যণীয়ভাবে পরিষ্কার ছিল যে উপস্থিত কেউই বাঙালি হয়ে যাওয়ার আহবানে খুশি হন নি।

শেখ সাহেব রীতিমত হুমকি দিয়েও বলেন যে আদিবাসীরা এর বিরোধীতা করলে তার পরিণাম ভাল হবে না।

চাকমা গ্রাম,
Image Source: Genocide in the Chittagong Hill Tracts, Bangladesh, Wolfgang Mey (ed.), IWGIA Document 51

ফলশ্রুতিতে সেখানে দৃশ্যমান হয় সেনাবাহিনী প্রেরণ, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর উচ্ছেদ এবং সমতল থেকে আসা বাঙালিদের বসতি স্থাপনের সূচনা।

ধাপে ধাপে এসব প্রয়োগ করা হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সৈন্য প্রেরণ করা হতে থাকে; দীঘিনালা, রুমা ও আলীকদমে সেনানিবাস (Cantonment) স্থাপন করা হয় এবং ঘাগড়ায় একটি আনসার ব্যাটালিয়ন স্থাপিত হয়।

শুরু হয়  নিপীড়নের অধ্যায়। ইচ্ছামত গ্রেফতার চলতে থাকে।

একের পর এক  হত্যা এবং ধর্ষণ সংঘটিত হতে থাকে। গ্রামের পর গ্রাম পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছিল।

শেখ মুজির নিহত হলেন, তাঁর পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ অব্যাহত নিপীড়ন চালু রাখেন।

১৯৭৫ সালে আমি একজনকে হারাই যিনি ছিলেন আমার বন্ধু ও আত্মীয়ের মধ্যে অন্যতম।

তিনি তাঁর আত্মীয়ের সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে দীঘিনালা যান এবং সেনাবাহিনীর হাতে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক হন। তাঁকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সেখানকার সেনা ক্যাম্পে।

তাঁর পিতামাতা সহকারী কমিশনারের কাছে আবেদন জানান। কিন্তু আমার বন্ধুবরের মৃতদেহটি প্রদান করার ছাড়া তিনিও আর কিছু করতে পারেন নি।

আমার বন্ধুকে নিষ্ঠূরভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল, এবং আঘাতগুলো এতটাই মারাত্মক ছিল যে তাঁকে রীতিমত চেনাই যাচ্ছিল না।

অত্যাচারের মাত্রা ক্রমশ বাড়তে থাকে। সেই সাথে সাথে আদিবাসী যুবকেরাও দলে দলে গহীন অরণ্যে আত্মগোপন করে এবং যোগদান করে ‘শান্তি বাহিনী’তে, যা ছিল আদিবাসীদের গেরিলা বাহিনী। 

আমার অনেক বন্ধু এবং আত্মীয়ই সেখানে যোগ দেয়। অন্যদিকে আমি সহিংস এ পন্থাটিকে পুরোপুরি গ্রহণ করতে পারি নি।

ফলে আমি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থে দূরেই রয়ে যাই এবং সাহিত্য লেখালেখি ইত্যাদি নিয়ে শিক্ষকতায় মনোনিবেশ করি।

সে সময়ে সকল আদিবাসী যুবকের উপর নজরদারি বহাল ছিল।

রাঙামাটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ছিল সেনাবাহিনীর হাতে।

ম্রো পুরুষ, Image Credit: JCH Travel/ Flickr

১৯৭৭ থেকে ১৯৭৮ সাল- এ সময়ের মাঝে পার্বত্য চট্টগ্রামের অসংখ্য মানুষ সেনাবাহিনীর হাতে নিহত হন এবং এক ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি হয়।

রাঙামাটি এবং অন্য সকল স্থানগুলোতে সেনাবাহিনীর দ্বারা অভিযান পরিচালিত হত গভীর রাতে। এ সময় অনেককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হত।

আটক হওয়ার আশঙ্কায় আমার কলেজের এক আদিবাসী সহকর্মী রাতে নিজের বাড়িতে পর্যন্ত ঘুমাতেন না।

১৯৭৮ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্মাণকাজ পরিদর্শনের একটি দলে সদস্য হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হই।

দলটি কেবলমাত্র তিনজন সদস্য নিয়ে গঠিত ছিল যার মধ্যে দুজনই ছিলেন বাঙালি।

আদিবাসী হওয়ার কারণে দায়িত্ব পালনের সময় বেশ কিছু জায়গায় আমি হয়রানির শিকার হই।

আমার সহকর্মীরা সবসময়ই আমাকে রক্ষায় এগিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু আমি বুঝতে পারি যে আমার সরকারি চাকরি বা সরকারি দায়িত্ব পালন আমাকে সেনাবাহিনীর আক্রমণ বা হয়রানি থেকে বাঁচাতে পারবে না। 

১৯৭৮ সালে আমার বাবা এবং জ্যাঠা সেনাবাহিনীর হাতে অত্যন্ত বাজেভাবে মারধোরের শিকার হন। অথচ তারা উভয়েই সরকারি চাকরিজীবী ছিলেন।

১৯৭৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে তল্লাশি অভিযান ও আটকের পরিমাণ এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে রাঙামাটির আদিবাসী জনগোষ্ঠী প্রচন্ড আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।

গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে পাকিস্তানীদের অনুকরণে সকল আদিবাসী বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে ফেলা হবে।

ঠিক এ সময়টাতে আমি সিদ্ধান্ত নিই আমার এলাকা ত্যাগের। আমি এক দুঃসহ আতঙ্কে রাতে ঘুমাতে পারতাম না। রাঙামাটির সকল আদিবাসী জনগন এক ভয়াল পরিস্থিতিতে দিন এবং রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছিলেন।

১৯৭৯ সালের এপ্রিল মাস, আনুমানিক ৭০ জন আদিবাসী ব্যক্তি যার মাঝে অনেকেই ছিলেন সরকারি চাকরিজীবী- সেনাবাহিনীর এক বড় অভিযানে আটক হন।

আমি মে মাসে রাঙামাটি ছেড়ে ঢাকা চলে আসি। আমি বদলির জন্য একটা আবেদন পেশ করি কিন্তু তা গৃহিত হয় নি।

সাঙ্গু নদী, Image Credit: Muhammad A Zahid/ Flickr

তারপর আমি এক বিদেশী সরকারের অধীনে চাকরিতে যোগদানের উদ্দেশ্যে সাক্ষাৎকার দিই। চাকরিটা আমি পেয়ে যাই।

মন্ত্রনালয় থেকে একজনের সহযোগিতায় আমি বাংলাদেশ সরকার থেকেও অনুমতি পেয়ে যাই।

কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তাকে সন্তুষ্ট করতে আমাকে ঘুষ প্রদান করতে হয়েছিল। আমি বিদেশে পাড়ি জমাই ১৯৭৯ সালের নভেম্বর মাসে।

১৯৮০ সালে আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং পুলিশের দ্বারা আদিবাসী জনগণের নির্মূলকরণ বন্ধের আর্জি জানিয়ে আহবান পেশ করি এবং তা বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দিতে থাকি।

এছাড়াও বাংলাদেশ সরকারের আদিবাসী সম্পর্কিত সরকারি নীতির বিরুদ্ধে জোর প্রচারণা চালাই।

আমি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির উদ্দেশ্যে চিঠি দিই। সেখানে পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের উপর হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করতে এবং তাদের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার পুনর্বহাল করার জোরালো আহবান ছিল।

চুক্তি মোতাবেক আমার চাকরির মেয়াদ উর্ত্তীর্ণ হওয়ার পরে আমি সেই দেশটি ত্যাগ করি। সেখান থেকে আমি ইউরোপে চলে আসি এবং রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করি। আমার আবেদন গ্রহণ করা হয়।

তার পর থেকেই আমি একজন শরনার্থী হিসেবে ইউরোপে বসবাস করে আসছি।  

(সমাপ্ত)

তথ্যসূত্রঃ

Ackermann, M.  Goza und Gutti. Zwei sozio-politische Gruppier-ungen
bei den Chakma, Chittagong Hill Tracts (Bangladesh)
Freidberg 1977
Amnesty
International (AI)
Recents Developments in the Chittagong Hill Tracts
and AI Concern 1.11.1980 London
Mey, W. Politische Systeme in den Chittagong Hill Tracts,
Bangladesh, Bremen 1980
Mills, J.P. Report on the Chiefs of the Chittagong Hill Tracts
(unpublished manuscript) 1927
Montu, K. Tribal Insurgency in Chittagong Hill Tracts, Economic and Political Weekly, 6.9.1980, Bombay

[1] প্রতিনিধি দলটি পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী জনগণের পক্ষ্য থেকে নিম্নোক্ত চার দফা দাবি নিয়ে আলোচনা করতে চেয়েছিলঃ

১) পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বায়ত্বশাসন ও নিজস্ব আইন পরিষদ গঠন।

২) বাংলাদেশের সংবিধানে ১৯০০ সালের শাসনবিধির অনুরূপ সংবিধির অন্তর্ভুক্তি।

৩) আদিবাসী সার্কেল চীফ বা রাজাদের দপ্তর সংরক্ষণ।

৪) ১৯০০ সালের শাসনবিধি সংশোধনের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক বিধিনিষেধ এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে অ-আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসতি স্থাপনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ।


৪র্থ পর্বের লিংক


মূল লেখাটি প্রকাশিত হয়েছেঃ Genocide in the Chittagong Hill Tracts, Bangladesh, Wolfgang Mey (ed.), IWGIA Document 51

লেখকঃ এ.বি. চাকমা (ছদ্মনাম)

লেখাটির অনুবাদকারীঃ সায়ক চাকমা, আইন বিভাগের শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here